ফিরে যেতে চান

ঋতু বদলের কারণে বন্যার মত রাজশাহীতে প্রায় ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে। ঘূর্ণিঝড়ে গাছ-পালা, বাড়ি-ঘর বিশেষ করে কাঁচা বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয় বেশি। ১৯৬৯ সালের ১৭ এপ্রিল রাজশাহীতে যে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল তাতে মারাত্মক ক্ষতি হয়। এ ঘূর্র্ণিঝড় প্রায় ২৭ জন প্রাণ হারিয়েছিল এবং প্রায় ১৫০ জন আহত হয়েছিল। শতকরা ৫০ ভাগ কাঁচা ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে পড়েছিল। নগরীর উপকণ্ঠে পবা থানার সোনাইকান্দী গ্রামের বেশ ক্ষতি সাধন হয়েছিল। বর্তমান নাটোর জেলার সদর থানা, সিংড়া, গুরুদাসপুরেও যথেষ্ট ক্ষতির শিকার হয়েছিল।১১৭ প্রায় প্রতি বছর কাল বৈশাখী ঝড়ে মহানগরীর গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে। ২০১৬ সালের ১ মে বিলসিমলায় বন্ধগেটের পশ্চিম পাশে গ্রেটার রোডে ২টা ও রেলওয়ের পাশে ১টা গাছ ভেঙ্গে পড়ে। গ্রেটার রোডের ভেঙ্গে পড়া গাছ ২টার মধ্যে ১টা ছিল রাস্তা ডিভাইডার আইল্যান্ডের উপর ও অপরটি ছিল রাস্তার দক্ষিণ পাশে। আইল্যান্ডেরটি গোড়া ভেঙ্গে ডালপালা পড়েছিল রাস্তার উত্তর পাশের হালিমা ফার্নিচার নামের ১টা দোকানের উপর। রাস্তার দক্ষিণ পাশেরটি ডালপালা ভেঙ্গে পড়েছিল ১টা জিপের উপর। এর ফলে দোকানঘর ও জিপের ক্ষতি সাধন হয়।৭৭৬

ঝড়ে বিধ্বস্ত রাজশাহী মহানগীরর একটি টিনশেড প্রতিষ্ঠান