ফিরে যেতে চান

রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ

রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ অফিস, গণকপাড়া

রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা নেতা মো. জামাত খান। বিশ শতকের নব্বই দশকে বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি অফিস রাজশাহী মহানগরী থেকে স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে জামাত খানের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল আমরা রাজশাহীবাসী নামে সামাজিক সংগঠন। এর স্লোগান ছিল ‘বন্ধ কর রাজশাহীর প্রতি অবহেলা’। তখন এ সংগঠনের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০০০ সালের ২৯ এপ্রিল সংগঠনটির একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি, সমাজ কল্যাণ কর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমন্বয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ এবং মো. জামাত খানকে আহ্বায়ক করে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। পরিষদ গঠনে অবদান রেখেছিলেন ভাষা সৈনিক মোশাররফ হোসেন আখুঞ্জি, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. চৌধুরী সারওয়ার জাহান সজল, প্রফেসর আব্দুস সাত্তার সাব্বির তাপু, প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক আকবারুল হাসান মিল্লাত, এনজিও কর্মী প্রশান্ত সাহা, ঔষধ ব্যবসায়ী হারুন-অর-রশিদ, অ্যাডভোকেট হামিদুল হক, এনজিও কর্মী দেবাশিষ প্রামাণিক দেবু, হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল হাসান মুঞ্জিল, ব্যবসায়ী এম. শরীফ, সমাজ কল্যাণ কর্মী মঞ্জুর হাসান মিঠু, মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুর রহমান খাঁন, ডা. আব্দুল মান্নান, প্রকৌশলী ওমর ফারুক, ১৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ, নারী নেত্রী কল্পনা রায়, সুফিয়া হাসান, শারমিন সুলতানা প্রমুখ। সাংবাদিক আকবারুল হাসান মিল্লাত সম্পাদিত রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে প্রকাশিত রাজশাহী উন্নয়ন: চাই সমন্বিত নাগরিক উদ্যোগ শীর্ষক সংলাপ শিরোনামের ম্যাগাজিনে পরিষদের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ৬৫ জন ও আহবায়ক কমিটির সদস্য ১৯০ জন। পরবর্তীতে পরিষদের নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। যার সভাপতি নির্বাচিত হন দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক মো. লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মো. জামাত খান। বর্তমানে সাহেব বাজার গণকপাড়ায় পরিষদের অফিস আছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে পরিষদ পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ, গঙ্গা ব্যারেজ বাস্তবায়ন, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধ সংস্কার, কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপন, আইটি ভিলেজ স্থাপন, রাজশাহী রেশম কারখানাসহ বিভিন্ন ধরনের বন্ধ কারখানা চালুকরণ, বিভিন্ন সরকারি অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয় স্থানান্তর না হওয়া, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন, ভূ-উপরস্থ পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহ, ক্রিকেটের টেস্ট ভেন্যু স্থাপন, রাজশাহী-আব্দুলপুর ডুয়েল গেজ রেলওয়ে স্থাপনসহ চট্টগ্রামের সঙে সরাসরি ট্রেন চলাচল প্রভৃতির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে থাকে।৭২৮