ফিরে যেতে চান

বংলাদেশ গার্ল গাইডস এসাসিয়েশন

বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশন ভবনের প্রধান গেট, বিলসিমলা

২০১৫ সালের ৮ মে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশনের ওয়েব সাইটের তথ্যানুসারে ১৯২৮ সালে বাংলাদেশের বর্তমান এলাকায় গার্ল গাইডিং শুরু হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গার্ল গাইডস এসোসিয়েশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখা স্থাপন হয়। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যান্ড গার্ল স্কাউটসের ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে। বাংলাদেশ সরকারের ১৯৭৩ সালের ৩১ নং আইন বলে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশন নামকরণ হয়।৩৫৮-পৃ.১
১২.৩.২০০৩ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে ১৯৪৮ সালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস রাজশাহীতে কার্যক্রম আরম্ভ করে। রাজশাহী অঞ্চলের সচিব মমতাজ জাহান বেগম ২০১৫ সালের ২৯ মার্চে মন্তব্য করেন, ১৯৬৭ সালে রাজশাহী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হেলেনাবাদের সহকারী শিক্ষক থাকাকালীন তিনি গার্ল গাইডের প্রশিক্ষণ নেন। ট্রেনার ছিলেন ঢাকার নূরুন নাহার তালুকদার। তখন গার্ল গাইড এর অফিস ছিল মিয়াপাড়ার বর্তমান হোমিওপ্যাথি কলেজে। মমতাজ ২০০০ সালে পিএন গার্লস স্কুল থেকে হেড মিসট্রেস হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। বর্তমানে এর আঞ্চলিক অফিস শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশে নতুন বিলসিমলাই। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে এ অফিসের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০০০ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এসোসিয়েশনের অফিস ছিল সাহেব বাজারের পূর্ব পাশে কুমারপাড়ার ৫১৭ নং বাড়িতে। ২০০০ সালের ৩১ অক্টোবর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশে নতুন বিলসিমলায় নিজস্ব ভবনে চলে আসে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোডর্, রাজশাহীর চেয়ারম্যান প্রফেসর নূরুল আলম উদ্বোধন করেন। ভবনের ভিত্তি প্রস্তরে উল্লেখ আছে রাজশাহী গাইড হাউজ। ১৯৯১ সালের ১১ ডিসেম্বর উম্মে আয়েশা খাতুন এর ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেন। কুমারপাড়ার ভবনটি এখন বরেন্দ্র কারিগরি মহিলা উচ্চ বিদ্যালয়। বর্তমানে বিলসিমলার অফিস চত্বরের আয়তন ২ একরের বেশি। 
১২ মার্চ ২০০৩ তারিখের প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, রাজশাহী বিভাগের ১৬টি জেলার গার্ল গাইডস রাজশাহী অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। রাজশাহী অঞ্চল এসোসিয়েশন ৮ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির দ্বারা পরিচালিত হয়। নির্বাহী কমিটির প্রধান হলেন আঞ্চলিক কমিশনার। একজন অতিরিক্ত আঞ্চলিক কমিশনারও আছেন। রাজশাহী অঞ্চল গাইডসের দাপ্তরিক কাজ বাস্তবায়নের জন্য আছেন মোট ১০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী। দপ্তরের প্রধান হলেন ট্রেনার।
কুমারপাড়ার অফিসটি বর্তমানে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশনের জেলা ও স্থানীয় এসোসিয়েশনের কার্যালয় ও সেলাই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। আঞ্চলিক অফিস এসোসিয়েশন গণশিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।