ফিরে যেতে চান

বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড

কেন্দ্রীয় টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ভবন, মালোপাড়া, রাজশাহী

ব্রিটিশ আমলেই রাজশাহী মহানগরীতে পয়েন্ট টু পয়েন্ট টেলি সার্ভিস চালু হয়। তবে ১৯৪৮ সালে মহানগরীর রাণী বাজারে ৫০ লাইনের ম্যাগনেটো বোর্ড দ্বারা টেলিফোন সার্ভিস চালু হয়। তখনএ বোর্ডের নাম ছিল পোস্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফস বিভাগ। বাংলাদেশ ডাক বিভাগও এ বোর্ডের সংযুক্ত ছিল। ১৯৫২ সালে রাজশাহী মহানগরীতে এ বোর্ড সিবি টেলিফোন সেবা আরম্ভ করে। ১৯৬৪ সালের ২৭ জুন হতে ৮০০ লাইনের এফ-১ সিসটেম (এনালগ অটোমেটিক সুইচিং সিসটেম) সেবা আরম্ভ করে। ১৯৯২ সালের ২ অক্টোবর হতে এখানে ২৫০০ লাইনের ইএমডি (এনালগ অটোমেটিক সুইচিং সিস্টেম) সেবা চালু হয়। ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হতে মহানগরীতে ১০৩০০ লাইনের ডিজিটাল সিসটেম সেবা আরম্ভ হয়। ২০০১ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস। ৩০ ডিসেম্বও ২০০২ তারিখের বাংলাদেশ তার ও টিলিফোন বোর্ড বিভাগীয় প্রকৌশলী টেলিকম, রাজশাহীর প্রতিবেদন অনুসারে রাজশাহী মহানগরীতে টেলিফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১০৩০০। ১৭ আগস্ট ২০১৫ তারিখের তথ্যানুসারে রাজশাহী মহানগরীতে টেলিফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১২৫৪৫।৫৪৪
রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার সদর ও থানাসমূহের টেলিফোন সিস্টেম বিভাগীয় প্রকৌশলী টেলিকম, রাজশাহী কার্যালয়ের আওতায়। এ কার্যালয়টি মহানগরীর বাটার মোড়ের পশ্চিম পাশে রাণী বাজারে অবস্থিত। এছাড়া এ মহানগরীতে টেলিফোন রাজস্ব বিভাগ ও সুপার (তার) এর কার্যালয় আছে। এ কার্যালয়টি অলকার মোড় রাণী বাজারে অবস্থিত। এখান থেকে টেলিগ্রাম সেবা প্রদান করা হয়। তথ্য প্রযুক্তি উন্নতির ফলে বর্তমানে টেলিগ্রামের কার্যক্রম খুবই সীমিত। ব্যক্তিগত কাজে টেলিগ্রামের ব্যবহার নাই বললেই চলে। তবে সরকারি নোটিশ, কর্মচারিদের ছুটি ইত্যাদির জন্য মাসে দু একটি টেলিগ্রাম হয়। ফলে এ অফিস বিল আদান-প্রদানের কাজে সংযুক্ত হয়েছে। এ অফিসের প্রদান হলেন সুপারিনটেনডেন্ট।৫৪৫
২০০২ সালের ১ মে রাজশাহী মহানগরীতে রাজশাহী টেলিযোগযোগ অঞ্চল নামে একটি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন হয়েছে। বৃহত্তর রাজশাহী ও বৃহত্তর পাবনা জেলার সমগ্র ফোন সিস্টেম এর আওতাধীণ।৬৬ এ অফিসটি শালবাগানে অবস্থিত। অফিসের প্রধান হলেন জেনারেল ম্যানেজার।৫৪৪ কেন্দ্রীয় টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ভবনটি মহানগরীর মালোপাড়ায় অবস্থিত।