ফিরে যেতে চান

রাজশাহী মহানগরীর সর্ব প্রথম লিফ্ট সিস্টেম আধুনিক বাজার ইনডেক্স প্লাজা। ১০ মে ২০০৫ তারিখে এ বাজারের মার্কেটিং এক্‌জিকিউটিভ রেজার নিকট থেকে জানা যায় ৩০ জুন ২০০১ তারিখে ইনডেক্স প্লাজা নির্মাণের জন্য ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। বাংলা ১৪১২ সালের ১ বৈশাখ বর্ষবরণের দিন অনুসারে ১৪ এপ্রিল ২০০৫ তারিখে উদ্বোধনের মাধ্যমে ইনডেক্স প্লাজার যাত্রা শুরু হয়। উদ্বোধন করেন রাজশাহীর মেয়র ও সংসদ সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিনু।১৬১ বাজারটি শ্রীরামপুরস্থ রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার পূর্ব পাশের রাজশাহী সিটি চার্চের বিপরীতে রাজশাহী-চাঁপাই  নবাবগঞ্জ সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত। পূর্বে বুড়ি পুকুর নামে এখানে একটি পুকুর ছিল। এ পুকুরের উপরই এখন ইনডেক্স প্লাজা।

ইনডেক্স প্লাজা (ছবি- ২০১১) 

বেজমেন্টসহ ইনডেক্স প্লাজা আটতলা বিশিষ্ট ভবন। ভবনের এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোরে যাওয়ার জন্য একটি চলন্ত সিঁড়ি বা এসকেলেটর, একটি ক্যাপসুল লিফ্ট ও একটি প্যাসেঞ্জার লিফট্ আছে। ইনডেক্স প্লাজাতেই রাজশাহী মহানগরীর সর্বপ্রথম এসকেলেটর ও ক্যাপসুল লিফট স্থাপন হয়। সূচনাই বেজমেন্টসহ কয়েকটি ফ্লোর ছাড়া বাজারটি চালু হলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতি ক্রমশ শোচনীয় হতে থাকে। এর আট হাজার বর্গফুটের বেজমেন্ট ফ্লোরের চার হাজার বর্গফুটের একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হওয়ার কথা ছিল। পরিকল্পনা অনুসারে এ স্টোরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দ্রব্যাদি পাওয়ার কথা ছিল। বাকি চার হাজার বর্গ ফুটে গাড়ি পার্কিং হবার পরিকল্পনা ছিল। শুরুতে প্লাজার বিপরীতে রাস্তার পাশেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা ছিল। ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৫ তারিখে জানা যায়, বেজমেন্ট ছাড়া ৭টি তলার চতুর্থ তলার দোকানের সংখ্যা ৫০টি এবং অবশিষ্ট ৬টি তলার প্রতিটিতে ৪৪টি করে দোকান আছে। ১ম তলায় ১২টি, ২য় তলায় ১০টি এবং ৩য় তলায় মাত্র ৩টি মোট ২৫টি দোকান চালু হয়। তবে ব্যবসা ভালো না হওয়ার কারণে বাজারটিতে ক্রমশ মন্দাভাব তৈরি হতে থাকে। ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ বিকেলে দেখা যায়, শুধুমাত্র ১ম তলার ১০৯/১১০ নম্বরে একটি ঘড়ির দোকান ও উত্তর পাশের একটি গার্মেন্টেসের দোকান চালু আছে। এছাড়া উপরের একটি ফ্লোরে একটি মোবাইল ফোন কোম্পানির একটি টেকনিক্যাল বিষয়ক অফিস চালু আছে।