ফিরে যেতে চান

রেডিও পদ্মা বাংলাদেশের সর্ব প্রথম কমিউনিটি বেতার কেন্দ্র। রাজশাহী মহানগরীর ২৫ নং ওয়ার্ডের মোন্নাফের মোড়ের ৪তলা বিশিষ্ট তাসিব প্যালেসে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বাড়িটির হোল্ডিং নং-৪১৮/১। স্টুডিওসহ সম্প্রচারের যাবতীয় কাজ সম্পাদন হয় এ বাড়ির ২য় তলায়। নিচতলায় আছে প্রধান সমন্বয়কারীর অফিস ও রিসেপশন।

রেডিও পদ্মা স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে সেন্টার ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিসিডি) নামের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণভিত্তিক একটি বেসরকারি সংস্থা। ২০১১ সালের ৭ অক্টোবর তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এর সম্প্রচার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তথ্য মন্ত্রণালয় প্রদত্ত এর লাইসেন্স নং- ০১, তারিখ: ২৯/৯/২০১১। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক প্রদত্ত ফ্রিকোয়েন্সি ৯৯.২০ এফএম (২০০ মেগাহার্জ)। সকাল ৭ টা থেকে রাত ৩ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে অনুষ্ঠান সম্প্রচার হয়ে থাকে। কাভারেজ এলাকা রাজশাহী জেলা। তবে নওগাঁ জেলার মান্দা থানা ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার কিছু অংশ থেকেও অনুষ্ঠান শোনা যায়। রেডিও পদ্মা সংবাদ, শিক্ষা, তথ্য ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে থাকে। সেবা ও পণ্যের বিজ্ঞাপনও প্রচার হয়। ২২ জুলাই ২০১৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছে ৫৫ জন কর্মী। তাঁদের মধ্যে প্রধান সমন্বয়কারী জিএম মুরতুজা, স্টেশন ম্যানেজার শাহানা পারভীন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খাতুন, চীফ প্রডিউসার সোহান রেজা, প্রডিউসার প্রেজেন্টার ওয়ালিউর রহমান বাবু, নিউজ এডিটর সুমন হাসান, ব্রডকাস্ট ম্যানেজার রুবেল মাহবুব, চীফ প্রডিউসার লাবনী বৃষ্টি।
রেডিও পদ্মা ৭ দস্যের একটি ম্যানেজমেন্ট কমিটি দ্বার পরিচালিত। শুরু থেকেই এ কমিটির অধ্যাপক মশিউর রহমান ও সদস্য সচিব প্রধান সমন্বয়কারী জিএম মুরতুজা। মূলত রেডিও পদ্মা স্থাপনের উদ্যোক্তা, প্রতিষ্ঠাতা ও নিয়ন্ত্রক জিএম মুরতুজা।৬৮৯