ফিরে যেতে চান

রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার (পূর্ব দিক থেকে)

মিয়াপাড়ায় ডিজিএফআই অফিস ভবনের অদূরে এবং পিএন গার্লস হাই স্কুলের পিছনে অবস্থিত দ্বিতল বিশিষ্ট এ গ্রন্থাগারটি রাজশাহী মহানগরীর একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এক সময় সমগ্র বাংলায় এর সুখ্যাতি ছিল। চারিদিকে প্রাচীর বেষ্টিত পূর্বমুখী ও দ্বিতল বিশিষ্ট এ ভবনটি .৪৫ শতাংশ ভূমির উপর নির্মিত। ভবনটি নিচতলা ও দোতালায় দুটি বারান্দাসহ পাঁচটি করে মোট দশটি কক্ষে বিভক্ত। ভবনের সম্মুখে রয়েছে একটি গাড়িবারান্দা। গাড়িবারান্দাটি উত্তর ও দক্ষিণে দুটি অর্ধবৃত্তাকার বৃহৎ খিলানে উন্মুক্ত। বারান্দার সম্মুখে অর্থাৎ পূর্বদিকে স্বল্প আয়তনের তিনটি খিলান বিদ্যমান। এ খিলান তিনটির নিম্নাংশ স্বল্পোচ্চ প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত। গাড়িবারান্দার পরেই রয়েছে এ ভবনের উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত ৫.৮৫X২.৪৫ মি. আয়তন বিশিষ্ট একটি বারান্দা। এ বারান্দায় ওঠার জন্য চার ধাপ বিশিষ্ট একটি সিঁড়িপথ বিদ্যমান। মূলত এ বারান্দার সাথে সংযুক্ত একটি বৃহৎ হলঘরকে কেন্দ্র করে এ ভবনের কক্ষগুলো বিন্যস্ত। পূর্ব-পশ্চিমে আয়তকার ৭.৯৫X৫.৮৩ মি. আয়তন বিশিষ্ট এ হলঘরের উত্তর দিকে পূর্ব-পশ্চিমে আয়তাকার একটি বড় কক্ষ এবং দক্ষিণ দিকে বিভিন্ন আয়তনের তিনটি কক্ষ রয়েছে। অন্যদিকে সম্মুখস্থ বারান্দার উত্তর প্রান্তে একটি সিঁড়িঘর বিদ্যমান। যার মধ্যে একটি সুবৃহৎ কাঠের সিঁড়ি ইমারতের দ্বিতলে ওঠার জন্য সংযোজিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় হলঘরের পূর্ব ও পশ্চিম দেয়ালে দুটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে তিনটি করে উল্লম্ব দরজা রয়েছে। ঠিক একই পরিকল্পনায় ও সমআয়তনে ভবনটির দ্বিতলে কেন্দ্রীয় হলঘরকে কেন্দ্র করে হলঘরসহ পাঁচটি কক্ষ নির্মিত। ইমারতটির উভয় তলার কক্ষসমূহের উপরিস্থিত ছাদ লোহার তীর ও কাঠের বর্গার সমন্বয়ে সমতলাকারে নির্মিত এবং দরজা-জানালাসমূহ খড়খড়ি সংবলিত। দালানটির দ্বিতলের ছাদের উপর সম্মুখভাগে একটি চিলাকোঠা বিদ্যমান। সমগ্র ইমারতটিতে কেবল পলেস্তারার আস্তরণ ব্যতীত অন্যকোন অলংকরণ চোখে পড়ে না। ভবনের নিচতলার কেন্দ্রীয় হলঘরের পশ্চিম দেয়ালে স্থাপিত একটি শিলালিপিতে হলঘরটির নাম ইংরেজিতে গিরিশচন্দ্র হল উৎকীর্ণ রয়েছে। উক্ত শিলালিপিতে উৎকীর্ণ লিপিটি  হলো:  


GIRISH CHANDRA HALL
IN MEMORY OF LATE ROY GIRISH CHANDRA LAHIRI BAHADUR OF KASHIMPUR
(বিস্তারিত শিক্ষা অধ্যায়)