ফিরে যেতে চান

রেজিস্ট্রেশন অফিসের প্রধান হলেন জেলা রেজিস্ট্রার। জেলা প্রশাসন অফিস চত্বরেই জেলা রেজিস্ট্রেশন অফিস অবস্থিত। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর ব্যাপারে রেজিস্ট্রেশনের দায়িত্ব রেজিস্ট্রেশন অফিসের উপর। এ অফিসে মফঃস্বল এলাকার রেজিস্ট্রেশন অফিসসমূহও দেখাশুনা করে ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত মামলাসমূহের আপিল শুনে থাকে। ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ৪র্থ শাখা অনুসারে ১৯৭১ সালের আগস্ট পর্যন্ত জেলা প্রশাসক বা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকই পদাধিকার বলে জেলা রেজিস্ট্রার ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৭ আগস্ট পূর্বতন আইন রহিত করে রেজিস্ট্রেশন বিভাগের সাব রেজিস্ট্রারদের মধ্যে থেকেই জেলা রেজিস্ট্রার নিয়োগের বিধান করা হয় এবং ১৯৭১ সালের ১০ আগস্ট রাজশাহী জেলা সাব-রেজিস্ট্রারই জেলা রেজিস্ট্রার হিসাবে নিয়োজিত হন। জেলা রেজিস্ট্রারের কাজে সহায়তা করার জন্য একজন যুগ্ম রেজিস্ট্রার থাকেন। তিনি রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত আপীল শুনে থাকেন। সদর রেকর্ড রুমের দায়িত্ব তার উপর ন্যস্ত।২ 
১৯৯১ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ জেলা গেজেটীয়ার বৃহত্তর রাজশাহীতে এ সকল তথ্য পরিবেশিত হলেও ২০১৫ সালের ১১ জুন সাব রেজিস্ট্রার সদর, রাজশাহীর মতে, জেলা রেজিস্ট্রার নিয়োগের পূর্বে জেলা ও দায়রা জজ জেলা রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করতেন। এ ছাড়া যুগ্ম রেজিস্ট্রারও কখনও ছিল না।
১৯১৪ সালে রাজশাহী জেলা রেজিস্ট্রেশন অফিসের অধীনে ১৪টি সাব রেজিস্ট্রি অফিস ছিল। ১৯৮২ সালে ছিল ২৮টি। ১৯৮৪ সালে মহকুমাগুলো জেলায় উন্নত হলে নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৃথক জেলা রেজিস্ট্রেশন কার্যালয় স্থাপিত হয় এবং সাব রেজিস্ট্রেশন অফিসসমূহ নিজ নিজ জেলা রেজিস্ট্রেশন কার্যালয়ের অধীনস্থ হয়। আগে ৯টি সাব রেজিস্ট্রেশন অফিস রাজশাহী জেলা রেজিস্ট্রেশন অফিসের অন্তুর্ভুক্ত ছিল। সম্প্রতি পবা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রেশন অফিস স্থাপন হওয়াই সাব রেজিস্ট্রেশন অফিসের সংখ্যা হয়েছে ১০টি। তার পূর্বে পবা উপজেলা সদর সাব রেজিস্ট্রেশন অফিসের সঙ্গেই ছিল।৪৯৩
জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের নতুন ভবন গণপূর্ত বিভাগ, রাজশাহী ১৯৯৮-২০০৩ সালে ১ কোটি ২৬ লাখ ১৮ হাাজার ৯শ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করে।৯