ফিরে যেতে চান

বর্তমানে রাজশাহীতে দেশীয় খেলার প্রচলন নেই বললেই চলে। কিছুকাল পূর্বেও অর্থাৎ বিংশ শতাব্দীর আশির দশকেও রাজশাহী মহানগরীর কোথাও কোথাও হা-ডু-ডু খেলার প্রতিযোগিতার আয়োজন হতো। এখন আর কোথাও হা-ডু-ডু খেলা হয় না। অনুরূপ কাবাডি খেলা এর ঐতিহ্য বহন করছে। কাবাডি খেলায় বাংলাদেশের টিম এখনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অর্থাৎ সাফ (SAAF) গেমসে অংশগ্রহণ করে থাকে। রাজশাহীতে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে কাবাডি খেলার আয়োজন করতে দেখা যায়। এ ছাড়া রাজশাহী মহানগরীতে বদন, ডাংগুলি, লাঠিখেলা, নৌকা বাইচ, খাটিগুড্ডু, কানামাছি, নোনতা, এক্কা-দোক্কা, লুকোচুরি, কুমির কুমির, প্রভৃতি খেলা কয়েক বছর আগেও চালু ছিল। মনে হচ্ছে শতাব্দী পরিবর্তনের সাথে সাথে দেশীয় সংস্কৃতির এ অংশটা জাদুঘরে আশ্রয় নিয়েছে। তবে শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক প্রতিযোগিতায় লাফ, দৌড়, মোরগ লড়াই, বিস্কুট দৌড়, সুই-সুতা, দড়ি খেলা, রাশি টানাটানি, হাড়িভাঙ্গা প্রভৃতি খেলার প্রচলন আছে। 
বর্তমানে এখানে ক্রিকেট খেলার প্রভাব সর্বাধিক। এরপর, ফুটবল, ব্যাটমিন্টন, টেনিস, সাঁতার, ভলিবল, হকি প্রভৃতি খেলা হয়। ঘরোয়া খেলার মধ্যে দাবা, ক্যারাম, লুডু, তাস উল্লেখযোগ্য। পাশ্চাত্য খেলার প্রভাব বিস্তারে বিভিন্ন ক্লাবের অবদান অনস্বীকার্য।