ফিরে যেতে চান

বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট

বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের এলাকাতেই অবস্থিত। ভবনের খোদিত ফলকে এর উদ্বোধনের তারিখ ১৯৬২ সালের ৩ জানুয়ারি। পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর লেফটেনেন্ট জেনারেল আজম খান উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং তার চত্বরে খড়ের পলুঘর

এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজগুলো হলো তুঁত গাছের বিভিন্ন জাত, তুঁত রেশম পোকার জার্মপস্নাজম, রেশম কীট জাত ও পি৩ লট রক্ষণাবেক্ষণ, পি২ ডিম উৎপাদন, উচ্চ ফলনশীল তুঁতজাত ও রেশমকীট জাত উদ্ভাবন, তুঁতচাষ ও পশু পালন কলাকৌশল উদ্ভাবন, তুঁতগাছ ও রেশম কীটের রোগ ও কীট শত্রু দমন, রিলিং ও স্পিনিং প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তিনটি নিয়মিত ও আটটি অনিয়মিত কোর্সের প্রশিক্ষণ প্রদান।১৯ বাংলাদেশ রেশম বোর্ড আইন ২০১৩ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড,  বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।৪৪৪
২০০৫ সালের নভেম্বরে এ ইন্সটিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট সুপদ কুমার পালের নিকট থেকে জানা যায়, ২০০৩ সালে ২৫ নম্বর আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। ০৯/০৭/২০০৩ তারিখ থেকে আইনটি কার্যকর হয়। তার পূর্বে এ ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হতো।
এটি বাংলাদেশের একমাত্র রেশম বিষয়ক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের প্রতিষ্ঠান। এর ৫টি গবেষণা শাখা ও ১টি প্রশিক্ষণ শাখা আছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় ১টি আঞ্চলিক রেশম গবেষণা কেন্দ্র এবং পঞ্চগড় জেলার সাকোয়ায় ১টি জার্ম প্লাজম মেনটেনেন্স সেন্টার রয়েছে। এ ইনস্টিটিউট ৮৫টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ৬০৮ জনকে দীর্ঘ মেয়াদী ও ৫০৮৩ জনকে স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে।৪৪৫