ফিরে যেতে চান

রাজশাহীর ঐতিহ্য রেশমের পোশাক। রেশমকে কেন্দ্র করেই রাজশাহী শহরের উন্মেষ ঘটে। আর আধুনিক গার্মেন্ট বা পোশাক তৈরির কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ একবিংশ শতাব্দীর শূন্য দশকের শেষ পর্যায়ে এসে দেখা যায়। এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ২০০৮ সালে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে রাজশাহীতে ঢাকার আদলে গার্মেন্ট কারখানা স্থাপনের ঘোষণা দেন। 
বিজনেস পয়েন্ট-২: সোনাদিঘিমোড়স্থ পুরাতন নগর ভবনে (বর্তমানে নির্মাণাধীন রাজশাহী সিটি সেন্টার) তাঁর উদ্যোগে ‘বিজনেস পয়েন্ট-২’ নামে গার্মেন্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। এ কেন্দ্র ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে। ৫৫০ জন নারী আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা ফি দিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য ভর্তি হয়। মাসখানেক চলার পর বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়।৭০৩

বিসিক শিল্পনগরীতে নির্মাণাধীন সাকোয়া টেক্স ভবন (ছবি- জানুয়ারি ২০১৭)

নর্থ বেঙ্গল নিটিং লিমিটেড: ২০১১ সালের ১০ জানুয়ারি বাঘা-চারঘাট, রাজশাহী আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহরিয়ার আলম (বর্তমান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী)  মহানগরীর বিসিক শিল্প এলাকায় নর্থ বেঙ্গল নিটিং লিমিটেড নামের একটি গার্মেন্টস কারখানা নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, কারখানার মালিক শাহরিয়ার আলমের উপস্থিতিতে ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার স্টিফেন ইভান্স।৫৯১ ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি দেখা যায় কারখানা অবকাঠামোর দেয়ালের উপর লোহার তির-বর্গা সংযুক্ত অবস্থায় পরিত্যক্ত। জানা যায়, এ অবকাঠামোটির ভিত্তি প্রস্তর নির্মাণের আগে তাঁর দক্ষিণ পাশের টিনশেডের ভবনের কারখানায় পোশাক তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। কিছুকাল চলার পর সেটিও বন্ধ হয়ে যায়।
সাকোয়া টেক্স লিমিটেড: বিসিক শিল্প নগরীতে এনা গ্রুপ সাকোয়া টেক্স নামে দেশের উত্তরাঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী গার্মেন্ট কারখানা নির্মাণ করছে। এর অবস্থান সপুরা সিল্ক মিলসের পশ্চিমে রাস্তার উত্তর পাশে। পরিকল্পনা অনুসারে বেইজমেন্টসহ কারখানার অবকাঠামো সাত তলা। আয়তনে ২৭ হাজার বর্গফুট।৫৯২ প্রতি মাসে ১ লাখ ২০ হাজার সোয়েটার তৈরির লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করবে কারখানাটি। পর্যায়ক্রমে ১০ লাখ পর্যন্ত বৃদ্ধির পরিকল্পনা আছে।৫৯৩
নিটল-নিলয় গ্রুপের হিউম্যান হলার: দেশের প্রথম হিউম্যান হলার নির্মাণ শুরু হয়েছে ৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মহানগরীর বিসিক শিল্প নগরীতে। নিটল-নিলয় গ্রুপ হিউম্যান হলারটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।৫৯৩