ফিরে যেতে চান

পদ্মা গার্ডেন বড়কুঠির পশ্চিম পাশে অবস্থিত। পার্কটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লিটন ২২ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মত প্রকাশ করেন, ১৯০০ সালের ৯০ দশকের মাঝামাঝি পর্যায়ে গার্ডেনটি স্থাপন করা হয়েছিল। 
২০০৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে কয়েক জন স্থানীয় তরুণ পদ্মা গার্ডেন অ্যান্ড ক্রিকেট স্কুল নামে এ বিনোদন স্পটটি গড়ে তোলে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সম্রাট, আকতার, লিটন, লাব্বু, সমাপ্ত, রহমান, সৈয়ব, মিলু। তৎকালীন ৯ নং ওয়ার্ড কমিশনার মো. রেজাউন নবী দুদুর তথ্যানুসারে এ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উদোক্তা ছিলেন সম্রাট। স্থানীয় প্রবীণরাও সহযোগিতায় করেন। তৎকালীন ৯নং ওয়ার্ড কমিশনার মো. রেজাউন নবী দুদু, ১২নং ওয়ার্ড কমিশনার সরিফুল ইসলাম বাবু, ২২নং ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুল হামিদ সরকার টেকন সমন্বিভাবে পার্কটি পরিচালনায় এগিয়ে আসেন। উদ্যোগী তরুণরা এখানে বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগিয়ে মনোরম পরিবেশ তৈরি করেন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এখানে বিদ্যুতের ব্যবস্থা ও সিমেন্টের বেঞ্চ বানিয়ে দিয়েছিল। পর্যায়ক্রমে ঘর, সিমেন্টের ছাতা ইত্যাদি নির্মাণ করা হয়। সে সময় পদ্মা গার্ডেন অ্যান্ড ক্রিকেট স্কুলের সদস্য ছিল ৬৫ জন। সদস্য হতে হলে ১৫০ টাকা মূল্যের ফরম পূরণ করে মাসে ১৫ টাকা চাঁদা দিতে হতো। ক্রিকেট প্রশিক্ষণার্থীদের মাসিক ফি দিতে হতো ৫০ টাকা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে রেস্টুরেন্টের আয়োজন গুরুত্ব পেয়েছে। ১৪ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে দেখা যায় মেইন রোডের সাথে পদ্মা ফুড গার্ডেন নামে একাধিক সাইনবোর্ড।
এ প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের পূর্বে জায়গাটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। জংলায় পরিপূর্ণ ছিল। এ পূর্ব অংশটি ছিল খ্রিস্টানদের পরিত্যক্ত গোরস্থান বা সেমিটারি।
 

পদ্মা গার্ডেন (ছবি- জানুয়ারি ২০১৭)