ফিরে যেতে চান

সমতলছাদ বিশিষ্ট জোড়া কালীমন্দির

মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পূর্ব পাশে ও জোড়কালী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের পশ্চাতে এ মন্দিরটি অবস্থিত। এক কক্ষ বিশিষ্ট মন্দিরটির সম্মুখে একটি বারান্দা বিদ্যমান। বারান্দাটির আয়তন উত্তর-দক্ষিণে  ১.৬৬মি. ও পূর্ব-পশ্চিমে ৬.১০মি.। বারান্দার সম্মুখে তিনটি উন্মুক্ত খিলানপথ রয়েছে। কেন্দ্রীয় খিলাপথটির খিলান ত্রিভাঁজীয় এবং পাশের দুটি অর্ধবৃত্তাকারে নির্মিত। বর্তমানে পাশের দুটি পথ গ্রীল দ্বারা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মন্দিরটির গর্ভগৃহের আয়তন আনুমানিক ৬.১০X৩.৪০মি. (তালাবদ্ধ থাকায় সঠিক মাপ নেয়া সম্ভব হয়নি)। গর্ভগৃহের কেন্দ্রস্থলে একটি উঁচু বেদীতে এক সারিতে তিনটি কালী মূর্তি এবং উভয় পাশে দুটি ক্ষুদ্রকার শিবলিঙ্গ বিদ্যমান। কক্ষটির বারান্দামুখী একটি প্রবেশপথ ও প্রবেশপথের উভয়পাশে একটি করে জানালা এবং পূর্ব দেয়ালে একটি প্রবেশপথ রয়েছে। সমগ্র মন্দিরের উপরিভাগ কাঠের তীর-বর্গায় নির্মিত সমতল ছাদে আচ্ছাদিত। মন্দিরটির গর্ভগৃহের বারান্দামুখী বহির্দেয়ালগাত্রে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জানা যায় যে, এটি মৃত মোহিনী মোহন রায় চৌধুরীর পূণ্য স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর পত্নী অন্নদা সুন্দরী এবং তাঁর পুত্রদ্বয় মনীন্দ্র ও মেদিনী মোহন কর্তৃক সংস্কারকৃত হয়। সুতরাং মন্দিরটি বেশ পুরাতন। নির্মাণশৈলী দৃষ্টে এটি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে নির্মিত বলে অনুমিত হয়। মন্দিরটির সম্মুখে লিখা রয়েছে ‘মোহিনী স্মৃতি অর্ঘ্য’। 

জোড়া কালীমন্দির (দক্ষিণ দিক হতে)