ফিরে যেতে চান

সাহেব বাজার উন্নতির পশ্চাতে যে ব্যক্তির অবদান অনস্বীকার্য তিনি মেদিনীপুর জমিদারি কোম্পানির রামপুর- বোয়ালিয়াস্থ ম্যানেজার মি. অস্টিন। হাল আমলের রাজশাহী মহানগরী আর সে আমলের সাহেব বাজারের তফাৎ অনেক। এ আধুনিক নগরীর বাজার ব্যবস্থায় নতুন নতুন উপকরণ যোগ করে স্বকৃতিত্ব স্থাপন করেছেন এহসানুল হুদা  দুলু নামক এক ব্যবসায়ী। তিনিই প্রথম চাইনিজ রেস্তরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার প্রভৃতি স্থাপন করেন। সম্প্রতি অনেকটা মিনিমল আকৃতির নানকিং বাজার তৈরি করে অত্যাধুনিক বাজারের প্রবর্তন করেছেন। রুচিশীল এ শপিং সেন্টারটি শুধু সৌন্দর্যের দিক দিয়েই নয়, বিভিন্ন মান সম্পন্ন দ্রব্য সামগ্রী সরবরাহের জন্যও ক্রমশ সুনাম অর্জন করছে। 

নানকিং বাজার (ছবি- ২০১৬)

এ বাজারে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আছে। বারকোড সিস্টেমে নির্ধারিত দ্রব্যাদির মূল্য কম্পিউটারের বিলিং সিস্টেমে নেয়া হয়। বিভিন্ন রকমের মালামাল ভিন্ন ভিন্ন সেলফে সাজানো থাকে। যেমন- গ্রোসারী সেলফ, সবজি সেলফ, বেকারী সেলফ, কসমেটিক সেলফ, কার্ড সেলফ, কুকারিজ সেলফ। বাছা অবস্থায় ফ্রিজিং সিস্টেমে সামুদ্রিক ও মিঠা পানির মাছ, মাংস ও দুধ বিক্রি হয়। ২০০১ সালে ১৪ এপ্রিল বা ১৪০৮ সালের ১ বৈশাখ বিলসিমলা গ্রেটার রোডে নানকিং বাজার চালু হয়। এর দেড় বছর পর মনি বাজারে স্থানান্তরিত হয়। বাজারটি প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
গ্রেটার রোডে নানকিং বাজার স্থাপনের পূর্বে ২০০০ সালের আগে মনি বাজারে নানাকিং শপিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছিল। গ্রেটার রোডের নানকিং বাজার বিলুপ্তির পর এ নানকিং শপিং সেন্টারকেই নানকিং বাজারে উন্নীত করা হয়।২৭৭