ফিরে যেতে চান

পুরুষেরা বাড়িতে লুঙ্গি, গেঞ্জি, জামা ইত্যাদি পরে। অফিসে বা বাড়ির বাইরের পোশাক শার্ট, প্যান্ট, জুতো, স্যান্ডেল ইত্যাদি। আবার শীতে অনেকে স্যুট, কেউ সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, ইত্যাদি পরিধান করে। অফিসেও এককালে পায়জামা, পাঞ্জাবি চাদরের প্রচলন ছিল। স্বাধীনের পর অফিসে এ সব পোশাকের ব্যবহার কমতে থাকে। এখন নেই বললেই চলে। শ্রমিক ও খুদে ব্যবসায়ীরা ঘরে বাহিরে সব জায়গাতেই শার্ট, লুঙ্গি, গেঞ্জি পরে। শীতকালে এর সঙ্গে চাদর সোয়েটার মাফলার পরে থাকে। তবে সব পেশার মানুষই পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের প্রতি ক্রমশ আকৃষ্ট হচ্ছে। বিশেষ অনুষ্ঠান যেমন ঈদ, মিলাদ মাহফিল, জলসা, শারদীয় দুর্গা উৎসব, রাজনৈতিক মঞ্চ ইত্যাদিতে এখনও পাঞ্জাবি-পাজামার প্রচলন আছে। বেশির ভাগ পুরুষ হাতে ঘড়ি পরে। কাটা ঘড়ির বদলে এখন বিভিন্ন রকমের ইলেকট্রোনিক ঘড়ির প্রচলন গড়ে উঠেছে। মোবাইল ফোন সেটে ঘড়ি সুবিধা থাকায় হাতঘড়ির ব্যবহার একবারে কমে গেছে। 
মেয়েরা সাধারণত শাড়ি, ব্লাউজ, ছায়া, শ্যালোয়ার, কামিজ পরে। বিবাহিত মেয়েদের মধ্যে শাড়ির প্রচলন বেশি। অবিবাহিতা মেয়ে ও ছাত্রীরা সাধারণত শ্যালোয়ার, কামিজ পরে। শীতকালে মেয়েরা চাদর, সোয়েটার, জ্যাকেট পরে। তবে ইদানিং কিছু কিছু উচ্চ শিক্ষিত ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেয়েরা কোট পরে থাকে। পায়ে স্যান্ডেলের ব্যবহার বেশি করে।  তবে শিক্ষিত  মেয়েরা অনেকে জুতো পরে থাকে। মেয়েরা স্বর্ণালংকারে খুব আগ্রহী। তারা গলায় বিভিন্ন ধরনের সোনার মালা, কানে বিভিন্ন ধরনের দুল এবং অনেকে নাকে নাকফুল ব্যবহার করে থাকে। সোনা ছাড়াও অনেকে রূপা ও এমিটেশন ব্যবহার করে।