ফিরে যেতে চান

শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ক বা ভদ্রা পার্ক

শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ক বা ভদ্রা পার্ক 

পারিজাত আবাসিক এলাকার সঙ্গে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ক নামে এক পার্কটি তৈরি করা হয়। পার্কটিকে দুটো অংশে ভাগ করে একটি অংশ ইজারা দেয়া হয়। ইজারা অংশের নাম ইকোপার্ক।৭৪১ ভদ্রা এলাকায় বলে পার্কটি ভদ্রাপার্ক নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।
এ পার্ক রাজশাহী মহানগরীর অন্যতম চিত্তবিনোদন জনপ্রিয় কেন্দ্র। পার্কটি সরকারি অনুদানে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নির্মাণ করে। এর ভূমির পরিমাণ ৭.৬ একর। ব্যয় হয় ২৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা। এর নির্মাণ আরম্ভ হয় ১৯৭৮ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯৫ সালে।২৮ 
খ্যাতনামা জাতীয় চার নেতার একজন শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজ উদ্দিন আহমদ, এএইচএম কামারুজ্জামানের সঙ্গে ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকেও গুলি করে হত্যা করা হয়। নির্বিচারে হত্যার কারণে এ চার নেতার নামের পূর্বে শহীদ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যেই রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পার্কটির নামকরণ করে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ক।