ফিরে যেতে চান

রিক্সা ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা

ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা

রাজশাহী পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মাদার বখশের আমলে ১৯৫১ সালে রাজশাহী শহরে রিক্সা চালু হয়। রিক্সা চালুর বিরুদ্ধে টমটমওয়ালারা আন্দোলন করেছিল। হারতালসহ তাঁরা বিভিন্ন ধরণের কর্মসূচি পালন করে। মাদার বখশ সকল বিরোধের অবসান ঘটাতে সক্ষম হন।৫৪০ বাষট্টি বছর পর রিক্সার প্যাডেলের সঙ্গে ইঞ্জিনের সংযোগ ঘটে। তেল ছাড়াই ব্যাটারির দ্বারা এ ইঞ্জিন সক্রিয়। ফলে মানুষের শারীরিক শক্তি দ্বারা মানুষের বোঝা টানার অমানবিক আদিম পদ্ধতির পরিবর্তন এসেছে। পুরনো পদ্ধতি এখনও আছে। সেগুলোর পরিসংখ্যান দিন দিন কমে আসছে। নতুন প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট এ রিক্সার নাম ব্যাটারী চালিত রিক্সা (২ আসন)। অনেকে চার্জার রিক্সাও বলে থাকেন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন প্রদত্ত লাইসেন্স অনুযায়ী রাজশাহী মহানগরীর সর্ব প্রথম ব্যাটারী চালিত রিক্সার মালিক মো. আবু তাহের। তাঁর পিতা মরহুম কোবাদ আলী। মো. আবু তাহের মহানগরীর বাসিন্দা নন। তাঁর ঠিকানা- সাং সুরসুনিপাড়া, পো. হাট গোদাগাড়ী, থানা- পবা, জেলা রাজশাহী। তাঁর রিক্সার লাইসেন্স নং রাসিক ঘ-০১। ২০১৩ সালের ২৩ জুন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উপ যানবাহন শাখা লাইসেন্সটি ইস্যু করে।৫৪১ ব্যাটারী চালিত রিক্সার সোয়া তিন বছর পূর্বে রাজশাহী মহানগরীতে অটোরিক্সা চালু হয়। অটোরিক্সাও ব্যাটারী চালিত। আকৃতি তেল দ্বারা চালিত বেবি বা সিএনজির মতো। পিছনের আসনে মুখোমুখি চারজন এবং সামনে চালকের দুপাশে দুজন মোট ছয় জন যাত্রী বসতে পারে অটোরিক্সায়। বায়ু দূষণ মুক্ত ও অল্প ভাড়ায় চলা যায় বলে অটোরিক্সা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে মহানগরীর যানজট সৃষ্টিতে অটো রিক্সার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ২০১০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সর্ব প্রথম অটোরিক্সার লাইসেন্স ইস্যু করে। লাইসেন্স নং রাসিক খ-০১। লাইসেন্স হোল্ডার মির্জা শামসুদ্দীন মো. আলমগীর, পিতা মরহুম আ. রশিদ মৃধা, সাং দরগাপাড়া, পো. জিপিও, থানা বোয়ালিয়া, জেলা-রাজশাহী।৫৪১
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ব্যাটারিচালিত মোটর  সাইকেলের লাইসেন্সও দিয়ে থাকে।