ফিরে যেতে চান

সিভিল সার্জন-এর অফিস ও তার ইপিআই কেন্দ্র, হেতমখাঁ, রাজশাহী

সিভিল সার্জন রাজশাহী জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান। ১৮৮৮ সালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের মধ্যে সিভিল সার্জনের অফিস স্থাপন হয়েছিল। তখন তিনি ছিলেন সিভিল সার্জন কাম সুপারিনটেনডেন্ট।৭১০ পরবর্তীতে সিভিল সার্জনের কাজ বেড়ে যাওয়ায় কারাগারের জন্য ১ জন তত্ত্ববধায়ক নিয়োগ করা হয়। ব্রিটিশ শাসন অবসানের পর সার্জন ও জেল সুপারিনটেনডেন্ট এর অফিস পৃথক হয়ে যায়।৭১০ ২৭ নভেম্বর ২০০২ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে দেশ স্বাধীনের পর পরই সিভিল সার্জনের অফিস সদর হাসপাতালে স্থানান্তর হয়। ১৯৯৫ সালের ৩ নভেম্বর সদর হাসপাতালের পূর্ব পাশ সংলগ্ন এক সময়ের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের শহীদ আলমগীর ছাত্রাবাসে স্থানান্তরিত হয় এবং বর্তমানে সেখানেই আছে।
সিভিল সার্জন অফিসের কার্যক্রম রাজশাহী জেলার ৯টি উপজেলারই সমগ্র ইউনিয়নের ওয়ার্ড স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর আওতায় ৯টি উপজেলায় ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আছে। এছাড়াও গোদাগাড়ীতে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ১টি হাসপাতাল আছে। রাজশাহী মহানগরীর হোসেনীগঞ্জের বক্ষব্যাধি ক্লিনিক বা যক্ষা ক্লিনিক, টিবি হাসপাতালের পাশে কুষ্ঠ রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, রাজশাহী কলেজের বিপরীত পাশে ১টি বিদ্যালয় স্বাস্থ্য কেন্দ্র সিভিল সার্জনের আওতাধীন। রাজশাহী পুলিশ লাইনের পুলিশ হাসপাতালও সিভিল সার্জন অফিসের চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত হতো। বর্তমানে পুলিশের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
 সিভিল সার্জন অফিসের রানীনগর, সিরোইল ও পবা নামের ৩টি ডিসপেনসারী ছিল। রানীনগর ডিসপেনসারিটি বর্তমান রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের রাজশাহী সিটি হাসপাতাল। এর স্টাফ সিরোইল ও পবা-১ ডিসপেনসারিতে সংযুক্ত হয়েছে। ডিসপেনসারি ৩টি এক সময় জেলা পরিষদের আওতায় ছিল। ১৯৭৭ সালে সিভিল সার্জনকে হস্তান্তর করা হয়। সিভিল সার্জনের প্রধান স্টোর রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উত্তর পাশে পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে ও ইপিআই স্টোরটি হেতমখাঁয় অবস্থিত।৩১০