ফিরে যেতে চান

বরেন্দ্র একাডেমি রাজশাহী মহানগরীতে (তৎকালীন শহর) ১৯৭৭ সালে স্থাপন হয়। প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের উদ্যোক্তা ও অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক ছিলেন সাংবাদিক আবুল হোসেন মালেক। তৎকালীন জেলা প্রশাসক আব্দুল হামিদ একাডেমি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সোনাদিঘির মোড়ে বর্তমান রাজশাহী সিটি প্রেস ক্লাবের নিচতলার একটি কক্ষে এর অফিসিয়াল কার্যক্রম আরম্ভ হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে উপশহরে সরকারি জমিতে একাডেমির নিজস্ব ভবন তৈরি হলে একাডেমি সেখানে স্থানান্তরিত হয়।৭৫৩ রাজশাহী বিভাগের ৫টি জেলার ইতিহাস-শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্পর্কে গবেষণা, পত্র-পত্রিকা ও গ্রন্থ প্রকাশ, লোক সংস্কৃতিভিত্তিক উপকরণ সংগ্রহ ও সংগ্রহশালা স্থাপন ইত্যাদি ছিল এ একাডেমির কার্যক্রম। ‘বরেন্দ্র একাডেমি পত্রিকা’ নামে এর একটি গবেষণামূলক পত্রিকা প্রকাশ হতো। ১৯৮১ সালে ৬ সদস্য বিশিষ্ট সম্পাদনা পরিষদের মাধ্যমে বরেন্দ্র একাডেমী ‘রাজশাহী পরিচিতি’ নামে একটি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশ করে। এর সম্পাদনা পরিষদের সভাপতি ছিলেন শামসুদ্দীন আহমদ। অন্যান্য সদস্য ছিলেন মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, অধ্যক্ষ মুহম্মদ এলতাসউদ্দিন, এসএম আবদুর লতিফ (এসএম আবদুল লতিফ), ড. মুহম্মদ মজির উদ্দিন ও আবুল হোসেন মালেক। এ সকল সদস্য বরেন্দ্র একাডেমীর প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। পরবর্তীতে সাংবাদিক শাহ আনিসুর রহমানসহ অনেকে সংশ্লিষ্ট হন।৭৫৩ ড. তসিকুল ইসলাম ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীকালীনাথ চৌধুরীর ‘রাজসাহীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ (২০০১) ও ‘রাজশাহী পরিচিতি’ গ্রন্থ দুটিকে এক প্রচ্ছদে অন্তর্ভুক্ত করে পুনরায় প্রকাশ করেন এবং নাম দেন ‘শতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি রাজসাহীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস শ্রীকালীনাথ চৌধুরী এবং রাজশাহী পরিচিতি’। ঢাকা থেকে গতিধারা গ্রন্থটি প্রকাশ করে।৭৪৮ 
দীর্ঘ দিন যাবৎ এ একাডেমীর কোন কার্যক্রম নেই। ফলে একাডেমি ভবন এখন পরিত্যক্ত।