ফিরে যেতে চান

ভাত পচিয়ে মদ তৈরি হতো শহরের আশে পাশের এলাকায়।  নগরীর আশেপাশে এখনও তালের ও খেজুরের তাড়ি তৈরি হয়। নগরীর আশেপাশে এক সময় সরকার  অনুমোদিত তাড়ির ভাটা ছিল। আনুমানিক ২০০০ সালের দিক থেকে সরকার আর তাড়িভাটার অনুমোদন দেয়না। পূর্বে স্বাভাবিক গাঁজা বিক্রি ও পান হতো। ১৯৮৯ সাল থেকে সরকারের আইন অনুযায়ী গাঁজা উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিক্রয়, পান একেবারেই নিষিদ্ধ। তবে  বিদেশ থেকে পাচার হয়ে আসা গাঁজা, হিরোইন, ফেনসিডিল প্রভৃতি মাদক দ্রব্য যুব সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এখানে এসব মাদক দ্রব্য ধর্মীয়, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ। সরকার অনুমোদিত কেরু এন্ড কোম্পানীর মহানগরীর সাহেব বাজারে ফরেন লিকার (অফ) সপ্ ও নওদাপাড়া বাইপাসের টিকরে দেশি মদের দোকান আছে। দুটি দোকনের ভেন্ডারই সাহেব বাজারের মরহুম ডিকে বসাকের পরিবার । সাহেব বাজারের ভেন্ডার হলেন ডিকে বসাকের  স্ত্রী রমা বসাক, ছেলের স্ত্রী মহুয়া বসাক ও নওদাপাড়ার ভেন্ডার হলেন ছেলে উদয় বসাক। এ দোকান দুটি শুরু করেন গোরহাঙ্গ বিহারী বসাক। পরে মালিক হন তাঁর ছেলে ডিকে বসাক। মদ্যপদের স্থানীয় ডিলারের মাধ্যমে নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। ১৯৫০ সালের মদ্যপান আইনানুযায়ী কোন মুসলমানের মদপানের নিয়ম নেই। তবে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র মোতাবেক মাত্রা অনুসারে মদপান করতে পারে। ভারতে তামাক নিয়ে আসে পর্তুগিজরা। প্রথমে নবাব বাদশাদের মধ্যে তামাক পানের সূচনা হয়। পরে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রসার ঘটে। এভাবে রাজশাহীতেও প্রসার লাভ করে। হুকো আসে মুসলিম শাসকদের কাছ থেকে। বর্তমানে রাজশাহীতে হুকোর ব্যবহার নেই।