ফিরে যেতে চান

বয়সের দিক থেকে রাজশাহী সিটি প্রেস ক্লাব রাজশাহী মহানগরীর দ্বিতীয় সাংবাদিক সংগঠন। ক্লাবটি স্থাপনে প্রাথমিক ভূমিকা পালন করনে মো. রেজাউল করিম রাজু, সরদার আবদুর রহমান, আবুল হোসেন মালেক, মোহাম্মদ জুলফিকার, রোকনুজ্জামান প্রমুখ। স্থায়ী অফিস স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সাইফুল ইসলাম মাখন।৩৫৬ এর প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট তারিখ পাওয়া মুশকিল। ১৯৯৫ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত কাজী রওশন আলী সম্পাদিত বিভাগ গাইড, রাজশাহী ১ম খণ্ডের ৭৭ পৃষ্ঠায় এর প্রতিষ্ঠা সাল ১৯৮৯ থাকলেও নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। রাজশাহী সিটি প্রেস ক্লাব অর্পণ অভিষেক ২০০৫-এ ৪৩ পৃষ্ঠায় সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের আত্মপ্রকাশকাল ১৯৮৯ সালের অক্টোবরের কথা উল্লেখ করেছেন। সোনাদিঘিস্থ এ ক্লাব অফিসের একটি বোর্ডে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামের তালিকায় ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৮৯ সাল উল্লেখ আছে এবং প্রথম সভাপতি (মনোনীত) আবুল হোসেন মালেকের মেয়াদ ১ আগস্ট ১৯৮৯ থেকে ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯১ ও প্রথম সাধারণ সম্পাদকের মেয়াদ ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ থেকে ৩০ এপ্রিল ১৯৯২ উল্লেখ আছে। প্রথম সাধারণ সম্পাদকের মেয়াদকাল অনুসারে এর প্রতিষ্ঠার তারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ হওয়ার কথা। তবে ৭ নভেম্বর ২০০৫ তারিখে সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সবুরের নিকট থেকে জানা যায়, নগরীর শিরোইলে অবস্থিত কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দোতালায় তৎকালীন সোনার দেশ (সাপ্তাহিক) অফিসে এক সন্ধ্যায় রাজশাহী সিটি প্রেস ক্লাবের প্রথম ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আবুল হোসেন মালেক, সদস্য সচিব ছিলেন দৈনিক ইনকিলাবের রাজশাহী প্রতিনিধি রেজাউল করিম রাজু, সদস্য ছিলেন সরদার আব্দুর রহমান, আব্দুস সবুর, সোনা চৌধুরী, নাজিব ওয়াদুদ, রোকনুজ্জামান, মো. জুলফিকার প্রমুখ। ১২ নভেম্বর ২০০৫ তারিখে সরদার আব্দুর রহমান আব্দুস সবুরের মতকে সমর্থন করে বলেন, কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের প্রায় দু’মাস পূর্বে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছিল। সুতরাং প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদকের মেয়াদ ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ থেকে ৩০ এপ্রিল ১৯৯২ হলে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালের নভেম্বরের শুরুতে। তাহলে এর প্রকৃত প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৮৮ সালের নভেম্বরে। আব্দুস সবুরের তথ্য মোতাবেক, আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছিল এবং ক্লাবের কার্যক্রম সোনার দেশ অফিসেই চলত। কিছুদিন পর নগরীর মালোপাড়ায় কাদের ম্যানসনে অফিস স্থানান্তরিত হয়। ১৯৯২ সালে সেখান থেকে সোনাদীঘি বিপনী মার্কেটের দোতলায় স্থানান্তরিত হয় এবং ভাড়া দিতে হতো মাসে ৮০০ টাকা। বর্তমানের সোনাদীঘি মোড়ের অফিসটি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নিকট থেকে ১৯৯৫ সালে বরাদ্দ পায় এবং ঐ সালেই বিপনী মার্কেটের দোতলা থেকে স্থানান্তরিত হয়। এখানে সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম মাখন (১৯৫৭-১৯৯৬) এর নেতৃত্বে সংগৃহীত ১টি টেবিল ও কয়েকটি চেয়ার নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় বর্তমানে একটি সমৃদ্ধশালী প্রেস ক্লাব হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। মেয়র মো. মিজানুর রহমান মিনুর সহযোগিতায় সিটি প্রেস ক্লাব অফিসের রুম বরাদ্দ পায়। এছাড়া তিনি এ ক্লাবকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম৫৭৩


সভাপতি 
১.    আবুল হোসেন মালেক (মনোনীত) ১.৮.১৯৮৯ - ৩০.১২.১৯৯১
২.    নাজিব ওয়াদুদ (মনোনীত) ১.১.১৯৯২ - ২৯.৭.১৯৯৭
৩.    নাজিব ওয়াদুদ (মনোনীত) ৩০.৭.১৯৯৭ - ২.১.১৯৯৮
৪.    শাহ আনিসুর রহমান (নির্বাচিত) ৩.১.১৯৯৮ - ৩১.১২.১৯৯৯
৫.    শাহ আনিসুর রহমান (নির্বাচিত) ১.১.২০০০ - ৩১.১২.২০০০
৬.    শাহ আনিসুর রহমান (নির্বাচিত) ১.১.২০০১ - ৩১.১২.২০০১
৭.    নাজিব ওয়াদুদ (নির্বাচিত) ১.১.২০০২ - ৬.৩.২০০৫
৮.    নাজিব ওয়াদুদ (নির্বাচিত) ৭.৩.২০০৫-৩১.৫.২০০৮
৯.    সরদার আবদুর রহমান (নির্বাচিত) ১.৬.২০০৮-৩১.৫.২০০৯
১০.    সরদার আবদুর রহমান (নির্বাচিত) ১.৬.২০০৯-৩১.৭.২০১০
১১.    মোহাম্মদ জুলফিকার (নির্বাচিত) ১.৮.২০১০-৩১.১০.২০১৪
১২.    মোহাম্মদ জুলফিকার (নির্বাচিত) ১.১১.২০১৪-

সাধারণ সম্পাদক
০১.     রেজাউল করিম রাজু (মনোনীত )১.১.১৯৮৯ - ৩০.৪.১৯৯২
০২.     সাইফুল ইসলাম মাখন (মনোনীত ) ১.৫.১৯৯২ - ২০.৮.১৯৯৬
০৩. মোহাম্মদ জুলফিকার (ভারপ্রাপ্ত) ২১.৮.১৯৯৬ - ২৯.৭.১৯৯৭
০৪. সরদার আব্দুর রহমান (নির্বাচিত) ৩০.৭.১৯৯৭ - ৩১.১২.১৯৯৯
০৫. সরদার আব্দুর রহমান (নির্বাচিত) ১.১.২০০০ - ৩১.১২.২০০০
০৬. মোহাম্মদ জুলফিকার (নির্বাচিত) ১.১.২০০১ - ৩১.১২.২০০১
০৭. মোহাম্মদ জুলফিকার (নির্বাচিত) ১.১.২০০২ - ৬.৩.২০০৫
০৮. আব্দুস সবুর (নির্বাচিত) ৭.৩.২০০৫ -৩১.৫.২০০৮
০৯.    সরদার এম আনিছুর রহমান (নির্বাচিত) ১.৬.২০০৮-৩১.৫.২০০৯
১০.    শ.ম. সাজু (নির্বাচিত) ১.৬.২০০৯-৩১.৭.২০১০
১১.     রফিক আলম (নির্বাচিত) ১.৮.২০১০-৩১.১০.২০১৪
১২.     রফিক আলম (নির্বাচিত) ১.১১.২০১৪-