ফিরে যেতে চান

রাজশাহী কর্পোরেট শাখার মাধ্যমেই ১৯৫৩ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান নামে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড রাজশাহী মহানগরীতে কার্যক্রম শুরু করে।৩৬ সরকার ১৯৭২ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ন্যাশনাল ব্যাংক অব বাওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রীকরণ ও জাতীয়করণ করে নাম দেয় সোনালী ব্যাংক।২ কিন্তু ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের কয়েকটি শাখা রাজশাহীতে থাকলেও ন্যাশনাল ব্যাংক অব বাওয়ালপুর ও প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের কোন শাখা ছিল না।১৩৮ ফলে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের শাখাসমূহ সোনালী ব্যাংকের শাখায় পরিণত হয়। ১৫ নভেম্বর ২০০৮ তারিখে সোনালী ব্যাংক সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে পরিণত হয়।৩২৩
২ জানুয়ারি ২০০৩ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে রাজশাহী বিভাগের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয় ও প্রিন্সিপ্যাল অফিস মহানগরীর লক্ষ্মীপুরে। মহাব্যবস্থাপকের প্রশাসনিক এলাকা রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলা। প্রিন্সিপ্যাল অফিসের প্রধান হলেন উপমহাব্যবস্থাপক। লক্ষ্মীপুরে এ ব্যাংকের একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আছে। ১৯৮০ সালে ইনস্টিটিউটটি স্থাপন হয়। মাঝখানে ৪ বছর বন্ধ ছিল। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী চালু আছে। এখানে কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। রাজশাহী মহানগরীতে এ ব্যাংকের ৮টি শাখা আছে।৩৬ 
   শাখা                                                                     স্থাপনের তারিখ
1.    রাজশাহী কর্পোরেট শাখা                                       - ১৮.১২.১৯৫৩ 
2.    রাজশাহী কোর্ট বিল্ডিং শাখা                                   - ৩০.১০.১৯৬৩
3.    মতিহার শাখা                                                        - ১৬.১২.১৯৬৭
4.    গ্রেটার রোড শাখা                                                  - ২৯.১১.১৯৭৩
5.    রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল শাখা         - ১৯.১২.১৯৭৫
6.    রাজশাহী সেনা নিবাস শাখা
   (পূর্বে সপুরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট শাখা)                         -  ২৮.১২.১৯৭৭
7.    রাণীবাজার শাখা (বিলুপ্ত)                                         - ৮.১১.১৯৮০
8.    রাজশাহী রেলওয়ে কমপ্লেক্স শাখা                            - ২৭.৩.১৯৮৮
9.    কাশিয়াডাঙ্গা শাখা                                                   - ১৮.৮.২০০৮
কাশিয়াডাঙ্গা শাখাটির প্রথম ম্যানেজার মো. ফিরোজুল ইসলাম। শাখাটি ১১.১১.১৯৯১ তারিখে কসবা টেংরামারী শাখা নামে চালু হয়েছিল। সেখান থেকে কাশিয়াডাঙ্গায় স্থানান্তরিত হয়।৭০৮
রাজশাহী মহানগরীতে এ ব্যাংকের রাণীবাজার শাখা ছিল। সেটি বিলুপ্ত হয়ে কর্পোরেট শাখার সঙ্গে সংযুক্ত হয়। কর্পোরেট শাখাটি বর্তমানে আলুপট্টির দৈনিক বার্তা ভবনে স্থানান্তরিত হয়েছে। কর্পোরেট শাখাটি পূর্বে সাহেব বাজার বড় মসজিদের পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে বড় কুঠি রাস্তার পশ্চিম পাশে কবি রজনীকান্ত সেনের বাড়িতে ছিল। ঐ বাড়িটি এখন ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এ বাড়িটি নিয়ে জনৈক সিরাজুলের সঙ্গে সোনালী ব্যাংক লি.এর মামলা চলছে। সাহেব বাজার বড় মসজিদের পিছনের রাস্তার পাশেই অবস্থিত কর্পোরেট শাখার ১তলা ভবনটি পূর্বে বিখ্যাত কবি, গীতিকার ও গায়ক রজনীকান্ত সেনের বাড়ি ছিল।৩২৩ ১৯২৮ সালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজশাহীতে পি মুসলিম ক্লাব প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এসে অড়্গয় কুমার মৈত্রের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে রজনীকান্ত সেনের  এ পরিত্যক্ত বাড়ি দেখতে আসেন।৩২৩
এ ব্যাংক সব ধরনের ব্যাংকিং কাজ দ্রুত সম্পাদনের জন্য সহযোগিতা প্রদান, জনসাধারণের সঞ্চয় সচেতনতার বিভিন্ন প্রকল্প/কমসূচি প্রণয়ন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন প্রদান, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রদান, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক কর্মচারীর পেনসন প্রদান, দুস্থ, বিধবা স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাদের ভাতা প্রদান, বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ, জাতীয় স্বার্থে বিভিন্ন সংস্থার লটারির টিকিট বিক্রয়, জাতীয় স্বার্থে সরকারি কার্যক্রম সম্পাদন, হজ্জ/জাকাতের অর্থ গ্রহণসহ প্রভৃতি ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
এ ব্যাংকের কর্পোরেট শাখার মাধ্যমে ২০ এপ্রিল ২০০৩ তারিখ থেকে রাজশাহীতে প্রথম রেডিক্যাশ কার্যক্রম চালু হয়েছে।৪০