ফিরে যেতে চান

শিরোইল বাস টার্মিনাল নির্মাণের পূর্বে মহানগরীর সাহেব বাজার, কুমারপাড়া ও বড়কুঠিতে বাস স্ট্যান্ড ছিল। সাহেব বাজারে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী, কুমারপাড়ায় ঢাকা ও অন্যান্য জেলার এবং বড় কুঠিতে পাবনাগামী বাসের স্ট্যান্ড ছিল। শিরোইলে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের পাশে টার্মিনাল নির্মাণের পর সব স্ট্যান্ডই উঠে যায়। তবে কুমারপাড়ার ঢাকাগামী বাস স্ট্যান্ড টার্মিনালের পাশে স্থানান্তর হয় বেশ কিছু দিন পর। 
শহীদ কামারুজ্জামান বাস টার্মিনাল, শিরোইল: টার্মিনালটি নির্মাণের জন্য রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ১৯৮২ সালে কার্যক্রম আরম্ভ করে এবং ১৯৯০ সালে শেষ করে। সরকারি অনুদানে ৪.১১ একর জমির উপর দোতলা ভবন বিশিষ্ট টার্মিনালটির নির্মাণ ব্যয় হয় ১কোটি ৬২ লাখ টাকা।২৮

শহীদ কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, শিরোইল

ট্রাক টার্মিনাল, নওদাপাড়া: সরকারি অনুদানের ভিত্তিতে ট্রাক টার্মিনালটি নির্মাণের জন্য রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ১৯৯৪ সালে কার্যক্রম আরম্ভ ও ১৯৯৮ সালে শেষ করে। ৫ একর জমির উপর নির্মিত এ টার্মিনালের নির্মাণ ব্যয় হয় ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।২৮ 
আন্তুঃজেলা বাস টার্মিনাল, নওদাপাড়া: আরডিএ এর ২০ অক্টোবর ২০০২ তারিখের প্রতিবেদন অনুসারে সুদমুক্ত সরকারি ঋণে এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে কার্যক্রম আরম্ভ করে। ৭.৪১ একর জমির উপর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৭ কোটি ৫১ হাজার টাকা।২৮
বিআরটিসি বাস স্ট্যান্ড: মহানগরীর আলুপট্টিতে অবস্থিত।
এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত ও অঘোষিতভাবে বিভিন্ন মোটর যানের স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। যেমন সাগরপাড়া, শালবাগান, দড়িখরবোনা, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে কার-মাইক্রো স্ট্যান্ড। রেলগেট, পিএন স্কুল, হড়গ্রাম বাজার অক্ট্রয় মোড়ে অটোরিক্সা, রাজশাহী কোর্টে টেম্পু/বেবি/মিশুক স্ট্যান্ড।