ফিরে যেতে চান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের অভ্যন্তরে পূর্ব পাশে মতিহার কুঠি

রেশম ব্যবসার সুবাদে ফরাসী লুই পেন্ কোম্পানি রামপুর-বোয়ালিয়ার পূর্বদিকে মতিহার ও কাজলায় দুটি রেশম কুঠি স্থাপন করে। সমতল ছাদ ও একতলা বিশিষ্ট এ ইমারতগুলো বিভিন্ন আয়তনের কতকগুলো কক্ষ ও কক্ষের সম্মুখে বারান্দা সমন্বয়ে গঠিত। বারান্দার সম্মুখে স্থাপিত গোলায়িত স্তম্ভের উপর ছাদ নির্মিত হয়েছে। দক্ষিণ ও পূর্বমুখী এ ইমারতটির আয়তন ১৮.২৯মি.X১৫.৬৯ মি. (৭র্০-র্০র্ ৫র্০-র্০র্ )। ইমারতটি ছয়টি কক্ষে বিভক্ত। কক্ষগুলোর সম্মুখে ইমারতের দক্ষিণ ও পূর্বে ৩.৫ মি. (১র্০-র্০র্ ) চওড়া টানা বারান্দা বিদ্যমান। দক্ষিণ বারান্দার সম্মুখে আটটি ও পূর্ব বারান্দার সম্মুখে তিনটি করে এগারটি এবং কোণায় তিনটি স্তম্ভের এক সেট গোলায়িত স্তম্ভের উপর কক্ষসমূহের উপরিস্থিত ছাদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত নিচু করে বারান্দার ছাদ নির্মিত। ইমারতের উপরিভাগ লোহার তীর-বর্গার সমন্বয়ে নির্মিত সমতল ছাদে আচ্ছাদিত। কক্ষসমূহের দরজা-জানালা কাঠের তৈরি ভেনিসীয় খড়খড়ি (Venetian blind) সংবলিত। ইমারতটির কিছু অংশ বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি অফিস ভবন (বি.এন.সি.সি. অফিস) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মূল ইমারতের উত্তর ও পশ্চিমে রান্নাঘর এবং গুদামঘরের মত করা আছে যা গুদামঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।