ফিরে যেতে চান

মোহিনী মোহন স্মৃতি মন্দির, সপুরা

মোহিনী মোহন স্মৃতি মন্দির, সপুরা

আলোচিত মন্দিরগুলো ছাড়াও রাজশাহী শহরের সপুরায় নির্মিত একটি স্মৃতি মন্দির রয়েছে। যার বয়স একশ বছর না হলেও কাছাকাছি পর্যায়ের বলা যায়। সপুরা অন্নদা সুন্দরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চাতে অবস্থিত এ মন্দিরটি ‘মোহিনী মোহন স্মৃতি মন্দির’ নামে পরিচিত। দক্ষিণমুখী এ মন্দিরটি ০.৫০ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট একটি বর্গাকার মঞ্চের উপর স্থাপিত (৬.৬৫X৬.৬৫মি.)। মূল মন্দিরটি বহির্ভাগে পূর্ব-পশ্চিমে ৩.৬০মি. ও উত্তর-দক্ষিণে ৪.২০মি. এবং অভ্যন্তরভাগে উত্তর-দক্ষিণে ৩.০০মি ও পূর্ব-পশ্চিমে ২.৫০মি. আয়তন বিশিষ্ট। গর্ভগৃহের পূর্ব ও পশ্চিম দেয়ালে একটি করে জানালা এবং দক্ষিণ দেয়ালে একটি মাত্র প্রবেশপথ রয়েছে। বর্তমানে জানালা দুটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জানালা ও প্রবেশপথ খাঁজখিলান বিশিষ্ট এবং প্রবেশপথ একটি আয়তাকার কাঠামোর মধ্যে স্থাপিত। মন্দিরটির অভ্যন্তরীণ উপরিভাগ সমতলছাদে আচ্ছাদিত হলেও বহির্ভাগ একটি সুউচ্চ চূড়ায় আবৃত। মন্দিরটির মেঝে মোজাইককৃত এবং দেয়াল পলেস্তারায় আচ্ছাদিত। তবে মন্দিরটির চারকোণা সবুজ রঙের টালি দিয়ে অলংকৃত। এছাড়া মন্দিরটির উপরিস্থিত চুড়ার গাত্র টালির কারুকার্যে সজ্জিত। অলংকৃত কারুকার্যে প্যাঁচানো লতাপাতা ও ফুল ছাড়াও কচ্ছপ, প্রজাপতি, ঘণ্টা, ধুপচি, ঘটি, উড়ন্ত বলাকা ইত্যাদি পরিলক্ষিত হয়। প্রবেশপথের উপরে ‘মোহিনী মোহন স্মৃতি মন্দির’ কথাটি লিখা রয়েছে। রাজশাহী শহরের বিখ্যাত ব্যবসায়ী ও জমিদার মোহিনী মোহনের মরদেহ ভস্মের উপর এ স্মৃতি মন্দিরটি নির্মিত; বিধায় তাঁর সন্তানরা এটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে মন্দিরটিতে কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। ভিতরে কালী মূর্তি বিদ্যমান।