ফিরে যেতে চান

১৯৫২ সালে রাজশাহীতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর একটি বিভাগীয় অফিস স্থাপন করা হয়। এর প্রশাসনিক এলাকা ছিল খুলনা, বাখরাগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পাবনা, রংপুর ও বগুড়া জেলা। ১৯৫৮ সালে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা নিয়ে এর প্রশাসনিক বিভাগ পুনর্গঠিত হয়।২ ২০০২ সালের নভেম্বর মাসে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা নিয়ে এর প্রশাসনিক এলাকা গঠিত। ২০১০ সালের ৩০ জুন বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলা রংপুর সার্কেল থেকে রাজশাহী সার্কেলে সম্পৃক্ত হয়। ফলে রাজশাহী সার্কেলের প্রশাসনিক এরিয়া দাঁড়ায় রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলা। সার্কেল অফিসের প্রধান হলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং জেলা অফিসের প্রধান হলেন নির্বাহী প্রকৌশলী।৪১৯

 

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ভবন (দক্ষিণমুখী)

পল্লী এলাকায় সুপেয় পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা এ বিভাগের কাজ। এ লক্ষ্যে নলকূপ, তারাপাম্প, অগভীর নলকূপ, স্যানিটারি ল্যাট্রিনের যাবতীয় সামগ্রী নির্মাণ ও থানা প্রশাসনের মাধ্যমে স্বল্প মূল্যে জনগণের মাঝে বিক্রয় করে থাকে।
রাজশাহী মহানগরীর সুপেয় পানি সরবরাহে এ বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহানগরীর পাইপ লাইনগুলো এ বিভাগের মাধ্যমে বসানো হয়েছে। ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এ বিভাগের আওতাধীন রাজশাহী ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট নির্মাণ করেছে। ২০১৩ সালের ৩০জুন প্রকল্পের কাজ শেষ হয় এবং পরবর্তীতে রাজশাহী ওয়াসাকে হস্তান্তর করা হয়।৪১৯
এছাড়াও আর্সেনিক সমস্যা সমাধানের জন্য এ বিভাগ পৃথক প্রকল্প গঠন করে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এর সার্কেল অফিস শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার বিপরীতে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত।
এ ভবনেই রাজশাহীর সার্কেল অফিস, জেলা অফিস ও আঞ্চলিক গবেষণাগার অবস্থিত। আঞ্চলিক গবেষণাগারের প্রধান হলেন সিনিয়র কেমিস্ট। গবেষণাগারটি বগুড়া ও জয়পুরহাট ব্যতীত সার্কেলের ৬টি জেলার পানি পরীক্ষা করে থাকে।৪১৯