ফিরে যেতে চান

(RMP- Rajshahi Metropolitan Police)

১৯৯২ সালের ১ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্বোধন করেন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও পবা ও চারঘাট থানা অংশ বিশেষ আর এমপির অন্তর্ভুক্ত হয়। পূর্বতন বোয়ালিয়া থানা ছাড়াও রাজশাহী মহানগরীতে আরো ৩টি থানা বৃদ্ধি পেয়ে বোয়ালিয়া, রাজপাড়া, শাহ্ মুখদুম ও মতিহার ৪টি থানায় পরিণত হয়। চারটি থানার মোট এলাকা হয় ২০৩ বর্গমাইল।৩ আর আমপি প্রধান হলেন পুলিশ কমিশনার। প্রথম কমিশনার নিযুক্ত হন রফিকুল আলম খান।

নবনির্মিত শাহ্ মখদুম থানা (ছবি জানুয়ারি ২০১৭)


১৫ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখের প্রাপ্ত তথ্যানুসারে পুলিশ কমিশনারের অধীনে ৪ জন উপ-পুলিশ কমিশনার আছেন। উপ কমিশনার (সদর), উপ কমিশনার (পূর্ব), উপ-কমিশনার (পশ্চিম) ও উপ-কমিশনার (দাঙ্গা)। রাজশাহী পুলিশ লাইনের দায়িত্বে আছেন একজন সহকারী কমিশনার। আরএমপি (ট্রাফিক) অফিস নগরীর হোসেনীগঞ্জে অবস্থিত। এর দায়িত্বে আছেন একজন সহকারী কমিশনার। আমরএমপি ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ অফিস কাজীহাটায়। এর দায়িত্বে আছেন একজন সহকারী কমিশনার। পরবর্তীতে এ জনবল ও অফিসের পরিবর্তন আসে। বর্তমান ট্রাফিক অফিস কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার বিপরীতে চণ্ডিপুরে ও ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ লক্ষ্মীপুর ঝাউতলা মোড়ের পূর্ব পাশে। ঐ ভবনে পূর্বে নির্বাচন কমিশনের থানা ও উপ কমিশনারের অফিস ছিল।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে আরএমপির প্রশাসনিক এলাকা ২০৩ বর্গ কিলোমিটার। পুলিশ সদস্য সংখ্যা ২১২১জন। এর মধ্যে ১জন কমিশনার, ১জন অতিরিক্ত কমিশনার, ৫জন উপ কমিশনার, ১৭জন সহকারী কমিশনার। সিভিল কর্মচারীর সংখ্যা ২৯৫ জন। এর মধ্যে রাজশাহী পুলিশ লাইনে অবস্থিত বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে আছে ৭৫জন। এ হাসপাতালে বর্তমানে ১জন সুপারিনটেনডেন্টসহ ৪জন চিকিৎসক আছে। gÄywiপ্রাপ্ত চিকিৎসক পদের  সংখ্যা ৮জন। হাসপাতালে আউট ডোর ও ইনডোর চিকিৎসা প্রদান করা হয়। শয্যা সংখ্যা ১০০টি। আরএমপির ৪টি থানার অধীনে ১২টি পুলিশ ফাঁড়ি আছে।৩২৬ 
আর এমপির ৪টি থানার মোট ফাঁড়ি (TOP) ১২টি। ফাঁড়িগুরো মালোপাড়া, বোসপাড়া, সিরোইল, তালাইমারী, কেশবপুর, উপশহর, মির্জাপুর, কাঁটাখালি, ইউনিভার্সিটি, শিল্প নগরী, বায়া বাজর ও রাজশাহী কলেজ। ফাঁড়িগুলো মহল্লা বা এলাকার নামানুসারে নামকরণ হলেও কোন কোনটি ভিন্ন মহল্লায় অবস্থান করছে। পুলিশ বক্স তিনটি- কাশিয়াডাঙ্গা, লক্ষ্মীপুর ও টার্মিনাল। বক্সগুলো রাজশাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের তৈরি। মেয়র এএইচ খায়রুজ্জামান লিটনের মেয়াদে শহীদ কামারুজ্জামান চত্বরের (গোরহাঙ্গা রেলগেট) উত্তর পাশে একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স ও বিশ্রামাগার নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। দ্বিতল ভবনের নিচতলায় সাধারণ মানুষের বিশ্রামাগার ও উপর তলায় আছে ট্রাফিক পুলিশ বক্স। রাজশাহী কোর্ট আরএমপির প্রোসিকিউশনের দায়িত্বে আছে একজন সহকারী পুলিশ কমিশনার। আরো ৮টি থানা উদ্বোধনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।