ফিরে যেতে চান

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর আঞ্চলিক অফিস সাহেব বাজারের হাজরা ভিলায় অবস্থিত। ২০০২ সালে বগুড়ার শাখা অফিসটি উঠে যাবার কারণে বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার এটাই রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর একমাত্র অফিস।৩৭৪
উত্তরাঞ্চলে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রানীবাজারের সুফিয়া হাউসে ১৯৭০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর  এ ব্যুরো রপ্তানি উন্নয়ন সংস্থা নামে সাব-রিজিয়নাল অফিস হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৭৭ সালে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো অর্ডিন্যান্স XLVII এর মাধ্যমে আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় পরিণত হয়। ১৯৭৭ সালের ১০ অক্টোবর তার সরকারি গেজেট প্রকাশ হয়। তখন এ কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক, স্টেনো টাইপিস্ট, উচ্চমান করণিক, পিওন, নৈশ প্রহরী প্রতি পদে ১ জন কেও জনবলের ব্যবস্থা ছিল। ১৯৮২ সালে এনাম কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অফিসটিকে আঞ্চলিক অফিসে উন্নীত করা হয় এবং ১ জন পরিচালক, ১ জন সহকারী পরিচালক, ১ জন উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক, ২ জন নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রক্ষরিক, ২ জন এমএলএসএস ও ১ জন নৈশ প্রহরী পদ বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০১৬ সালের ১০ মার্চের তথ্যানুসারে ১ জন পরিচালক, ১ জন সহকারী পরিচালকসহ মঞ্জুরিকৃত পদের সংখ্যা ১৩ জন। তবে কর্মরত আছেন ৬ জন। 
১৯৮৭ সালের ১ আগস্ট এ অফিসটি সুফিয়া হাউস থেকে বড়কুঠিপাড়ায়, ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি সেখান থেকে সাহেব বাজারে কো-অপারেটিভ ম্যানসনে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে বর্তমান স্থানে আসে।
কার্যক্রম: এ অফিস থেকে রপ্তানি বাণিজ্যে আগ্রহী ব্যবসায়ীদের রপ্তানি বাণিজ্য সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হয়। দিশি পণ্যের বিভিন্ন দেশে চাহিদা সংশ্লিষ্ট তথ্য ও আমদানিকারকদের ঠিকানা সরবরাহ করা হয়। জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করে ও রপ্তানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে আগ্রহী ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। প্রকৃত রপ্তানিকারকদের রপ্তানি ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এ ব্যুরোর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণের বিবরণসহ বার্ষিক মেলা ক্যালেন্ডার শিল্প ও বণিক সমিতি এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিতরণ করে। রপ্তানি বাণিজ্যে এগিয়ে আসার জন্য ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করে। এছাড়াও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।