ফিরে যেতে চান

ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড এলাইড সায়েন্সেস

পরমাণু চিকিৎসা ও আল্ট্রাসাউন্ড কেন্দ্র রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র নামে ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে। এর কয়েকবার নাম পরিবর্তন হয়। ২০১৩ সালে নামে আবারো পরিবর্তন আসে। পরিবর্তিত নাম ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড এলাইড সায়েন্সেস। এর প্রথম পরিচালক ছিলেন ডা. মো. কমর উদ্দিন প্রামানিক। পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র, রাজশাহী প্রকাশিত বুকলিটে স্বাধীনতার পূর্বে এর স্থাপনের কথা উল্লেখ আছে। ১৮ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে প্রতিষ্ঠানটির জনবল ছিল ৩৮ জন। এর মধ্যে চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল ১২ জন। প্রতিষ্ঠানটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের অধীনস্থ।
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে পরিচালকের অধীনে এখানে ৩ জন ঊর্ধ্বতন চিকিৎসা কর্মকর্তা, ২জন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ১ জন মেডিক্যাল অফিসার, ১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১জন হিসাব কর্মকর্তা, অন্যান্য কর্মচারী ২৫ জন ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক ৯ জন শ্রমিক কাজ করছেন।৩৬৫
এখানে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, গবেষণা ও উন্নয়ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম হয়ে থাকে। ব্রেন স্ক্যান, থাইরয়েড স্ক্যান, থাইরয়েড আপটেক, বোন স্ক্যান, যকৃত প্লীহা স্ক্যান, হাইডা স্ক্যান, ডিটিপিএ রনোগ্রাম, প্রোব রনোগ্রাম, রেনাল স্ক্যান, ক্যাপটোপ্রিল রনোগ্রাম, ভেসিকো- ইউরোটেরিক রিফ্লাক্স, ফুফুসের স্ক্যান, নিউক্লিয়ার কার্ডিওলজি, রেডিওইমিনোঅ্যাসে, আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রভৃতির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা করা হয়।৭২
সরকারের নির্ধারিত মূল্যে রোগীরা এখানে সেবা পেয়ে থাকেন। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে এখানে ১৮৪০৫ জন ও ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ২১৩০৫ জন রোগী সেবা পেয়েছেন। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে আয় হয় ৮৭.৫ লাখ টাকা ও ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ১১৩.৬৮ লাখ টাকা।৩৬৫
পরমাণু চিকিৎসা ও আল্ট্রাসাউন্ড কেন্দ্র রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র নামে ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে। এর কয়েকবার নাম পরিবর্তন হয়। ২০১৩ সালে নামে আবারো পরিবর্তন আসে। পরিবর্তিত নাম ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড এলাইড সায়েন্সেস। এর প্রথম পরিচালক ছিলেন ডা. মো. কমর উদ্দিন প্রামানিক। পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র, রাজশাহী প্রকাশিত বুকলিটে স্বাধীনতার পূর্বে এর স্থাপনের কথা উল্লেখ আছে। ১৮ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে প্রতিষ্ঠানটির জনবল ছিল ৩৮ জন। এর মধ্যে চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল ১২ জন। প্রতিষ্ঠানটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের অধীনস্থ।
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে পরিচালকের অধীনে এখানে ৩ জন ঊর্ধ্বতন চিকিৎসা কর্মকর্তা, ২জন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ১ জন মেডিক্যাল অফিসার, ১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১জন হিসাব কর্মকর্তা, অন্যান্য কর্মচারী ২৫ জন ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক ৯ জন শ্রমিক কাজ করছেন।৩৬৫
এখানে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, গবেষণা ও উন্নয়ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম হয়ে থাকে। ব্রেন স্ক্যান, থাইরয়েড স্ক্যান, থাইরয়েড আপটেক, বোন স্ক্যান, যকৃত প্লীহা স্ক্যান, হাইডা স্ক্যান, ডিটিপিএ রনোগ্রাম, প্রোব রনোগ্রাম, রেনাল স্ক্যান, ক্যাপটোপ্রিল রনোগ্রাম, ভেসিকো- ইউরোটেরিক রিফ্লাক্স, ফুফুসের স্ক্যান, নিউক্লিয়ার কার্ডিওলজি, রেডিওইমিনোঅ্যাসে, আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রভৃতির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা করা হয়।৭২
সরকারের নির্ধারিত মূল্যে রোগীরা এখানে সেবা পেয়ে থাকেন। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে এখানে ১৮৪০৫ জন ও ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ২১৩০৫ জন রোগী সেবা পেয়েছেন। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে আয় হয় ৮৭.৫ লাখ টাকা ও ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ১১৩.৬৮ লাখ টাকা।৩৬৫