ফিরে যেতে চান

(রাজশাহী সিটি  কর্পোরেশনের ওয়ার্ড পরিসংখ্যান ২০১১ অনুযায়ী)

২নং ওয়ার্ড
০১. হড়গ্রাম পূর্বপাড়া টুলটুলিপাড়া লাইনের ধার, বাড়ি ৫০, পরিবার ৫৭, জনসংখ্যা ১৫৯
০২. হড়গ্রাম নতুনপাড়া লাইনের ধার, বাড়ি ২৫০, পরিবার ২৮০, জনসংখ্যা ৯২০
০৩. হড়গ্রাম আশ্রয়ন প্রকল্প, বাড়ি ২০০, পরিবার ২০০, জনসংখ্যা ৯৮৫
৪ নং ওয়ার্ড
০১. বুলনপুর নতুনপাড়া, জনসংখ্যা ৫৩৫
০২. নবাবগঞ্জ ঘোষপাড়া, জনসংখ্যা ৩২০
০৩. বুলনপুর পিয়নপাড়া, জনসংখ্যা ১১০
৫ নং ওয়ার্ড
০১. মহিষবাথান উত্তরপাড়া রেলবস্তি- ১৯৮০, বাড়ি ৫৩টি, পরিবার ৬২টি, জনসংখ্যা ৬৫৩ জন।

৬ নং ওয়ার্ড
০১. লক্ষীপুর ভাটাপাড়া আপেল ডেকোরেটর রেলধার হইতে বাইপাস রেলধার পর্যন্ত, ১০০টি, পরিবার ৩০ টি, জনসংখ্যা ৩০০ জন। মন্তব্য ২০১১ সালে বস্তি উচ্ছেদের পর।
৭ নং ওয়ার্ড
০১. শ্রীরামপুর বস্তি, বাড়ি ৩০০, পরিবার ৪২৩, জনসংখ্যা:২৭০০
৮ নং ওয়ার্ড
০১. কাজিহাটা ডিগ্রী কলেজ পশ্চিম প্রাচীর সংলগ্ন (১৯৭৫),  বাড়ি ১৫টি, পরিবার ২০টি, জনসংখ্যা ৮২ জন
১১ নং ওয়ার্ড
০১. হেতম খাঁ হরিজন পল্লী (বৃটিশ), পরিবার সংখ্যা  ২২৫,  জনসংখ্যা  ১৩৪২
১২ নং ওয়ার্ড
০১. বড়কুঠিপাড়া ১৯৪৭ উৎপত্তিকাল,  বাড়ি: ২২৯টি, পরিবার ১৯০টি, জনসংখ্যা ৭১০
১৪ নং ওয়ার্ড
০১. উপশহর নিউমার্কেট, বাড়ি  ২১টি, পরিবার ৭০টি, ৩৬০ জন
০২. পুকুর পাড় বস্তি উপশহর ৩নং সেক্টর, বাড়ি ১০টি, পরিবার ১৫টি, ৬০জন প্রায়
১৫ নং ওয়ার্ড
০১. বাড়ি ৬, পরিবার ৬, জনসংখ্যা ১৮
১৭ নং ওয়ার্ড
০১. বড়বনগ্রাম রায়পাড়া বড়পুকুর বস্তি , বাড়ি ১৭০ টি।
০২. পাবনাপাড়া বস্তি, বাড়ি ৩৫ টি।
০৩. দবিরের বস্তি, বাড়ি ৬০ টি।
২০ নং ওয়ার্ড
০১.  রেলওয়ে স্কুল সংলগ্ন ফুটপাত-১৯৯৪, বাড়ি ২ ,  পরিবার ২, জনসংখ্যা:৯ জন
২২ নং ওয়ার্ড
০১. কুমারপাড়া, বাড়ি ৩৫, পরিবার ৩৫, জনসংখ্যা ১৭৫
২৩ নং ওয়ার্ড
০১. সেখেরচক (পঞ্চবটি) হতে মহলদারপাড়া পর্যন্ত, পরিবার ৭০৯টি, জনসংখ্যা ৩২৪৭ জন।
২৫ নং ওয়ার্ড
০১. রানীনগর, ২০০৩, মোঃ তরিকুল আলম পল্টু, বাড়ি ৪২টি, পরিবার ৪২টি, জনসংখ্যা ১৭১ জন
২৭ নং ওয়ার্ড
০১. রেল বস্তি, উপর ভদ্রা, কাজলা, বাড়ি ৯৮টি, পরিবার ১১৮ টি।
০২. সাঈদ এর বস্তি, উপর ভদ্রা, কাজলা, বাড়ি ২০ টি, পরিবার ২২ টি।
২৮ নং ওয়ার্ড
০১. তালাইমারী পূর্বাংশ বাদুড়তলা, বাড়ি ১২০ টি, পরিবার ২৬০, জনসংখ্যা ৮০০
০২. তালাইমারী পূর্বাংশ বাধের ধার, বাড়ি ১০০ টি, পরিবার ১৯০, জনসংখ্যা ৪৫০
০৩. ধরমপুর রেডিও সেন্টার বস্তি, বাড়ি ২০ টি, পরিবার ২৮, জনসংখ্যা ১০০
২৯ নং ওয়ার্ড
০১. ডাঁশমারী ইয়াদুল্লা পীরের খানকাহ শরীফ, ডাশমারী, রাজশাহী
০২. শাহজামাল খানকাহ শরীফ
৩০ নং ওয়ার্ড
০১. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে বস্তি, বাড়ি ৪০ 
০২. নতুন বুধপাড়া লাইন বস্তি, বাড়ি ৫০
০৩. মির্জাপুর বস্তি মেন রাস্তা, বাড়ি ২৫ 
০৪. চৌদ্দপাই প্রাচীরধার বস্তি ড্রেনের উপুরে, বাড়ি ৭ 
০৫. মোহনপুর ধান গবেষণার প্রাচীর ধার বস্তি, বাড়ি ৮
রাজশাহী মহানগরীর প্রায় সব এলাকাতেই দরিদ্র ভূমিহীন মানুষের জরাজীর্ণ আবাসন দেখা যায়। তাঁরা বিভিন্ন সরকারি সংস্থার পরিত্যক্ত জমি যেমন সড়ক, রেলপথ, বাধ, নদী তীর প্রভৃতি জায়গায় টিনশেড, খড় বা আধা পাকা ঘর নির্মাণ করে জীবনযাপন করছেন। কোথাও পলিথিনের ছাউনিও চোখে পড়ে। এ সব জনবসতিকেই পরিসংখ্যানের আওতায় আনা হয়েছে। তবে তথ্যদাতাদের প্রতিবেদনে সব এলাকা উঠে আসেনি। যেমন ১নং ওয়ার্ডে এ ধরনের আবাসন থাকা সত্ত্বেও পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। 
ভদ্রা বসতি: নওদাপাড়া থেকে পদ্মা আবাসিক রোডের ধারে ভদ্রা এলাকায় ভদ্রা পার্কের (শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ক) পশ্চিম পাশ ঘেঁষে পলিথিন ছাউনির আবাসন আছে। যা উপরোক্ত পরিসংখ্যানে আসেনি। এ বসতির নাম ভদ্রা বসতি। ২০১১ সালের ১৯ মে দৈনিক সোনালী সংবাদে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে বসতির বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছর। ২০০ টি ঘরে প্রায় ৭০০ জন মানুষ বসবাস করেন। ভোটার সংখ্যা ২৮০। পানির কল মাত্র ১টি। কোন শৌচাগার নেই। বয়স্করা বয়স্ক ভাতা পান না।৭৭০