ফিরে যেতে চান

এ ক্লাবের প্রথম অফিস মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার পশ্চিমে রাস্তার দক্ষিণ পাশে একটি পুরনো বাড়িতে শুরু হয়েছিল। বর্তমানে সোনাদিঘির মোড়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মার্কেটের দোতলাই। পূর্বে এখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাজশাহী মহানগরী শাখার অফিস ছিল। সৎ সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার নিয়ে ক্লাবটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি। এদিন সাংবাদিক হাসান মিল্লাতের সভাপতিত্বে এখানে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হাসান মিল্লাতকে আহবায়ক করে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়। এর এক বছর পর ২৪ জানুয়ারি ২০০০ তারিখে এক সাধারণ সভায় ডা. দায়েম উদ্দিনকে সভাপতি ও হাসান মিল্লাতকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন মো. লিয়াকত আলী (দৈনিক সোনালী সংবাদ) ও শফিকুল ইসলাম (আজকের কাগজ), যুগ্ম সম্পাদক আনু মোস্তফা (প্রথম আলো), অর্থ সম্পাদক আব্দুল জাবীদ অপু (দৈনিক সোনালী সংবাদ), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাসিবুল আলম প্রধান (আজকের কাগজ), সদস্য এমএ মোহাইমেন (বাসস), অধ্যাপক মলয় ভৌমিক (সংবাদ), বুলবুল চৌধুরী (মুক্তকণ্ঠ), আনিসুজ্জামান (দৈনিক জনকণ্ঠ), সেলিম জাহাঙ্গীর (দৈনিক সোনালী সংবাদ) ও মোহাম্মদ আব্বাস (সাপ্তাহিক ধরণী)। ৭ জুন ২০০২ তারিখের সাধারণ সভায় পরবর্তী কমিটি গঠিত হয়। এর সভাপতি নির্বাচিত হন ডা. দায়েম উদ্দীন (বিটিভি) ও সাধারণ সম্পাদক হন আকবারুল হাসান মিল্লাত (দৈনিক সোনালী সংবাদ, বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক সোনার দেশ)। ৩১ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখের সাধারণ সভায় ৩য় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন ডা. দায়েম উদ্দীন (দি নিউ নেশন) ও সাধারণ সম্পাদক হন আনিসুজ্জামান (দৈনিক জনকণ্ঠ)। পর্যায়ক্রমে সভাপতি হন বুলবুল চৌধুরী (যুগান্তর), মাহাতাব উদ্দিন (দৈনিক লাল গোলাপ), ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর নির্বাচনে মমিনুল ইসলাম বাবু (দৈনিক সোনালী সংবাদ, ২০১৪-২০১৬)। পর্যায়ক্রমিক সাধারণ সম্পাদক হন আনিসুজ্জামান, আনোয়ারুল আলম হিমু, ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর নির্বাচনে মো. আজিজুল ইসলাম (বিটিভি ২০১৪-২০১৬)।৪৭৬ 
ক্লাবটির লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে একত্রিত করে সুষ্ঠু সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন । এজন্য যে কোন সামাজিক অনাচার, অনিয়ম, সাংবাদিক হত্যা প্রভৃতি অসামাজিক ও অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে এ ক্লাব রাজপথের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।২০৮ এ ক্লাব প্রগতিশীল চিন্তাকে ধারণ করে দুস্থ মানুষকে আর্থিক সহযোগিতাও করে থাকে। সাংবাদিকতা পেশার গুরুত্ব ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিন প্রেস ক্লাবকে একত্রীকরণের বিষয়ে এর ভূমিকা ছিল অগ্রণী, নিঃশর্ত ও আন্তরিকতাপূর্ণ।
প্রেসক্লাবকে সার্বজনীন ও সকলের অভিগম্যতার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এখানে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের বিশেষ আসন নেই। সবাই সমানভাবে ওঠাবসা করেন।
এ ক্লাব গঠনে মূল ভূমিকায় ছিলেন অধ্যাপক মলয় ভৌমিক, বুলবুল চৌধুরী (দৈনিক মুক্তকণ্ঠ), প্রবীণ সাংবাদিক এমএ মোহাইমেন (বাসস), আকবারুল হাসান মিল্লাত (দৈনিক সোনালী সংবাদ, বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক সোনার দেশ), মো. লিয়াকত আলী (সম্পাদক, দৈনিক সোনালী সংবাদ), শফিকুল ইসলাম (আজকের কাগজ), ডা. দায়েম উদ্দিন (বিটিভি), মাহাতাব উদ্দিন (সম্পাদক, সাপ্তাহিক গণখবর), আনু মোস্তফা (ভোরের কাগজ), আব্দুল জাবিদ অপু (দৈনিক সোনালী সংবাদ), সেলিম জাহাঙ্গীর (দৈনিক সোনালী সংবাদ)।২০৮