ফিরে যেতে চান

রাজশাহী টেক্সটাইল মিলস এর প্রধান গেট ও তার পিলারের শিলা বিন্যাস(ছবি- জানুয়ারি ২০১৭)

মহানগরীর নওদাপাড়াই বিমান বন্দর সড়ক সংলগ্ন পূর্ব পাশে রাজশাহী টেক্সটাইল মিলস এর অবস্থান। এর দূরত্ব রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাঁচ কিলোমিটার উত্তরে। দেশের উত্তরাঞ্চলের তাঁতীদের সুতার চাহিদা মিটানো ও কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে মিলটি স্থাপনের জন্য  প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটি অনুমোদন লাভের পর ১৯৭৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি শিল্প মন্ত্রী এএইচএম কামারুজ্জামান এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৭৯ সালের ১৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১২৫২৮ টাকু চালুর মাধ্যমে মিলটি উদ্বোধন করেন। ১৯৭৯ সালের ৪ জুলাই দ্বিতীয় বারে ১২৫২৮ টাকু চালু করা হয়। ফলে মিলসের টাকু স্থাপন হয় ২৫০৫৬টি। মিলসে স্থাপিত যন্ত্রপাতি ভারতীয়। স্থায়ী সম্পদ অরিজিনাল কষ্ট অনুযায়ী ১৬কোটি ৪২লাখ ৯৮হাজার ৯১৯ টাকা এবং অবচয়অন্তে বুকভেলু (WDV) ২কোটি ৩৬লাখ ২৪হাজার ৯৮৯টাকা। ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে এর বার্ষিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭.৪৩ লক্ষ কেজি ২য়’স গড়)। মিলসের জমির পরিমাণ ২৬.৫৩ একর।
লোকসানের কারণে মিল কয়েকবার বন্ধ হয়ে যায়। এখন কোন রকম চালু রাখা হয়েছে। সরকার ঘোষিত স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির আওতায় স্থায়ী জনবল বিদায়ের মাধ্যমে ২০০৩ সালের ৩০ জুন মিল বন্ধ করে দেয়া হয়। সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে দৈনিক ভিত্তিক শ্রমিক দ্বারা সার্ভিস চার্জ পদ্ধতিতে ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে পুনরায় চালু করা হয়। কিন্তু ২০০৮ সালের ২৮ নভেম্বর আবারো বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৯ সালের ১৬ জুলাই একই প্রক্রিয়ায় পুনরায় চালু করা হয়।
মিলের প্রধান হলেন মহা ব্যবস্থাপক। বর্তমানে আছেন উপ মহাব্যবস্থাপক। জনবল প্রায় ২২৫ জন। সরকারি কর্মচারী ১১জন ব্যতীত অন্যান্যরা দৈনিক মজুরিভিত্তিক। ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে উৎপাদিত সুতার পরিমাণ ২লাখ ৩৩হাজার কেজি। ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে লড়্গ্য মাত্রা ৪ লাখ ৭৪ হাজার কেজি।৪৬৪ (পূর্বের প্রকাশনায় মিল স্থাপনে সাল ১৯৭৮ উল্লেখ আছে)
ট্রেডিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ(টিসিবি): মিল চত্বরের পশ্চিম পাশের একটি ভবনে ২০১০ সাল ভাড়াই ট্রেডিং কর্পোরেশন বাংলাদেশের আঞ্চলিক অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে।৪৬৪