ফিরে যেতে চান

রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামের ভিআইপি গেটের নিচতলায় রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অফিস অবস্থিত। পূর্বে ছিল স্টেডিয়ামের পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে ২য় তলায়। প্রথমে এটা বিভাগীয় ক্রীড়া সমিতি নামে আত্ম প্রকাশ করে। জন্মের কয়েক বছর পর অর্থাৎ গত শতাব্দীর আশির দশকের প্রথম দিকেই বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা নাম ধারণ করে। বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা/বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা সমিতির ইতিহাস সম্পর্কে অত্র সংস্থার পুরোনো নথি সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে নভেম্বর মাসে সরকার দেশে ৪টি বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৯৭৭ সালের ২৭ মার্চ বিভাগীয় ক্রীড়া সমিতি এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারকে চেয়ারম্যান করে একটি এডহক কমিটি গঠন হয়। কমিটির সাধারণ সম্পাদক হন ক্রীড়াবিদ জাফর ইমাম। কার্য নির্বাহী কমিটি গঠনের পূর্ব পর্যন্ত এডহক কমিটি বিভাগীয় ক্রীড়া সমিতি বা সংস্থা পরিচালনা করতো। ১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ প্রথম এর ৩৬ সদস্য বিশিষ্ট কার্য নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জাফর ইমামই সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পদাধিকার বলে বিভাগীয় কমিশনারই কার্য নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান।
জেলা স্টেডিয়ামের নিচতলায় দুটি রুম ভাড়া নিয়ে ১৯৭৭ সালের ২৭ মার্চ অফিসের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বিভাগীয় স্টেডিয়ামের মধ্যাংশ নির্মাণ হলে ১৯৮৯ সালে সেখানে স্থানান্তর হয় এবং প্যাভিলিয়নের দোতলার কাজ শেষে অফিসটি সেখানে স্থানান্তর হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে জানা যায়, অফিসের স্টাফ ৬ জন।৩৫০  মির্জা মো. মনোয়ার হোসেন সংস্থার শুরুতে দাপ্তরিক কাজে নিযুক্ত ছিলেন। তাঁর বাড়ি কাদিরগঞ্জ। তিনি দেশ স্বাধীনের পূর্বে নৌ- বাহিনীর পেটি অফিসার ছিলেন এবং পদত্যাগ করেন।
১০ ডিসেম্বর ২০০৩ তারিখে জানা যায়, সংস্থা সরকারি অনুদানে অফিসিয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২০০২-২০০৩ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পাওয়া গিয়েছিল ২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা এবং ২০০৩-২০০৪ অর্থ বছরে পাওয়া গিয়েছিল ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। প্রতি বছরই সরকার অনুদান কোয়ার্টারলি কিস্তিতে প্রদান করতো।