ফিরে যেতে চান

রাজশাহীর কতিপয় কবি, লেখক, গবেষক

কবি রজনীকান্ত সেন

যে সকল ব্যক্তিত্ব সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন, তাঁদের অনেকে রাজশাহীর স্থায়ী বাসিন্দা না হলেও কর্মসূত্রে কিছুকাল রাজশাহীতে থেকে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে সমর্থ হন। ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক এলাকা পরিবর্তনের পূর্বে নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই এখানে তৎকালীন উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিকের কার্যক্রমও উপস্থাপন করা হলো। জ্যেষ্ঠতা বা কৃতিত্ব বিবেচনায় ক্রমসংখ্যা নির্ধারিত হয়নি। 
নরোত্তম দাস ঠাকুর (১৫৩১-১৫৮৭)
রাজশাহীর আদি সাহিত্যিক নরোত্তম দাস ঠাকুর গোদাগাড়ি থানার খেতুরির (প্রেমতলী) রাজা কৃষ্ণচন্দ্র দত্তের পুত্র ও উত্তরাধিকারী ছিলেন।২ বর্তমান গোদাগাড়ি উপজেলার প্রেমতলীর পদ্মা তীরস্থ গোপালপুরে তার জন্ম।১৫৫ তিনি শ্রীচৈতন্যের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন এবং বৈষ্ণব পদাবলী রচয়িতা হিসাবে বিখ্যাত হয়ে উঠেন। প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা, রসভক্তি চন্দ্রিকা, উপাসনা পটল, স্মরণ মঙ্গল, বস্তুতত্ত্ব সার, রাগমালা, আশ্রয় নির্ণয় প্রভৃতি গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি খেতুরিতে বিখ্যাত মহোৎসবের প্রচলন করেন। রাজশাহীতে এ উৎসব খেতুরের মেলা নামে পরিচিত।
কবি শুকুর মাহমুদ (জন্ম ১৬৬০)
বাংলার নাথ সাহিত্য ধারায় অবদান রেখেছেন কবি শুকুর মাহমুদ। তিনি আব্দুস শাকুর নামেও পরিচিত। তিনি ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে বা তার কিছু পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন।১৫৫ তার জন্ম স্থান পবা থানার অন্তর্গত সিন্ধুর কুসুম্বী গ্রামে।২ তবে জন্ম সাল ও জন্মস্থান উভয় নিয়েই মত পার্থক্য আছে। সতী ময়না, গোপীচন্দ্রের সন্যাস, মৃগল শহরের কাহিনী লিখে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন।
রাজা কৃষ্ণেন্দ্র রায় (১৮৩৪-১৮৯৮)
উনিশ শতকের প্রজাবৎসল জমিদার, কবি, নাট্যকার, সাহিত্যিক রাজা কৃষ্ণেন্দ্র রায় ছিলেন উত্তরবঙ্গের প্রতিভাধর সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব।২২৯ অধ্যাপক মুহম্মদ আবুল ফজল রাজশাহী প্রতিভা ১ম খন্ডের ১৩২ পৃষ্ঠায় কৃষ্ণেন্দ্র রায়ের জীবনকাল ১৮৩৪-১৮৯৮ উল্লেখ করলেও ১৩৩ পৃষ্ঠায় জন্মগ্রহণের সাল ১৮৪৮ এবং জন্মস্থান নাটোর জেলার খাজুরা গ্রামকে উল্লেখ করেছেন। তার বেশ কয়েকটি গ্রন্থের মধ্যে ‘এখন আসি’ ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে, প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘স্বভাবনীতির’ প্রথমে ১৩০২ বঙ্গাব্দে ও দ্বিতীয় সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে, কাহিনী কাব্য ‘সীতাচরিত’ রাজশাহী মহানগরী (রামপুর-বোয়ালিয়া) থেকে ১২৯১ বঙ্গাব্দে ও নওগাঁর বলিহার থেকে ১২৯৯ বঙ্গাব্দে দ্বিতীয় মুদ্রণ হয়। দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ সুখভ্রম ১২৯৫ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হবার পর ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের পূর্বে কোন এক সময় দ্বিতীয়বার মুদ্রিত হয়েছিল। বান পরাজয় গীতিকাব্য (১৩৩৪), জয়ন্ত পরাজয় গীতিকাব্য (১৩৩৪), বৃত্রসংহার গীতিকাব্য (১৩৩৪) এবং অদ্ভূত নাটক নামে ৪টি নাটক রচনা করেন। তার গানের গ্রন্থ ‘গীতাবলী’ ও ‘সীতাহরণ পাঁচালী’ ভক্ত রসিকদের চিত্ত আকর্ষণ করত। রাজশাহী এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।২২৯
মির্জা ইউসুফ আলী (১৮৫৮-১৯৩০) 
১৯৮৭ সালে মো. ইসাহাক আলীর রচিত গ্রন্থ ‘কিমিয়া সাআদতের অনুবাদক মির্জা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী’। আবার ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত গ্রন্থ ‘ জীবনী গ্রন্থমালা ২২’ য়ে অধ্যাপক ফজলুল হকের প্রবন্ধ ‘মির্জা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী’। তবে ১৯৪২ সালের ৯ মার্চ প্রকাশিত পল্লী বান্ধব পত্রিকার নাম শিরোনামের নিচে লেখা আছে, ‘সৌভাগ্য-স্পর্শমণির গ্রন্থকার, সমাজ-প্রাণ মরহুম মির্জা ইউসুফ আলী সাহেবের পুণ্য স্মৃতি’। তাই পত্রিকা সূত্রে এ গ্রন্থে মির্জা ইউসুফ আলী লিখা হলো। রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত আলিয়াবাদ গ্রামের অধিবাসী মির্জা ইউসুফ আলী ইসলাম তত্ত্ব, দুগ্ধ সরোবর, সৌভাগ্য স্পর্শমণি (সুবিখ্যাত দার্শনিক ইমাম গাজ্জালির কিমিয়ায়ে সাদাত গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ) ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করেন। সৌভাগ্য স্পর্শমনি তার সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান। তিনি বিখ্যাত সমাজ সংস্কারকও ছিলেন।২ 
মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন (২২ জানুয়ারি ১৮৬০-২৫ অক্টোবর ১৯২৫)
মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্যরত্নের জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার চর বেলতৈল ও বসতবাড়ি হাটিকুমরুল। রাজশাহী সরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকতার (হেড পণ্ডিত) সুবাদে কিছুকাল বাস ছিল রাজশাহী মহানগরীর হোসেনীগঞ্জে। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আনোয়ারা’(১৯১৪) প্রকাশিত হয় এ সময়েই। এটা ছিল তাঁর প্রথম উপন্যাস। এছাড়াও তিনি আরো ৮টি প্রকাশিত ও ৪টি অপ্রকাশিত গ্রন্থের লেখক। প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ- ‘সাহিত্য প্রসঙ্গ’(১৯০৪), ‘বিলাতী বর্জ্জন রহস্য’(১৯০৫), ‘হাসন-গঙ্গা বাহমণি’(১৯১৭), ‘পরিণাম’(১৯১৮), ‘প্রেমের সমাধী’(১৯১৯), ‘গরীবের মেয়ে’(১৯২৩), ‘দুনিয়া আর চাই না’(১৯২৩), ‘মেহের-উন্নিসা’ (১৯২৩)। অপ্রকাশিত গ্রন্থসমূহ-‘বেহেস্তের ফুল’, ‘নামাজের ফল’, ‘রমণীর বেহেস্ত’ ও ‘দুনিয়া কেন চাই না’।৬৫৩
অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় (১৮৬১-১৯৩০) 
প্রকৃত বিচারে বলা যায় হাজার বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়। তিনিই নবাব সিরাজুদ্দৌলা সম্পর্কিত ইংরেজ ঐতিহাসিকের রচনা মিথ্যা বলে প্রমাণ করেন। তিনিই বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান সম্মত ইতিহাস লিখার সূচনা ও চর্চা শুরু করেন। তাঁর সম্পাদিত ঐতিহাসিক চিত্র পত্রিকা ছিল বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান সম্মত ইতিহাস চর্চার মাধ্যম। ১৯১০ সালে স্থাপিত বাংলাদেশের সর্ব প্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রযুক্তি জ্ঞান সমৃদ্ধ জনসম্পদ গঠনের মহান উদ্দেশ্যে জুবিলী সিল্ক ইন্ডস্ট্রিয়াল স্কুল স্থাপন তাঁর অন্যতম কৃতিত্ব। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছিলেন রাজশাহী শহরের অধিবাসী। জন্মগ্রহণ করেন কুষ্টিয়া জেলায়। বাবার চাকরি সূত্রে বাল্যকালেই রাজশাহী আসেন। 
বিখ্যাত ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় সমরসিংহ, সিরাজুদ্দৌলা, সীতারাম, মীর কাসিম, ফিরিংগি বণিক, অজেয়বাদ, গৌড় লেখমালা, আশা প্রভৃতি ঐতিহাসিক নাটক রচনা করে সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।২ 
কান্তকবি রজনীকান্ত সেন (২৬ জুলাই ১৮৬৫-১৩ সেপ্টেম্বর ১৯১০)
বাংলা ভাষার পঞ্চকবির অন্যতম কবি রজনীকান্ত সেন। অন্য চারজন কবি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, অতুল প্রসাদ ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।  ইংরেজদের রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় সঙ্গীত ও কাব্য রচনায় গুরুত্বপূর্ণ কর্ম সম্পাদন করেছিলেন রজনীকান্ত সেন।২ বাণী, কল্যাণী, আনন্দময়ী, অভয়া, বিশ্রাম, অমৃত প্রভৃতি নামে তিনি কাব্য ও সঙ্গীত গ্রন্থ রচনা করেন। ‘মায়ের দেয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নে রে ভাই; দীন-দুঃখিনী মা যে মোদের তার বেশি আর সাধ্য নাই’ - রজনীকান্ত সেনের এ গান বাংলার ঘরে ঘরে ধ্বনিত হয়ে উঠেছিল।২২৯ তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করলেও রাজশাহীতেই জীবন অতিবাহিত করেন।২
জগদীন্দ্রনাথ রায় (১৮৬৮-১৯২৫) 
নাটোরের জমিদার মহারাজা জগদীন্দ্রনাথ রায় অনেকগুলো গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তার গ্রন্থের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ ‘সন্ধ্যাতারা’ (১৯১৬), ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ ‘দারার দূর দৃষ্টি’, ‘নূরজাহান’ (১৩২৪), ভ্রমণ কাহিনী ‘হায়দারাবাদ’, ‘সেকেন্দারাবাদ’। আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘শ্রুতি-স্মৃতি’ (অসমাপ্ত) উল্লেখযোগ্য। তিনি মানসী এবং মানসী ও মর্মবাণী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।২২৯
খোন্দকার আব্দুর রাজ্জাক
খোন্দকার আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহীর মোহনপুর নিবাসী। তাঁর হজ্জ গমনাগমন ও নিজ বংশ পরিচিতিমূলক সাহিত্য গ্রন্থ ‘আখবার তারিকুল হোজ্জাজ’ ১২৯৬ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি বাংলা একাডেমিত সংরক্ষণ করছে।৭০৫
জোবেদা আলী সরকার 
১৮৭৫ সালে জোবেদা আলী সরকার ‘নারী-পুরুষের রঙ্গরসের ঝগড়া’ নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন।২ 
কালীনাথ রায় চৌধুরী
কালীনাথ রায় চৌধুরীর ‘রাজশাহীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ (১৯০১) নামের গ্রন্থটি গবেষকদের নিকট খুব গুরুত্বপূর্ণ।
মুহম্মদ আবু তালিব
বিশিষ্ট পন্ডিত ও গবেষক মুহম্মদ আবু তালিবের গ্রন্থ উত্তরবঙ্গে সাহিত্য সাধনা রাজশাহীর কুইক প্রিন্টার্স থেকে প্রকাশিত হয়েছে। 
শেখ গোলাম মকসূদ হিলালী (৩০ নভেম্বর ১৯০০, সিরাজগঞ্জ-১৭ ডিসেম্বর ১৯৬১)
শেখ গোলাম মকসূদ হিলালী বহু ভাষাবিদ ও প্রকৃত পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন। স্কুল জীবন থেকেই তাঁর লেখা-লেখি শুরু। অনেক মূল্যবান গ্রন্থ লেখার পাশাপাশি বিদেশী ভাষার অনুবাদও করেছেন। একাডেমিক শিক্ষা ও পরবর্তীতে কর্মসূত্রে রাজশাহীতে তাঁর স্থায়ী বসবাস। তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হালিদা হানুম। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ আলবেরুনী, হযরতের জীবন নীতি, , lslamic Attitue towards Non-Muslims, Ashar-i-Taran or the Persian Verses of Ramtaran Mukharjee, Preso Arabic Elements in Bengali ইত্যাদি।
কিরণলেখা রায় 
কিরণলেখা রায়ের গ্রন্থ ‘জলখাবার ও বরেন্দ্র রন্ধন পদ্ধতি’। তিনি দিঘাপতিয়ার জমিদার শরৎকুমার রায়ের সহধর্মিণী। কিরণলেখা ১৩২৫ বঙ্গাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর ৬ বছর পর বঙ্গাব্দ ১৩৩১ বা ১৯৩৮ খ্রিষ্টাদে গ্রন্থটি কলকাতার ভারত মিহির যন্ত্রে অবিনাশচন্দ্র  চক্রবর্তী কর্তৃক প্রকাশিত হয়। ২০০০ সালের অক্টোবরে কলকাতার কল্লোল প্রকাশন পুনরায় প্রকাশ করে। কোন কোন গ্রন্থে তাঁর নাম কিরণরেখা রায় ব্যবহার হয়েছে। তবে কলিকাতা থেকে ১৩২৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত বরন্দ্র রন্ধন গ্রন্থে কিরণ লেখা রায় সংকলিত। এ গ্রন্থ সূত্রে কিরণ লেখা রায় ব্যবহার হলো। 
হাজী কেয়ামতুল্লাহ্ খোন্দকার (১৮৭০-১৯৬০)    
হাজী কেয়ামতুল্লাহ্ খোন্দকার বাগমারা তাহিরপুর নিবাসী ছিলেন। তিনি ৫০ এর অধিক ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত বই, পুঁথি ও গজল রচনা করেন। ‘মারকাবুল এসলাম’ নামের একটি  মাসিক পত্রিকা তিনি ১৩ বছর যাবৎ প্রকাশ করেন। (তথ্য: লেখক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ জুলফিকার)
মেহেরউদ্দীন খান 
আত্রাই নিবাসী মেহেরউদ্দীন খান লিখেন ‘তুর্কবীর’ নাটক (১৩৩৫ বঙ্গাব্দ)।
নফরউদ্দীন আহমদ(১৮৯৭-১৯৭৪)
নফরউদ্দীন আহমদ বর্তমান নওগাঁ জেলার ধামইরহাট নিবাসী সাহিত্যিক। ভাগ্য লিপি (১৯২৩), ভাগ্যচক্র (১৯৩২) উপন্যাস এবং কারবালা (রচনা ১৯২৫, প্রকাশ ১৯৭০), এজিদ বধ (১৯২৮, প্রকাশ ১৯৬২), রাখী ভাই(১৯৬৪) ইত্যাদি ঐতিহাসিক নাটক লিখে প্রসিদ্ধ লাভ করেন। বসুমতী, সওগাত, হিতবাদী, নায়ক, মোসলেম দর্পণ ইত্যাদি পত্রিকায় তাঁর রচনা প্রকাশ হতো।
শেখ জুমন উদ্দীন 
শেখ জুমন উদ্দীন ছিলেন বর্তমান নাটোর জেলার তেবাড়িয়া নিবাসী। মুন্সেফ আদালতে পিয়ন পদে চাকরি করতেন। মহামানব (কাব্য), মুক্তিপথ, জহুরা, কর্মবীর, গৃহদর্পণ, এসকে মাওলা, অপূর্ব তাজমহল ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করেন।
হাসান উদ্দীন কবিরত্ন (জন্ম ১৯০৭)
নাটোর নিবাসী হাসান উদ্দীন কবিরত্ন ‘সন্ধানে’ (কাব্য নাট্য), সৌজন্য সোপান, মোড়লের বিচার, দ্বাদশী, শুক্তিমালা, হিজরত ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করেন।
মৌলানা দেওয়ান নাসির উদ্দীন 
মৌলানা দেওয়ান নাসির উদ্দীন ছিলেন নওগাঁ জেলার শিকারপুর নিবাসী। তিনি ১৯টি গ্রন্থ রচনা করেন। সোলতান পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন।
কুমুদনাথ দাস (জন্ম ১৮৭৮)
নওগাঁর কেডি হাই স্কুলের শিক্ষক কুমুদনাথ দাস কাব্যগুচ্ছ (১৯৩৮), জ্যোতির সন্ধানে, সাহিত্যে জিজ্ঞাসা (বঙ্গাব্দ ১৩৫৯), A history of Bengali Literature, Rabindranath His Mind Art and Other Essays (১৯২২) ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করেন।
মোবারক আলী (১৯০০-১৯৫৫) 
মোবারক আলী ছিলেন নওগাঁ নিবাসী। সুফিয়া (উপন্যাস), কামাল আতাতুর্ক (জীবনী), মরু নির্ঝর (পত্রে মুহম্মদ জীবনী) গ্রন্থ লিখে খ্যাতি অর্জন করেন।
প্রথমনাথ বিশী 
প্রথমনাথ বিশী নাটোরের বড়াইগ্রামে জন্মগ্রহণ করে ছিলেন। পেশা জীবনে ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক। রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প, রবীন্দ্র সাহিত্য বিচিত্রা, বাংলার লেখক, শ্রীকান্তের পঞ্চম পর্ব, কেরী সাহেবের মুনসী, লালকেল্লা, জোড়াদীঘির চৌধুরী পরিবার, ঋণংকৃত্বা (নাটক) ইত্যাদি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
মোজাফফর হোসেন খাকী 
নওগাঁর মোজাফফর হোসেন খাকী’র কাব্য চাঁদনী চক প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে। 
গজেন্দ্রনাথ কর্মকার 
নাটোরের গজেন্দ্রনাথ কর্মকারের কাব্য খতিয়ান, হীরক জয়ন্তী। তিনি কবিতার জন্য রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। 
ফজর আলী খাঁন (১৮৯৫-১৯৮০)
রাজশাহী মহানগরীর মালোপাড়া নিবাসী ফজর আলী খাঁন’র কাব্য জমজম (১৯৩০), সুখপাঠ্য। শেষ বয়সে তিনি ‘রাজশাহীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ শিরোনামে একটি পাণ্ডুলিপি লিখেন। এ পাণ্ডুলিপিটি গবেষক মাহবুব সিদ্দিকীর শহর রাজশাহীর আদিপর্ব (২০১৩) গ্রন্থে প্রকাশিত হয়।
মুহম্মদ আব্দুস সামাদ
মুহম্মদ আব্দুস সামাদের গ্রন্থ‘শুভ্র রজনীগন্ধা’ (১৯৯৮), ‘দিগ-দিগন্ত’ (১৯৮৪), ‘সুবর্ণ দিনের বিবর্ণ স্মৃতি’ (১৯৮৭)।
আবুল ক্বাছিম কেশরী কাব্য বিনোদ (জুলাই ১৯১৬,রাজশাহী-৮ জানুয়ারি ১৯৯০)
আবুল ক্বাছিম কেশরী কাব্য বিনোদ এর জীবনদশায় প্রকাশিত ধর্ম বিষয়ক গ্রন্থ ‘সহজ নামায শিক্ষা’, গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘তাড়ি প্রসঙ্গ’। তাঁর মৃত্যুর ২৬ বছর পর প্রকাশিত হয় লোক সাহিত্য গ্রন্থ ‘রাজশাহীর ছড়া সাহিত্য’,২০১৬।৭০৫
বন্দে আলী মিয়া
বন্দে আলী মিয়ার প্রকাশিত গ্রন্থ ময়নামতীর চর (১৯৩২), অনুরাগ, পদ্মানদীর চর (১৯৩৩), স্বপ্নস্বাদ (১৯৩৬), মধুমতির চর (১৯৪৬), কাব্য বীথিকা (১৯৬১) প্রভৃতি। বন্দে আলী মিয়া পাবনায় জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। তবে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রাজশাহী বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে ছিলেন।
ড. মযহারুল ইসলাম 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ মাটির ফসল (১৯৫৫), বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি (১৯৭০), আর্তনাদে বিবর্ণ (১৯৭০), অপরাহ্নে বিস্ত্র প্রাতরাশ (১৯৭৫)। গবেষণামূলক গ্রন্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।
আবু হেনা মোস্তফা কামাল (১৯৩৬-১৯৮৯)
আবু হেনা মোস্তফা কামাল রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে রাজশাহীতে বসবাস করেন। তাঁর কাব্যগ্রন্থ আপন যৌবন বৈরী।
হাসান আজিজুল হক (২ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯-)
বিখ্যাত কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার যবগ্রামে। রাজশাহী কলেজ থেকে দর্শন শাস্ত্রে সম্মানসহ স্নাতক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য’ (১৯৬৪), এরপর ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ (১৯৬৭), ‘জীবন ঘষে আগুন’ (১৯৭৩), ‘নামহীন গোত্রহীন’ (১৯৭৫), পাতালে হাসপাতালে’ (১৯৮১), ‘আমরা অপেক্ষা করছি’ (১৯৮৮), ‘রোদে যাব’ (১৯৯৫), ‘মা মেয়ের সংসার’ (১৯৯৭), ‘বিধবাদের কথা ও অন্যান্য গল্প’ (২০০৭), ‘রাঢ়বঙ্গের গল্প’ (১৯৯১)। উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘বৃত্তায়ন’ (১৯৯১), ‘আগুন পাখি’ (২০০৬)। ‘আগুন পাখি’ বর্ষসেরা উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এ ছাড়াও ‘শিউলি’ নামে আরো একটি উপন্যাস রয়েছে। তাঁর লেখা নাটক ‘চন্দর কোথায়’ (জর্জ শেহাদের নাটকের ভাষান্তর)। তিনি প্রচুর প্রবন্ধ লিখেছেন- ‘চালচিত্রের খুঁটিনাটি’, ‘একাত্তরের করতলে ছিন্ন মাথা’, ‘কথাসাহিত্যের কথাকতা’, ‘বাচনিক আত্মজৈবনিক’ অন্যতম। তাঁর ‘লাল ঘোড়া আমি’ (১৯৮৪) একটি কিশোর উপন্যাস। ‘ফুটবল থেকে সাবধান’ (১৯৯৮) একটি শিশুতোষ গল্প। এ কৃতী সাহিত্যিক ১৯৯৯ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।৫২৪
একেএম ইয়াকুব আলী (১ আগস্ট ১৯৩৯-)
একেএম ইয়াকুব আলী বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানার হাটধুমা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষা ও সেখানেই শিক্ষকতার পেশা সূত্রে রাজশাহীতে বসবাস। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ গবেষণামূলক। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ‘মুসলিম স্থাপত্য ও শিল্পকলা’, আরব জাতির ইতিহাস চর্চা’, মুসলিম মুদ্রা ও হস্তলিখন শিল্প’, ‘রাজশাহীতে ইসলাম’, ‘আলোকিত পথ’, ‘মহানবী ও ইসলাম’, ‘একটি বংশ: ইতিহাস ও ঐতিহ্য’, `Select Arabic And Persian Epigraphs of Bengal’, `Aspsects of Society and Culture of the Varendra 1200-1576 AD’, `Jihad in Islam: Its Implications’, ‘বরেন্দ্র অঞ্চলে মুসলিম ইতিহাস ও ঐতিহ্য’, ‘মুসলমানদের ইতিহাস চর্চা (খিলাফত ও ভারত উপমহাদেশ)’, ‘সারওয়ার -ই- কায়েনাত মুহাম্মদ (স.)’(২০১০) উল্লেখযোগ্য।   
আবদুল খালেক (১৯৩৭ সালের ১৯ আগস্ট-)
সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে প্রফেসর ড. আবদুল খালেকের জন্ম। তিনি একজন ফোকলোর বিশারদ। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশনার মধ্যে রয়েছে ভ্রমণ সাহিত্য ‘পদ্মা থেকে ইয়াংসি’। জীবনীগ্রস্থ ‘কাজী ইমদাদুল হক’। গবেষণা গ্রন্থ ‘মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে লোক উপাদান’ ও ‘মৈমনসিং গীতিকা’। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা পেশায় থাকাকালে উপাচার্যসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।৫২৪
শহিদুল ইসলাম 
প্রফেসর শহিদুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি বিজ্ঞান বিষয়ক বহু গ্রন্থ এবং প্রবন্ধ লিখে গেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে ‘সাম্প্রদায়িকতা রাষ্ট্র রাজনীতি’(১৯৯৫),‘জাতীয়তাবাদ: সাম্প্রদায়িকতা ভেদবুদ্ধি’ (২০০০), ‘শিক্ষাভাবনা’ (২০০১), ‘প্রসঙ্গ শিক্ষা’ (২০০২), ‘দেশভাগ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়’ (২০০৪), ‘বিজ্ঞান দর্শন’ ১ম ও ২য় খণ্ড (২০০৪, ২০০৭), ‘আমরা কি ধরণের শিক্ষা চাই’ (২০০৬), ‘বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বায়ত্বশাসন’ (২০০৮) অন্যতম।৫২৪
সনৎকুমার সাহা 
সনৎকুমার সাহা একজন প্রাবন্ধিক, অর্থনীতিবিদ ও রবীন্দ্র গবেষক। তাঁর রচিত গন্থ  ‘সমাজ সংসার কলরব’, ‘আকাশ পৃথিবী রবীন্দ্রনাথ’, ‘ভাবনা অর্থনীতির : বিশ্বায়ন উন্নয়ন ও অন্যান্য’, ‘কথায় ও কথার পিঠে’, ‘কবিতা ও অকবিতা রবীন্দ্রনাথ’, ফিরে দেখা রবীন্দ্রনাথ’। তিনি তাঁর সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রবন্ধে ২০১২ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান।৫২৪
সেলিনা হোসেন (১৪ জুন ১৯৪৭-)
সেলিনা হোসেনের জন্ম রাজশাহী শহরে। তিনি রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক ছিলেন। দীর্ঘদিন রাজশাহী মহানগরীতে বসবাস করেছন। এ প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে ‘ধান শালিকের দেশ’ পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উৎস থেকে নিরন্তর’ (১৯৬৯)। তাঁর গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম ‘কাঠকয়লার ছবি’, ‘ঘুমকাতুরে ঈশ্বর’, ‘লারা’, ‘ভূমি ও কুসুম’, ‘যাপিত জীবন’, ‘যমুনা নদীর মুশায়রা’, ‘কাটাতারে প্রজাপতি’, ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’, ‘পূর্ণ ছবির মগ্নতা’। তিনি স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলা একাডেমিসহ দেশী-বিদেশী বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।৫২৪
জুলফিকার মতিন
কবি কামরুল বাহারের মতে, স্বাধীনতার পর রাজশাহীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ জুলফিকার মতিনের ‘স্বৈরিনী স্বদেশ তুই’। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষক তাঁর দীর্ঘ সাহিত্য চর্চায় প্রকাশ করেছেন, ‘কোন লক্ষে হে নিষাদ’ (১৯৮৮), ‘তাইতো সংবাদ নেই’ (১৯৯৯), ‘নীলিমাকে চাঁদ দেব বলে’ (২০০০), ‘বৈশাখে ঝড়জল রোদের কবিতা’ (২০০০), ‘ঘামের ওজন কত ভারী’ (২০০১), ‘দুঃখ ভোলার দীর্ঘশ্বাস’ (২০০৫), ‘এই সংবাদ এই একুশে’ (২০০৭), ‘কার চরণচিহ্ন ধরে’ (২০০১)। এ ছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ অন্ধকারের জন্তুরা, কবিতার দেশে, মুক্তিযুদ্ধের গল্প, রাখ তোমার উদ্যত বাহু, পাগল হবার রূপকথা, অন্যরকম, আকাশবাসর।৫২৪
ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী (১৯৪৯)
ড. সাইফুদ্দিন চৌধুরী সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। পড়াশোনা ও পেশার সুবাদে রাজশাহী মহানগরীতে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস। গবেষক ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামের পরিচালক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপনা শেষে নাটোরে অবস্থিত রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে অধ্যাপনার পাশাপাশি আজও গবেষণার মাধ্যমে সাহিত্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর রচিত গ্রন্থ ‘আরলি টেরাকোটা ফিগারিন অফ বাংলাদেশ’ যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যে অবস্থিত San Antino University  প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ-  ‘Historic Sonargaon’ (1978), ‘Our Folk Art : Our Tradition’ (১৯৭৯), ‘তামিল নাড়ুর লোকগল্প’ (১৯৮০), ‘রমাপ্রসাদ চন্দ’ (১৯৮৮), ‘নলিনীকান্ত ভট্টশালী’ (১৯৮৯), ‘আব্দুল্লাহেল কাফী’ (১৯৯১), ‘আবদুল গফুর সিদ্দিকী’ (১৯৯২), ‘বিজয় চন্দ্র মজুমদার’ (১৯৯৪), ‘কুমার শরৎ কুমার রায়’ (১৯৯৬), ‘তাম্রপট্টোলীতে লোকায়ত বাংলা ও অন্যান্য প্রবন্ধ’ (২০০০), ‘পতিসরে রবীন্দ্রনাথ’ (দেজ পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০০০), ‘রবীন্দ্রনাথ ও পূর্ববঙ্গের কিছু কথা’ (২০০১), ‘Aspects of Material and Folk Culture in Bangladesh’ (২০০৩), ‘রবীন্দ্রনাথ প্রবাদ: প্রবচন’ (২০১০), ‘বাঙালী মুসলিম মনীষা ও ঐতিহ্য’ (২০০৩), 'The City of Rajshashi’ (২০১৬).
ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরীর সম্পাদনায় 'Journal of the Varendra Research Museum’ (১৯৯৪), ‘বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস (যৌথ. ১৯৯৮) এবং ‘র্জাশাহী প্রতিভা’ (যৌথ, ২০০০)  বইগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
মুহম্মদ আব্দুল জলিল
ড. মুহম্মদ আব্দুল জলিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণা গ্রন্থের মধ্যে ‘মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক’ (১৯৮৩), ‘মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বাংলা ও বাঙালি সমাজ’ (১৯৮৬), ‘বাংলাদেশের সাঁওতাল : সমাজ ও সংস্কৃতি’ (১৯৯১), ‘শাহ্ গরীবুল্লাহ ও জঙ্গনামা’ (১৯৯৩), ‘বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের মেয়েলী গীত’ (১৯৯৪), ‘বাংলাদেশের ফোকলোর চর্চার ইতিহাস’ (২০০০), ‘লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র’ (২০০১), ‘বাংলাদেশে বঙ্কিম চর্চা’ (২০০১), ‘উত্তরবঙ্গের লোকসঙ্গীত’ (২০০৫), ‘বাংলাদেশের ফোকলোর চর্চার ইতিবৃত্ত’(২০১১) প্রভৃতি। উপন্যাস- ‘ডোমার খালকোর অকাল প্রয়াণ’ (২০০৭), ‘বাউল’ (২০০৯), ‘যোগিনী’ (২০১০)।
মুকুল কেশরী (১৭ নভেম্বর ১৯৫১ রাজশাহী-)৭০৫
মুকুল কেশরী প্রধানতঃ কবি। তবে তিনি প্রবন্ধ, গল্প, নাটক সব বিষয়ের কলম শিল্পী। তাঁর প্রকাশিত কাব্য গ্রন্থ ‘আবেগে আবেগে’ ২০০৭, ‘গোপনে গোপনে’ ২০০৭, ‘বিজয় দিবসের মঞ্চে’ ২০০৯, ‘স্বাধীনতা আঁখি খোল’ ২০০৯, ‘ইচ্ছের শব্দমালা’ ২০১১, ‘এখানে সন্ধ্যা নামে’ ২০১২। প্রকাশিত ছড়া গ্রন্থ ‘কথায় কথায়’ ২০১০। প্রকাশিত নাট্য গ্রন্থ ‘সাঙ্গ হল খেলা’।
ড. স্বরোচিষ সরকার
ড.স্বরোচিষ সরকার বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব্ বাংলাদেশ স্টাডিজ এর পরিচালক। তিনি বাংলা একাডেমী থেকে ‘বাংলা ও ইংরেজি অভিধান’ প্রণয়নকারীদের মধ্যে অন্যতম সম্পাদক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ‘মুকুন্দদাস’ (১৯৮৭), ‘গিরিশচন্দ্র বড়ুয়া’ (১৯৯৪), ‘বাংলাদেশের ফসল’ (১৯৯৪), ‘বাংলা সাহিত্যে সংস্কার চেতনা : মুসলমান সমাজ’(১৯৯৫), ‘মাহমুদ নূরুল হুদা’ (১৯৯৮), ‘অস্পৃশ্যতা বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ’ (২০০৫), ‘বিশ শতকের মুক্তচিন্তা’ (২০০৮), ‘ভাবনা নিয়ে ভাবনা : জনপ্রিয় বইয়ের আলোচনা’ (২০১০), ‘বাংলাদেশের কোষগ্রন্থ ও শব্দ সন্ধান’ (২০১০), ‘কবিগান’ (২০১১), ‘অকারণ ব্যাকরণ’ (২০১২) অন্যতম।
আবু বকর সিদ্দিক 
আবু বকর সিদ্দিক রাজশাহীতে বসবাসকালে ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত হয় বিনিদ্রকালের ভেলা। এছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ- ধবল দুধের স্বরগ্রাম, হে লোকসভ্যতা, হেমন্ত সোনালতা, কালো কালো মেহনতি পাখি, এইসব ভ্রুণশস্য, আমরা নদীহারা জাতি, মানব হাড়ের হীম ও বিদ্যুৎ, কঙ্কালে অলংকার দিও; গল্পগ্রন্থ- চর বিনাশকাল, মরে বাঁচার স্বাধীনতা, ভূমিহীন দেশে, হংসভাসীর তীরে; উপন্যাস- খরাদাহ, জলরাক্ষস বারুদপোড়া প্রহর, একাত্তরের হৃদয়ভষ্ম। 
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (৫ ডেিসম্বর ১৯২৮-১১ জানুয়ারি ২০১৪) 
ভাষা সৈনিক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও ১৯৯৬ সালের নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ- ল অফ রিকুইজিশন (১৯৬৬), যথাশব্দ (১৯৭৪), মাতৃভাষার স্বপক্ষে রবীন্দ্রনাথ (১৯৮৩), কোরআন সূত্র (১৯৮৪), বচন ও প্রবচন (১৯৮৫), গঙ্গাঋধি থেকে বাংলাদেশ (১৯৮৫), রবীন্দ্র রচনার রবীন্দ্র ব্যাখ্যা (১৯৮৬), অন রাইট অ্যান্ড রিমেডিস উল্লেখযোগ্য। তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পুরস্কার লাভ করেন।৫২৪ 
আব্দুল গণি (১৯২৭-১৯৭৬)
উত্তরা সাহিত্য মজলিশ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর রচিত উপন্যাস ‘পিচ্ছিল পৃথিবী’।
এবনে গোলাম সামাদ (২৯ ডিসেম্বর ১৯২৯- ) 
এবনে গোলাম সামাদের পূর্ব পরুষের বাড়ি ফরিদপুর লাগায়ো মাগুরার খাস মোহাম্মদপুরে। পিতা মো.ইয়াসিন মৌলবী রেলওয়ের চাকরিজীবী হওয়ায় পাকশি নর্দার্ন জোন অফিস থেকে বদলি হয়ে আসেন ১৯২৯ সালে রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনে ষ্টেশন মাষ্টার পদে। তার বদলির এক সপ্তাহ পূর্বে রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশন চালু হয়। এবনে গোলাম সামাদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক  ছিলেন। উদ্ভিদবিদ্যার শিক্ষক হয়েও নৃতত্ত্বের উপর পাণ্ডিত্য অর্জন করেন অধ্যাবসায় ও লেখালেখির মাধ্যমে। সে আঙ্গিকেই তাঁর রাজশাহী মহানগরীকেন্দ্রিক গ্রন্থের নাম রাজশাহীর ইতিবৃত্ত (ফেব্্রুয়ারী ১৯৯৯)। ‘বাঙালির জন্ম পরিচয়’সহ আরো কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেন। 
এসএম আবদুল লতিফ (১ আগস্ট ১৯৩১-২৬ ডিসেম্বর ২০১০)
এসএম আবদুল লতিফের জন্ম নাটোর। শিক্ষা ও চাকরি সূত্রে রাজশাহীর তালাইমারীতে স্থায়ীভাবে বসবাস। বাংলার শিক্ষক হিসেবে তিনি সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চা ও সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক কর্মে আজীবন নিরলস ছিলেন। তাঁর প্রণীত গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য গবেষণা ধর্মী। যেমন- Problems of College Education; A Report on Field Trip to the Academy for Rural Development, Comilla; ছন্দ পরিচিতি; গদ্য শিল্পী মীর মশারফ হোসেন; রাজশাহীর লোক সংস্কৃতি ও লোকসাহিত্য; বরেন্দ্র অঞ্চলের কতিপয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব (২০০৬); ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী সিটি কলেজ (২০১২)।৬০১
খোন্দকার সিরাজুল হক (১৯৪১-৬ এপ্রিল ২০১৬)
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রফেসর ছিলেন ড. খোন্দকার সিরাজুল হক। বাংলা সাহিত্যে অবদান রেখে ইহকাল ত্যাগ করেছেন। ‘মুসলিম-সাহিত্য সমাজ : সমাজ-চিন্তা ও সাহিত্যকর্ম’ (১৯৮৪) তাঁর একটি অনবদ্য মৌলিক গ্রন্থ। জীবনী গ্রন্থÑ ‘মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী’ (১৯৭০), ‘কাজী আবদুল ওদুদ’ (১৯৮৭), ‘ডাক্তার লুৎফর রহমান’ (১৯৯৬)। সম্পাদনাগ্রন্থ- কাজী আবদুল ওদুদ রচনাবলী ৪র্থ খণ্ড’ (১৯৯৩), ৫ম খণ্ড (১৯৯৪), ৬ষ্ঠ খণ্ড (১৯৯৫) এবং ‘দীনবন্ধু মিত্রের নীল দর্পন’ (১৯৭৫)। তিনি তাঁর সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ গবেষণায় ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
অধ্যাপক ফজলুল হক (১২ বৈশাখ ১৩৪৭/১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ-)
অধ্যাপক ফজলুল হক দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করে শিশুতোষ ছাড়াও রাজনৈতিক-সামাজিক কলাম লিখে জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জাতিকে সত্যের নির্দেশনা দিয়ে আসছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে শিশুতোষগ্রন্থ ‘শিশুর পড়া মজার ছড়া’ (মুক্তধারা, ১৯৮৪)। এ ছাড়াও রাজনৈতিক ও জীবনীমূলক গ্রন্থÑ ‘পূর্বপর একাত্তর’ (মুক্তধারা, ১৯৯৪), ‘চলো যাই মুর্শিদাবাদ’ (মুক্তধারা, ১৯৯৩), ‘ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়: জীবন ও কর্ম’ (মুক্তধারা, ১৯৯১), ‘মীর্জা মোহাম্মদ ইউসফ আলী’ (বাংলা একাডেমী, ১৯৯৮), ‘অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়’ (বাংলা একাডেমী, ১৯৮৯), ‘মহারাজ জগদিন্দ্রনাথ রায়’ (বাংলা একাডেমী, ১৯৯২), ‘বন্ধুত্বের বন্ধনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জগদীশচন্দ্র বসু’ (জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা) ২০১৩, ‘জনতার জয় জনতার রায়’ (নদী মিডিয়া, ২০১৩)।৫২২
অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম (২৭ চৈত্র ১৩৪৭ বঙ্গাব্দ-)
প্রবীণ বয়সে এসে অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম তাঁর জ্ঞানের ভাণ্ডারকে গ্রন্থাকারে রূপ দেন। ঢাকা ও রাজশাহী থেকে প্রকাশিত তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা ৬। গ্রন্থসমূহ- মানব শ্রেষ্ঠ হজরত মুহম্মদ (সা.) (২০০৫, রাজশাহী); হজরত শাহ মখদুম রুপোশ (রহ.) (২০১০; শাহ মখদুম দরগা এস্টেট); মানবাধিকারের রূপরেখায় রাষ্ট্রচিন্তা, ধর্ম ও গণতন্ত্রচর্চা (২০১১, গতিধারা ঢাকা); আমেরিকাকে যেমন দেখেছি (২০১৩, দি বেঙ্গল প্রেস, রাজশাহী); ড. মুহাম্মদ মুজীবুর রহমান: জীবন ও সাহিত্য (২০১১, দি বেঙ্গল প্রেস রাজশাহী); মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নে মানবাধিকার কর্মীর ভূমিকা (১৯৯০, বাংলাদেশ মাববাধিকার বাস্তাবায়ন সংস্থা ঢাকা)।৭০৭
মো. আবদুল হাই
মো. আবদুল হাই ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর মুর্শিদাবাদ থেকে রাজশাহীতে এসে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে ৭ম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে ছাত্র জীবন শেষে রাজশাহীতেই স্থায়ীভাবে বসবাস। পেশায় আইনজীবী। রাজনীতিবিদ হিসেবেই পরিচিতি। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘বেলাশেষে’ (নভেম্বর ২০১৭, রাজশাহী)। গ্রন্থটি স্মৃতিচারণমূলক।
আশফাকুল আশেকীন (১৯৪৪-)
আশফাকুল আশেকীন চিত্রশিল্পী ও ছড়াকার। ‘রাজশাহীর ছড়া’ নামক ছড়াগ্রন্থের সম্পাদনা করেন যৌথভাবে। ‘অর্ঘ্য’ নামে ছোটকাগজ তাঁর সম্পাদনায় নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে থাকে। তাঁর ছড়াগ্রন্থ ‘ছড়াপাত’ ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়। কাব্যগ্রন্থ- ‘মুখ থুবড়ে পড়া বাংলাদেশ’ (২০০২) এবং সংকলিত কবিতা গ্রন্থ ‘দ্বাদশী’ (২০১২)।
এমএ কাইউম
এম.এ কাইউম একজন চিত্রশিল্পী। তাঁর গ্রন্থ ‘রাজশাহীর ছড়া’ (সম্পাদিত)। ছড়ার পাশাপাশি কবিতা, গল্প, ভ্রমণ কাহিনী লিখেছেন।
মুহাম্মদ লুৎফুল হক (জন্ম ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫) 
মুহাম্মদ লুৎফুল হকের বাড়ি  রাজশাহী মহানগরীর উপশহরের ২নং সেক্টরে। কর্মসূত্রে বাবা সপরিবারে দিনাজপুর গমন করায় সেখানেই তাঁর জন্ম। তিনি গবেষণামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ প্রণয়নের কাজ অব্যাহত রেখেছেন। ২০০৭ সালে ঢাকার ম্যাগনামওপাস থেকে স্বাধীনতাযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ খেতাব নামে প্রথম গ্রন্থ প্রকাশ হয়। এরপর প্রথমা প্রকাশনী থেকে ২০১২ সালে বাঙালি পল্টন, ২০১৩ সালে সৈনিক নজরুল প্রকাশ হয়। প্রথমা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি গবেষণামূলক গ্রন্থও সম্পাদনা করেন। যেমন- ২০১২ সালে রাজশাহী ৭১ (যৌথ), ২০১২ সালে কামালপুর ৭১, সম্মুখযোদ্ধা এবং ভারতীয় ও পাকিস্তানি সময় বিশেষজ্ঞদের কথা, ২০১৩ সালে মুক্তিযুদ্ধে ২নম্বর সেক্টর এবং কে ফোর্স, ২০১৩ সালে দিনাজপুর ৭১, ২০১৩ সালে ১৫ বছর বাংলাদেশ প্রথম আলো (যৌথ), ২০১৪ সালে সংবাদপত্রে বাংলাদেশ (যৌথ)।৪৮৩
মিজানুর রহমান (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭-)
মিজানুর রহমানের জন্ম যশোরে। তবে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে তিনি পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে রাজশাহীর উপশহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘কুশিক্ষা নয় সুশিক্ষা চাই’ (ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
কাশেম আলী
কাশেম আলীর গ্রন্থ ‘কলমিলতার ঘর’ (১৯৭৬)।
আকবর আলী
আকবর আলীর গ্রন্থ ‘বিবর্ণ মুকুর’।
মোল্লা এবাদত হোসেন
মোল্লা এবাদত হোসেনের গ্রন্থ ‘পদাবলী সমীক্ষা’, ‘চর্যা পরিচিতি’। 
ড. আসাদুজ্জামান
ড. আসাদুজ্জামানের গ্রন্থ ‘জীবনশিল্পী জীবনানন্দ দাশ’। 
আখতার বানু
আখতার বানুর গ্রন্থ ‘জ্যোৎস্নায় মুখ দেখা’ (১৯৮৪), ‘কলকাতা থেকে কন্যাকুমারী’।
সরকার মাসুদ
সরকার মাসুদের গ্রন্থ ‘বিষণ্ন জ্যোৎস্নার আকুতি’ (১৯৮২)। 
নীলুফার বেগম
নীলুফার বেগমের গ্রন্থ ‘ তেমন কিছু না’ (১৯৮১)। 
মালেক মেহমুদ
মালেক মেহমুদের কাব্যগ্রন্থ ‘একটি রাত রাখো স্বপ্নের ভেতর’, ‘শিখার শাণিত স্বপ্নগাঁথা’। 
লতিফুল মতিন মিঠু
লতিফুল মতিন মিঠুর গ্রন্থ ‘রণাঙ্গনে ২৫ বছর’। 
সুলতানা হক
সুলতানা হকের গ্রন্থ ‘ঈর্ষা’। 
শামসুল আলম সরদার
শামসুল আলম সরদারের গ্রন্থ ‘এ প্রিয় পান্থপ্রবাস’। 
নূর মোহাম্মদ মোল্লা
নূর মোহাম্মদ মোল্লার গ্রন্থ ‘এক প্রজন্মের সংলাপ’ (উপন্যাস)।
হাসান মীর
হাসান মীরের গ্রন্থ‘চেনা অচেনা’ (গল্পগ্রন্থ), ‘জাপানী লোক কথা’, ‘কাচের খরগোস’।
খন্দকার জাহানারা বেগম
খন্দকার জাহানারা বেগমের গ্রন্থ ‘গোলাপের সুগন্ধে অশ্রু’, ‘সাগরে শালতি’, ‘নীল জ্যোৎসনার গান’, ‘পাথরে নদী’। 
মুহম্মদ মজির উদ্দীন
মুহম্মদ মজির উদ্দীনের গ্রন্থ ‘বাংলা সাহিত্যে মুহম্মদ (স.) চরিত’। 
হোমায়ারা নাজনীন সোমা
হোমায়ারা নাজনীন সোমার গ্রন্থ ‘অরণ্যের ভেতরে পা’ (কাব্যগ্রন্থ)। 
মুহাম্মদ একরামুল হক
মুহাম্মদ একরামুল হকের গ্রন্থ ‘নীলা’ (গল্প সংকলন)। 
মো. আব্দুর রাজ্জাক
মো. আব্দুর রাজ্জাকের চার খন্ডে সমাপ্ত মুসলিম লেখক গ্রন্থপঞ্জি। 
শামসুল আলম সরদার
শামসুল আলম সরদারের গ্রন্থ ‘পা’, ‘যে তুমি ঘ্রাণের কুসুম’ (কাব্য), ‘আততায়ী দিনরাত্রি’ (গল্প)। 
আবেদা সুলতানা
আবেদা সুলতানার গ্রন্থ ‘জলরঙ জলছবি’, ‘শব্দে ভেঙ্গেছে তন্দ্রা’ (কাব্য) ইত্যাদি। 
অনীক মাহমুদ
অনীক মাহমুদ একজন কবি। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে-প্রেমবড় স্বৈরতন্ত্রী (১৯৯৫), একলব্যের ভবিতব্য (১৯৯৭), এইসব ভয়াবহ আরতি (২০০৪), আসন্ন বিরহ বিষণ্ন বিদায় (২০০৪), দীর্ঘ দংশন নীল জ্বালা (২০০৭), বৃহন্নলা ছিন্ন করো ছদ্মবেশ (২০০৭), সুমিত্রাবন্ধন (২০০৯), চৈতিচাঁদে রাহুর লেহন (২০০৯), হৃৎ-খৈয়ামের রুবাইয়াৎ (২০০১)। ছড়াগ্রন্থ- ভরদুপুরে আমার মাকে (১৯৯৭), দুলকি ঘোড়া চাবুক কড়া (১৯৯৭), শেয়াল মামার খেয়াল (২০০৫)। কিশোর গল্প আর নাট্যকাব্য- বিড়ালবতী রাজকন্যে (১৯৯৭), নষ্ট জ্যোৎস্নার ক্যারাভান (২০০৬)।
শেখ আতাউর রহমান
শেখ আতাউর রহমানের গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম-নিশাত, আমি নরকে চলেছি, অলৌকিক জোনাকিরা, একা, কিয়ামতনামা।
মো. হারুন-অর-রশীদ
মো. হারুন-অর-রশীদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। তাঁর রচিত গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ‘কোন এক নন্দিনীর গল্প’ (১৯৮৫), ‘দ্রোহ’ (উপন্যাস ১৯৮৭), ‘ভদ্রপাড়ায় থাকেন না ঈশ্বর’ (১৯৯৩), ‘নজরুল সাহিত্য ধর্ম’ (১৯৯৬), ‘রবীন্দ্র কাব্যে প্রবচন’ (১৯৯৭), ‘চিরঞ্জীব নজরুল : অন্বেষিত অপচয়’ (২০০০), ‘গল্পে গল্পে হৃদয়’ (২০০২), ‘ছন্দ চিনি যেমন করে’ (২০০৪), ‘শিল্পিত নজরুল’ (২০০৪), ‘সমতলে সমান্তরাল’ (উপন্যাস-২০০৪), ‘রবীন্দ্র সাহিত্যে মানব সম্পর্ক : প্রসঙ্গ গল্প’ (২০০৪), ‘নেতাজিকেষ্টা’ (২০০৭), ‘সাহিত্যে চিত্র-বৈচিত্র্য’ (২০১০), ‘দেশ নিয়ে ভাবনা যতো’ (২০১১), ‘রবীন্দ্রনাথ: সোনার তরী’ (২০১১) ও ‘ছড়াকার’।
মলয় ভৌমিক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মলয় ভৌমিক অধিক পরিচিত নাট্যকার হিসেবে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে ‘উত্তরখনা’ এবং ‘ভূমিকন্যা’ উল্লেখযোগ্য।
ফরহাদ খান (১৯৪৫ সালের ১২ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া, নদীয়া-
রাজশাহীর সাথে ফরহাদ খানের যোগাযোগ ১৯৬১ সাল থেকে। বাংলা একাডেমির পরিচালকসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে  ‘প্রতীচ্য পুরাণ’(প্রথম প্রকাশ ১৯৮৪), ‘একাডেমিক শিরপীড়া, বুরোপ্যাথি ও অন্যান্য’(১৯৮৮?), ‘শব্দের চালচিত্র’ (১৯৯৫), ‘চিত্র ও বিচিত্র’(২০০০), ‘ব্যারন মুনশাউজেনের রোমাঞ্চকর অভিযান’(অনুবাদ, ২০০০), ‘বাংলা শব্দের উৎস অভিধান’(প্রথম প্রকাশ ২০০০), ‘নীল বিদ্রোহ’(মোহাম্মদ জুলফিকার আলীর সাথে যৌথ অনুবাদ ২০০১), ‘হারিয়ে যাওয়া হরফের কাহিনী’(প্রথম প্রকাশ ২০০৪), ‘বাঙালির বিবিধ বিলাস’(২০০৮), ‘গল্প শুধু গল্প নয়’(২০০৮) উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তিনি যৌথভাবে কিছু গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন।
মোহাম্মদ জুলফিকার আলী (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ দিনাজপুর- 
মোহাম্মদ জুলফিকার আলীর রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে  ১৯৭৯ হতে ২০০৩ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কাজ করেন এবং যুগ্ম সচিব পদ থেকে অবসর নেন। পেশাগত অভিজ্ঞতার আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষণামূলক গ্রন্থ রচনা করেন। প্রকাশিত গ্রন্থ পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় শরণার্থী (২০০৫), Blood In The Hills (২০১৩)। এছাড়াও ফরহাদ খানের সঙ্গে যৌথভাবে অনুবাদ করেন Blue Mutiny গ্রন্থ।
মাহতাব উদ্দিন
একজন সাহিত্য সংগঠক, সমালোচক ও কবি হিসেবে মাহতাব উদ্দিন দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে কাজ করেছেন। তাঁর গ্রন্থের মধ্যে ‘একাত্তরের জবানবন্দি’, ‘উসকো ছোড়দো’, ‘মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতি কথা’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘রণাঙ্গনের একাত্তর’ এবং ‘একুশ থেকে একাত্তর’। তাঁর সম্পাদিত বেশ কয়েকটি পত্রিকায় মধ্যে ‘সাপ্তাহিক গণখবর’, ‘বিজয়ের পঙক্তিমালা’, ‘শোক দিবসের পঙক্তিমালা’, ‘প্রত্যাবর্তনের পঙক্তিমালা’, ‘সূর্যোদয়’, মৃত্যুঞ্জয়’ উল্লেখযোগ্য।
খোন্দকার আমিনুল হক
সাহিত্য সংগঠক, রম্যলেখক খোন্দকার আমিনুল হক ছোটগল্প ও প্রবন্ধ লিখে পাঠকের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে- ‘দিগন্তে মেঘের ঘনঘটা’, ‘কাবা ঘুরে এলাম’, ভূত প্রেত দৈত্য’, ‘রোমন্থন ও অন্যান্য’, ‘হাসি আর গল্প’ অন্যতম।
রুহুল আমিন প্রামাণিক (৩০ জানুয়ারি ১৯৪৬-) 
অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহীর অন্যতম সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠক। তাঁর একমাত্র কাব্যগ্রন্থ ‘না তুমি না আমি না ঈশ্বর’। শিশুতোষ রচনা ‘চির শিশু চির কিশোর’। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সর্ব প্রথম গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘বরেন্দ্রের বাতিঘর অগ্রযাত্রার ৩ বছর’(২০১১), ‘বরেন্দ্রের বাতিঘর অগ্রযাত্রার ৫ বছর’(২০১৩) এর তিনি প্রধান সম্পাদক।
আসাদ মান্নান (৩ নভেম্বর ১৯৫৭-)
কবি নাম আসাদ মান্নান। প্রকৃত নাম আব্দুল মান্নান। জন্ম চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার সাতঘরিয়া গ্রামে। বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে রাজশাহীতে এসে সাহিত্য চর্চায় অবদান রাখেন। ২০১১ সালে কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ পুরস্কার এবং ২০১২ সালে কবিকুঞ্জ সম্মাননায় ভূষিত হন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্থ ‘সৈয়দ বংশের ফুল’, ‘সুন্দর দক্ষিণে থাকে’, ‘দ্বিতীয় জন্মের দিকে’, ‘ভালবাসা আগুনের নদী’, ‘তোমার কীর্তন’, ‘যে পারে পার নেই সে পারে ফিরবে নদী’। 
আনোয়ারুল আবেদীন (৫ নভেম্বর ১৯৪৪- ১৬ এপ্রিল ২০০৪)
আনোয়ারুল আবেদীন ১৯৬২ সাল থেকে গণসঙ্গীত, দেশাত্মবোধক গান, আধুনিক গান, ট্রিপিক্যাল পল্লীসঙ্গীত লিখেছেন অজস্র। লিখেছেন ছোট গল্প, শিশুতোষ ছড়া, কবিতা । সবগুলোই পত্রিকার পাতায়। তিনি ছিলেন মঞ্চ ও বেতারের নাট্যশিল্পী। ছিলেন স্বাধীন বাংলা বেতারের ‘মীর জাফরের রোজনামচা’ ও ‘জনতার আদালত’ এর লেখক। তাঁর একমাত্র গ্রন্থ ‘যঃপলায়তি’ (২০০৭)।
তসিকুল ইসলাম রাজা 
তসিকুল ইসলাম রাজা ১৯৫৩ সালের ১১ জানুয়ারি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার বালিয়াঘাটা গ্রামে একটি দরিদ্র পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি একাধারে গবেষক, সম্পাদক, সংগঠক, সমাজসেবক ও কবি। তবে রাজশাহীর ইতিহাস-ঐতিহ্যের উপর আকর প্রবন্ধ ও গ্রন্থ সম্পাদনা করে তিনি গবেষক হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস (যৌথ সম্পাদনা,১৯৭৭), রাজশাহীতে ভাষা আন্দোলন (রাজশাহী ১৯৯০), রাজশাহী প্রতিভা, ১ম খণ্ড (যুগ্ম সম্পাদনা,২০০০), শতবর্ষ স্মারকগ্রন্থ: রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার (যৌথ সম্পাদনা,১৯৮৪), শতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি:অভিমত:রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার (যুগ্ম সম্পাদনা,২০০০), কবি বন্দে আলী মিয়া স্মারকগ্রন্থ (যুগ্ম সম্পাদনা, ১৯৮৩), সমাজসেবক আবুল কালাম চৌধুরী স্মারকগ্রন্থ (যুগ্ম সম্পাদনা, ১৯৮৬), আবদুল হক চৌধুরী স্মারকগ্রন্থ (যুগ্ম সম্পাদনা,বাংলা একাডেমি,ঢাকা ২০০০), ড. মযহারুল ইসলাম: সপ্ততিতম জন্মজয়ন্তী সংবর্ধনাগ্রন্থ (যৌথ  সম্পাদনা, রাজশাহী ১৯৯৮), নিঃসঙ্গ নদীর মতো: মুহম্মদ মজিরউদ্দীন মিয়া সংবর্ধনাগ্রন্থ (যুগ্ম  সম্পাদনা,ঢাকা ২০০১), সুবর্ণ রেখার আল্পনা:আবুল আহসান চৌধুরী সংবর্ধনাগ্রন্থ (যৌথ সম্পাদনা,ঢাকা ২০০৩), শতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি: রাজসাহীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও রাজশাহী পরিচিতি (ঢাকা ২০০৭), রাজশাহীর ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড) (ঢাকা ২০০৭), যশোর-খুলনার ইতিহাস (ঢাকা ২০০৭), শিকদার বাড়ির ইতিকথা (ঢাকা ২০০৭), সুবর্ণরেখা:প্রসঙ্গ ঋতিক (রাজশাহী, ২০১২), বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি (যৌথ সম্পাদনা, ঢাকা ২০১২), বরেন্দ্রের বাতিঘর: অগ্রযাত্রার ৩ বছর (যৌথ সম্পাদনা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ২০১১), বরেন্দ্রের বাতিঘর: অগ্রযাত্রার ৫ বছর (যৌথ সম্পাদনা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ২০১৩), লড়াকু কবি ও মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুর রাহমান স্মারকগ্রন্থ (যৌথ সম্পাদনা, রাজশাহী ২০১৪) ইত্যাদি তাঁর উল্লেখযোগ্য সম্পদনা গ্রন্থ। এ সব গ্রন্থে রাজার মৌলিক প্রবন্ধ পাওয়া যায়। রাজশাহীতে ভাষা আন্দোলন গ্রন্থে তিনি রাজশাহীতে ভাষা আন্দোলন প্রাসঙ্গিক ভাবনা শিরোনামে প্রবন্ধ লিখে রাজশাহীর ভাষা আন্দোলনের সামগ্রিক চিত্রকে উপস্থাপন করতে সক্ষম হন। 
তাঁর গবেষণামূলক গ্রন্থ শিশু সাহিত্যে বন্দে আলী মিয়া (রাজশাহী ১৯৮৩), কতিপয় স্মরণীয় মানুষের জীবন কথা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (রাজশাহী ১৯৯১), রবীন্দ্রোত্তর বাংলা কাব্যে গ্রামীণ জীবন (বাংলা একাডেমী, ঢাকা ১৯৯৫), বরেন্দ্র অঞ্চলে ভাষা আন্দোলন (বাংলা একাডেমী,ঢাকা ১৯৯৯), বাংলাদেশে ফোকলোর চর্চার ইতিবৃত্ত ও অন্যান্য প্রবন্ধ (ঢাকা ২০০৪), রবীন্দ্রনাথের লোকায়ত জীবন ও সংস্কৃতি ভাবনা (ঢাকা ২০০৬)। তাঁর জীবনীমূলক গ্রন্থ ছোটদের কবি বন্দে আলী মিয়া (ঢাকা ১৯৮৭)। কাব্যগ্রন্থ বাসর ফেলে যুদ্ধে আয় (ঢাকা ১৯৮৮) ও নেই রক্ষা নেই (ঢাকা ১৯৮৯)। জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদকসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন সংগঠন থেকে তাঁকে সংবর্ধনা জ্ঞাপনসহ পুরস্কৃত করা হয়। 
ইকবাল মতিন (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ -)  
ইকবাল মতিন রুয়েটের প্রফেসর। প্রকাশিত গ্রন্থ তথ্য বিচিত্রা (কোলকাতা-২০০০)। সম্পাদিত গ্রন্থ সেই সময় এই সময় (যৌথ, রুয়েটের প্রকৌশল বিভাগ)। এছাড়া তিনি কয়েকটি পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন। (তথ্য: ইকবাল মতিন)
নূরউল ইসলাম (১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫-) 
কবি ও সাহিত্য সংগঠক নূরউল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থ মায়াবী পর্দা, প্রেমের কথাকলি, উদাসী মেঘের বৃষ্টি কুলসুম, রক্তাক্ত কবিতার দেশ, প্রেমের পদাবলী। তিনি বেশ কয়েকটি গ্রন্থ সম্পাদনা করেন।
এসএমএ কাদের (৩১ অক্টোবর ১৯৩৬, সিরাজগঞ্জ-) 
প্রবীণ সাংবাদিক এস এম এ কাদের ১৯৭৬ সালে দৈনিক বার্তায় চাকরির সুবাদে রাজশাহীতে বসবাস। তিনি স্বনাম ও ছদ্ম নাম ইবনে সেহাব নামে গল্প, প্রবন্ধ লিখেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে একাত্তরের আমি, ফিরে যেতে চাই ছন ছাউনির গাঁয় (কাব্য) ইত্যাদি।
গোলাম কবির
অধ্যাপক গোলাম কবিরের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘বাংলা কথাসাহিত্যে নজরুল’ (২০০৭), ‘কালিদাস ও ইমরুল কায়েস’, ‘রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য’ (২০০৮)।
শামসুল হক কোরায়শী
শামসুল হক কোরায়শী শিশুসাহিত্যিক হিসেবে সমাধিক পরিচিত। তাঁর কাব্যগ্রন্থ- ‘গোধুলির কান্না’, ‘প্রসন্ন প্রহর’ এবং ‘আসবেনা ফিরে’। ছোটদের কবিতার বই- ‘হুরপরী কিন্নরী’, ‘পান্তা বুড়ি শান্তা বুড়ি’, ‘ভুবন ডাঙ্গার ভূত’। ছোটদের গল্পের বই ‘ভয়ের শেষে বীরের বেশে’ । এ ছাড়া লিখেছেন একটি জীবনীগ্রন্থ, ‘হজরত মওলানা ইসাহাক এবং বংশধরগণ।
প্রশান্ত কুমার সাহা
শব্দসৈনিক প্রশান্ত কুমার সাহা প্রধানত একজন নাট্যকার। তাঁর লেখা ও অনুবাদ নাটকের মধ্যে ইবসেনের ‘ডলসহাউস’, বার্নাড শ-এর ‘হাঁস’ এবং ‘সমুদ্রের কলরোল’ অন্যতম। এছাড়াও তাঁর রাজনৈতিক রম্যশ্লেষ সংকলন ‘খায়েস উদ্দিনের রাজনৈতিক বয়ান’ (২০০১)।
নাজিব ওয়াদুদ
নাজিব ওয়াদুদ পেশায় চিকিৎসক। সাহিত্য ভুবনে তিনি কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ  ছোটগল্প- ‘কাক ও কারফিউ’ (১৯৯৮), ‘নষ্ট কাল অথবা হৃদয়ের অসুখ’ (২০০৮), ‘কমরেড ও কিরিচ’ (২০১০), ‘পদ্মাবতী কিংবা সুন্দরী মেয়েটির নাক বোঁচা’ (২০১১),‘ বরেন্দ্রবাংলার গল্প’ (২০১২)। উপন্যাস ‘দ্বিতীয় হৃদয়’ (২০০৬), ‘বিয়ের ফুল’ (২০০৮), ‘এক যে ছিল ময়না’ (২০১২)। ছড়া ‘ধানকুড়ুনি’ (২০০৯)। অনুবাদ ‘নোবেলবিজয়ী অরহ্যান পামুক’ (২০০৮), ‘আনাড়ী রসিকজন’ (বালজাকের উপন্যাস, ২০১১), ‘জননায়ক’ (চিনুয়া আচেবের উপন্যাস, ২০১২), ‘আধুনিক ফিলিস্তিনী গল্প’ (২০১৩), ‘স্বর্ণনদীর রাজা’ (জন রাসকিনের কিশোর উপন্যাস, ২০১৩), ‘বিশ্বসেরা ছোটগল্প’ (২০১৪)। সম্পাদনা ‘পদ্মাপাড়ের ছড়া, (২০০৪) ও ‘পদ্মাপাড়ের গল্প, (২০০৭)।
সরদার আবদুর রহমান (চাঁপাই নবাবগঞ্জ ১ নভেম্বর ১৯৫৫-)
সরদার আবদুর রহমান প্রবীণ সাংবাদিক। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কারও অর্জন করেন। তার প্রাপ্ত পুরস্কার- পরিবেশ বিষয়ে জাতীয় পুরস্কার (১৯৯৯), প্যানোস অ্যাওয়ার্ড (২০০৭), শব্দশীলন একাডেমি (২০১০)। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘হিমালয়ের ভাটিতে ভারতের নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প ও বাংলাদেশের অবস্থান’, ‘বিভাগ গাইড রাজশাহী’ (যৌথ), ‘উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং মুঠোফোনের আর্তস্বর’ (গল্প গ্রন্থ), ‘শব্দ শুনে জব্দ’ (ছড়া গ্রন্থ), ‘মানুষের পেটে জিলাপির প্যাঁচ’ (ছড়া গ্রন্থ), ‘উড়িষ্যা-কামরূপ বিজয়ী বাঙালী বীর কালাপাহাড়’ (২০১৭)। 
গিয়াস উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বীর বিক্রম 
গিয়াস উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বীর বিক্রম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৭ নং সেক্টরের ৪নং সাব সেক্টর(রাজশাহী অঞ্চল) কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে শুরুতে তিনি ক্যাপ্টেন ও যুদ্ধকালেই মেজর পদোন্নতি পান। অবসরকালে ছিলেন ব্রিগেডিয়ার। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে তিনি গ্রন্থে আকার দিয়ে নামকরণ করেন “রণাঙ্গন: রাজশাহী -বগুড়া”। ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন গ্রীনপ্লাজায় গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
কাজী মো. মোস্তাফিজুর রহমান
কাজী মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রফেসর। প্রকাশিত গ্রন্থ- ‘রাজশাহীর প্রাসাদ-স্থাপত্য’ (১৭৯৩-১৯৫০) (বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি-২০০৯), কাব্যগ্রন্থ ‘প্রত্নকাব্য’ (হেরিটেজ রাজশাহী- ২০১৭), ‘আড়চোখে’ (পরিলেখ- ২০১৭)। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিতব্য গ্রন্থ পুঠিয়ার রাজবংশ:ইতিহাস ও স্থাপত্য। (তথ্য: ড. কাজী মো. মোস্তাফিজুর রহমান)।
মোহাম্মদ জুলফিকার (রাজশাহী ১৯৬৪-)
মোহাম্মদ জুলফিকার পেশায় সাংবাদিক ও গবেষণাধর্মী লেখক। তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সাধক-কবি রজনীকান্ত সেন’ (একুশে বইমেলা ২০১৪)। দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন-জীবন ও সাহিত্যকর্ম’ (একুশে বইমেলা ২০১৬)।
মো. খোসবর আলী (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০-)
মো. খোসবর আলীর জন্ম নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার গুজিশহর গ্রামে। ১৯৭৬ সালে চাকরি সূত্রে রাজশাহীতে আগমন এবং ১৯৯২ সাল থেকে রাজশাহী মহানগরীতে স্থায়ীভাবে বসবাস। তিনি প্রধানত গবেষক। তবে গবেষণা গ্রন্থের পাশাপাশি কবিতাও রচনা করেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘বাংলাদেশের কারাব্যবস্থা’ (রাজশাহী- ২০০১), ‘নওগাঁ জেলার ভাষা আন্দোলন’ (ঢাকা), ‘নওগাঁ জেলার ইতিহাস’ (রাজশাহী- ১ম খণ্ড ২০১১, ১ম খণ্ড ২০১৫), ‘যদি তার দেখা পাই’ (কাব্যগ্রন্থ, রাজশাহী)। 
আশরাফুল আলম পিন্টু
আশরাফুল আলম পিন্টু ছোট-বড়দের জন্য অনেক গল্প, উপন্যাস, কবিতা, ছড়া প্রভৃতির গ্রন্থ লিখা ও পত্রিকা সম্পাদনা অব্যাহত রেখেছেন। বড়দের জন্য এ পর্যন্ত ২৬ টি উপন্যাস ও গল্প, ছোটদের জন্য ১৪টি গ্রন্থ এবং বেশ কয়েকটি পত্রিকা সম্পাদনার সন্ধান পাওয়া যায়। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ জুলেখা বাদশার মেয়ে (গল্প), মনে মনে (উপন্যাস), ছায়াপথ (উপন্যাস), তালপাতার বাঁশি (যৌথ ছড়াগ্রন্থ), শ্মশানতলির সার্কাস (গল্প গ্রন্থ, ১৯৮২), টুপিন ভাই জিন্দাবাদ (হাসির উপন্যাস), দাদুর বেড়াল (হাসির উপন্যাস, শিশু একাডেমি-১৯৮৫), ধলপহরের আগে (হাসির উপন্যাস), পরি আমার বোন (গল্পগ্রন্থ), ছোট পাখি আর মেঘ (গল্পগ্রন্থ), ছোট মেয়ে আর ছোট্ট মোট্ট তারা (গল্প গ্রন্থ), আনন্দবনের পাখিরা (গল্পগ্রন্থ), ছোটদের ছোট গল্প, ছোট নদী আর ছোট মাছ (গল্প), রূপ কথা নয় চুপকথা। সম্পাদিত পত্রিকা সংকেত কার্ড, ছড়াপত্রিকা ছড়া দর্শন, কিশোর সাহিত্য ও কিশোর। (তথ্য: পিন্টু)
আলাউদ্দিন আহমেদ (২৫ আগস্ট ১৯৬০Ñ)
রাজশাহী মহানগরীর ছোট বনগ্রাম নিবাসী আলাউদ্দিন আহমেদ। ছড়া, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লিখেন। সাহিত্য সংগঠনেও ভূমিকা রাখেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ সমকালীন সংলাপ (প্রবন্ধ, ২০০৬), শুধু তোমাকেই (উপন্যাস, ২০০৭), রংধনু মন (ছোটগল্প, ২০০৮), কালবেলা (কাব্যগ্রন্থ, ২০০৮), দ্রৌপদী (কাব্যগ্রন্থ, ২০০৯), আলাদীনের ছড়া (শিশুতোষ, ২০১০ ও ২০১৭), সরিষা ইলিশ (কিশোর গল্প, ২০১১), মধু পর্ক (ছোট গল্প,২০১৭), ভূতের বাড়ি তেপান্তরে (কিশোর গল্প, ২০১৭)। (তথ্য: আলাউদ্দিন আহমেদ)
সুজিত সরকার
ড. সুজিত সরকার একজন প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সাহিত্যের ধর্ম চরিত্র ভাষা’ (২০০৯), ‘নাটোর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ (২০০৯), ‘আধুনিক  বাংলা উপন্যাসের ভাষা সমীক্ষা : মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্’, ‘সাহিত্যচিন্তা’ (২০১২)। এছাড়া প্রচুর প্রবন্ধ রচয়িতা।
আরিফুল হক কুমার
আরিফুল হক কুমার রচিত কাব্যগ্রন্থ ‘ঘাসের আঙ্গোট’ (২০০৯), ‘পোড়ামেঘ অথবা গোত্রহীন মৃত্যু’ (২০০১), ‘স্বপ্নের উল্কি’ (২০১২), হাওয়ার লিরিক (২০১৪)। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন লিটিলম্যাগে প্রচুর লিখে যাচ্ছেন। তিনি বর্তমানে কবিকুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক।
ওয়ালী কিরণ (২৫ জানুয়ারি ১৯৫৮-১৫ আগস্ট ২০১৬)
দীর্ঘ কবিতা যাত্রায় ওয়ালী কিরণ রচনা করেছেন- ‘মগ্নপ্রতীক’ (১৯৯৫), উৎসভূমি’ (১৯৯৬), ‘রূপান্তরের পাখি’ (১৯৯৮), ‘মিশ্রমানব’ (১৯৯৮), ‘ওই নদী জলমঞ্চ’ (২০০১), ‘অনিঃশেষ ধারাপাত’ (২০০৫), ‘শূন্যতার ডানা’ (২০০৫)’ ‘জলপাখিদের প্রত্নগভীরতা’ (২০০৯), ‘অদৃশ্য পুরোহিত’ (২০০৯), ‘হাওয়াদের রাজারানী’ (২০১১), ‘শিশ্নতন্ত্র’ (২০০১), ‘বসন্তের কুশীলবগণ’(২০১২)। তাঁর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস ‘দাসযুগের দিনলিপি’ ও গল্পগন্থ ‘অন্ধঅজগর’।
মাহবুবুর রহমান বাদশাহ
পেশায় চিকিৎসক কবি মাহবুবুর রহমান বাদশাহর কাব্য গ্রন্থ ‘নিষিদ্ধ নির্মাণ’(১৯৮১), ‘মৃত্যু বিষবৃক্ষে মানুষে’ (২০০১), ‘না সময় না নদী’ (২০০৮), ‘পাখি চোখ পাখি প্রাণ’ (২০১১), একটি পাখি উড়ে গেলো’ (২০১২)। তাঁর ছড়াগ্রন্থ- ‘সোনার গাছে হীরের পাতা’ (২০১৩)।
পুরবী যাফর
পুরবী যাফরের গ্রন্থ ‘আরেক আকাশ’, ‘যখন খুলেছ মেঘের জানালা’, ‘রঙ ও রেখা’ (কাব্য) ইত্যাদি। 
ফরিদা সুলতানা (২৮জুলাই ১৯৫৩ -)
ফরিদা সুলতানার ‘বাংলাদেশের উপন্যাসে জীবন চেতনা’ (গবেষণা গ্রন্থ)।
ডাবলু হাসান
ডাবলু হাসানের গ্রন্থ ‘প্রতিকূলে প্রতিঘাত’ (ছড়া)। 
মাজিদ উল মালিক
মাজিদ উল মালিকের গ্রন্থ ‘নারী ও নরক’ (কাব্য)।
মনোরঞ্জন নন্দী
মনোরঞ্জন নন্দীর গ্রন্থ ‘সবুজ দ্বীপের উপকথা’ (কিশোর গল্প)। 
সুখেন মুখোপাধ্যায়
সুখেন মুখোপাধ্যায়ের গ্রন্থ ‘লাল মোরগের বিয়ে’ (ছড়া)।
সাবরিনা ইয়াসমিন
সাবরিনা ইয়াসমিনের গ্রন্থ বিন্নির ‘ছড়ার ছড়াছড়ি’, ‘ছড়িয়ে দিলাম ছড়া’ ইত্যাদি। 
ফৌজিয়া ইয়াসমিন
ফৌজিয়া ইয়াসমিনের গ্রন্থ ‘ঘুঘু ও পেঁচা উপখ্যান’ (কাব্য)। 
ফজলুল হক তুহিন
ফজলুল হক তুহিনের গ্রন্থ‘ফেরা না ফেরা’ (কাব্যগ্রন্থ), ‘বাংলাদেশের কবিতায় লোক সংস্কৃতি’ (গবেষণা)। 
খুরশিদ আলম বাবু
খুরশিদ আলম বাবুর বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘আমি দাঁড়িয়ে আছি কৃষ্ণ কিরিচের নিচে’। 
আমানুল্লাহ মাসুদ হাসান
আমানুল্লাহ মাসুদ হাসানের গল্পগ্রন্থ ‘নিছক প্রেমের গল্প’।
মমিনুর রহমান মমিন
মমিনুর রহমান মমিনের ছড়াগ্রন্থ ‘ছুটির ছুটি’।
রফিক রইচ
রফিক রইচের ‘আমি যুবক’ (কাব্যগ্রন্থ), ‘অনুভবে ভ্রান্তি’ (উপন্যাস), ‘ত্রয়ী’ (যৌথ কাব্যগ্রন্থ)।
আমিরুল মোমেনীন মানিক
আমিরুল মোমেনীন মানিকের ‘সুর সঞ্চারী প্রবন্ধ’, ‘ইবলিস’ (নাটক)২৩০, ২৩১।
সাঈদুজ্জামান সিপন (জন্ম ৪ জানুয়ারি ১৯৬৭-)
সিপনের জন্ম নড়াইল। কর্মসূত্রে রাজশাহী মহানগরীতে ১৯৯০ সাল থেকে বসবাস। তার কাব্যগ্রন্থ ‘মৃত অজগরের মত মানুষের মুখ’।
শহিদুল ইসলাম
শহিদুল ইসলামের গ্রন্থ ‘জাতীয়তাবাদ: সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি’। 
সোহেল মাহবুব ( ১৮ আগস্ট ১৯৭৭-)
কবি ও সাহিত্য সংগঠক হিসেবে পরিচিত সোহেল মাহবুবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নিশিকাব্যযান। অপ্রকাশিত কাব্য ও গল্প গ্রন্থগুলো প্রকাশের চেষ্টায় আছেন। কুসুম্বী নামের একটি ষান্মাসিক ম্যাগাজিন ও ছায়া নামের অনিয়মিত লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন। (তথ্য: আলাউদ্দিন আহমেদ)
মিথুশিলাক মুরমু (১৬ আগস্ট ১৯৭২, গোদাগাড়ী-) 
আদিবাসীদের জীবন প্রবাহ এবং তাঁদের নিপীড়নের বিরুদ্ধেই মিথুশিলাক মুরমুর কলম তীক্ষ্ম থাকে সব সময়। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ বিপন্ন আদিবাসী জীবন ও সমাজ (২০০৮), আদিবাসী অন্বেষণ (২০০৯, ঢাকা)।
অসীম কুমার দাস
অসীম কুমার দাসের কাব্যগ্রন্থ ‘ঝঞ্ঝা ও পুনরুত্থান’ (১৯৯২)।
মনিরা কায়েস
মনিরা কায়েসের  অন্যতম গ্রন্থ ‘ঐ যে স্ট্রেচার আসছে’।
ড. শহীদ ইকবাল
‘চিহ্ন’ নামে সাহিত্য পরিবারের সংগঠক  ড. শহীদ ইকবাল। তাঁর গবেষণাধর্মী কিছু গ্রন্থের নামÑ ‘আখতারুজ্জামান ইলিয়াস : মানুষ ও কথাশিল্পী’, ‘বাংলাদেশের  উপন্যাসে রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধ ও অন্যান্য’, ‘বাংলাদেশের সাহিত্যের ইতিহাস’, মুখশ্রীর পটে’, ‘কালান্তরের উক্তি ও উপলব্ধি; সাহিত্যের চিত্র-চরিত্র’, বাংলাদেশের কবিতার সংকেত ও ধারা’, রবীন্দ্রনাথ : ভারতচন্দ্র ও বিহারীলাল’, ‘বিশ শতকের রূপকথার নায়কেরা’। ‘চিহ্ন’ সম্পাদক।
মোস্তফা তারিকুল আহসান
মোস্তফা তারিকুল আহসানের গ্রন্থের মধ্যে ‘গল্প গল্প খেলা’, ‘কন্টিকিরি রাত’ এবং গবেষণাগ্রন্থ ‘সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য’ অন্যতম। এছাড়াও তাঁর অন্যান্য গ্রন্থÑ ‘মহাপ্রস্থান’, ‘যদিও জাতিস্মর নই’, ‘কয়েকটি বালকদিগের গল্প’ এবং ‘এ দৃশ্য হননের’।
রহমান রাজু
রহমান রাজুর গবেষণা কাজের মধ্যে ‘নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছোটগল্প : বিষয়বস্তু ও শিল্পরূপ’, ‘থিয়েটার বিষয় ও বিন্যাসে’ অন্যতম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ‘চিহ্ন’ পরিবারের অন্যতম সদস্য।
সেলিম রেজা নিউটন
সেলিম রেজা নিউটনের  প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে- ‘নয়া মানবতাবাদ ও নৈরাজ্য’ (২০১৩), ‘বিদ্রোহের সপ্ত স্বর : বিডিয়ার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়’ (২০১০), ‘মিডিয়া পরিবীক্ষণের সহজ পুস্তক’ (২০০৯) উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ‘মানুষ’ ও ‘যুদ্ধ-মিডিয়া- সন্ত্রাস’ সংখ্যা (২০০৪) উল্লেখ করার মতো।
সুস্মিতা চক্রবর্তী
সুস্মিতা চক্রবর্তীর ২০০৪ সালে ‘খোয়াড়ের মেয়ে’ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। কবি সুুস্মিতা চক্রবর্তী ২০০৬ সালে নারী বিষয়ক কাগজ ‘চন্দ্রাবতী’ সম্পাদনার মাধ্যমে লিটিলম্যাগের আন্দোলনে যুক্ত হন।
এম. রুহুল আমিন
এম. রুহুল আমিনের উল্লেখযোগ্য রচিত গ্রন্থ ‘মাজারের সন্ধানে’ ‘পুত্রের প্রতি পিতা’, ‘একজন আলোকিত মানুষ : জীবন ও দর্শন’, ‘নিহত বঙ্গবন্ধু আহত বাংলাদেশ’। 
মিজানুর রহমান
মিজানুর রহমানের রচিত গ্রন্থ ‘বৈরী সময় বিপন্ন স্বদেশ’।
সরকার আলী মঞ্জুর
একজন সফল অনুবাদ সাহিত্যিক হিসেবে সরকার আলী মঞ্জুর গুস্তাভ ফ্লবেয়ারের ‘মাদাম রোভারি’ এবং এমিল জোঁলা’র ‘জার্মিনাল’ ভাষান্তর করেছেন। পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছোটগল্প ‘রণাঙ্গনের আগুন’ এবং কবিতাগ্রন্থ ‘স্বপ্নের আগুন’ রচনা করেন।
মুহাম্মদ তামিজ উদ্দিন
একজন প্রাবন্ধিক, কবি ও লিটলম্যাগ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মুহাম্মদ তামিজ উদ্দিন ‘মুক্তিযুদ্ধে শিবগঞ্জের ইতিহাস’ রচনা ছাড়াও বেশকিছু প্রবন্ধ ও সাহিত্য কাগজ সম্পাদনা করেছেন। তাঁর সম্পাদিত ‘জ্যোতি’ এ অঞ্চলের সাহিত্য চর্চায় অবদান রেখেছে।
মোহাম্মদ কামাল
মোহাম্মদ কামালের ১৯৮৮ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘এখানে অরণ্য ভয়’ প্রকাশিত হয়। ১৯৯৯ সালে প্রকাশ পায় ‘এখানে অরণ্য ভয় ও অন্যান্য কবিতা’। ২০০১ সালে কবি ও আবৃত্তি শিল্পী নাজিম মাহমুদ স্মরণে ‘একটি পদধ্বনি হাজার হয়ে বাজে’ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন।
শফিকুল আলম শফিক
শফিকুল আলম শফিকের কাব্যগ্রন্থ ‘সবুজ অরণ্যে সংলাপ’, ‘ভ্রান্তি বসতে’।
হামিদুল হক
হামিদুল হকের একমাত্র কাব্য সংকলন ‘উপচিতি’তে ১৮০টি সনেট বা চতুষ্পদী কবিতা স্থান পেয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় অনেকগুলি সনেট প্রকাশিত হয়েছিল।
হাসনাত আমজাদ
হাসনাত আমজাদের প্রথম গ্রন্থ ‘মাঠের ছবি ঘাটের ছবি’(২০১৩,ছড়া) । এরপর ‘দেখছি এমন কেন’ (২০১৪, ছড়া), ‘যাই হারিয়ে ছেলে বেলায়’ (২০১৫, কবিতা)।
মালেক মেহমুদ
মালেক মেহমুদের কাব্যগ্রন্থ- ‘একটি রাত রাখো স্বপ্নের ভেতর’, ‘শিখার শাণিত স্বপ্নগাথা’, ‘আজীবন নলিনী মাধব’। ছড়াগ্রন্থ ‘দিন ফুরালো রাত ফুরালো’, ‘প্রেম ও প্রতিবাদের ছড়া’, ‘সূর্য ওঠে গোলাপ ফোটে’।
শামসুল কবির কচি
শামসুল কবির কচির রচিত গল্পগ্রন্থ ‘কচি সমগ্র’ সর্বোচ্চ মহলে প্রশংসিত।
জাকির তালুকদার ( নাটোর ২০ জানুয়ারি ১৯৬৫-)
জাকির তালুকদারের প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ : গল্প-‘স্বপ্নযাত্রা কিংবা উদ্বাস্তুপুরান্থ’(১৯৯৭), ‘বিশ্বাসের আগুন’ (২০০০), ‘কন্যা ও জলকন্যা’ (২০০৩), ‘কল্পনা চাকমা ও রাজার সেপাই’ (২০০৬), ‘রাজনৈতিক গল্প : হা-ভাতভূমি’ (২০০৬), ‘মাতৃহন্তা ও অন্যান্য গল্প’(২০০৭), `The Uprooted Image’  (২০০৮), ‘গল্পসমগ্র-১ম খণ্ড’ (২০১০), ‘যোজনগন্ধা’ (২০১২), ‘বাছাই গল্প’ (২০১৩)। উপন্যাস-‘কুরসিনামা’ (২০০২), ‘হাঁটতে থাকা মানুষের গান’ (২০০৬), ‘বহিরাগত’ (২০০৮), ‘মুসলমানমঙ্গল’ (২০০৯), ‘পিতৃগণ’ (২০১১), ‘কবি ও কামিনী’ (২০১২), ‘ছায়াবাস্তব’(২০১৩)। প্রবন্ধ-‘গল্পপাঠ’ (২০০১), ‘বাংলা সাহিত্যের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ (২০১২), ‘রবীন্দ্রনাথ : রাজা’ (২০১২)। কিশোর সাহিত্য-‘চলনবিলের রূপকথা’ (২০০৪), ‘মায়ের জন্য ভালোবাসা’ (২০১২)। ছড়াÑ‘তিনতিড়ি’ (১৯৮৯), ‘নাইমামা কানামামা’ (১৯৯৫)। সম্পাদনা-‘প্রতিপাঠ: উত্তর আধুনিকতা’ (১ম সংস্করণ ২০০২; ২য় সংস্করণ ২০০৮), ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প’ (২০০৮), ‘নরেন্দ্রনাথ মিত্রের শ্রেষ্ঠ গল্প’ (২০০৮), ‘সুবোধ ঘোষের শ্রেষ্ঠ গল্প’ (২০০৭), ‘আবদুশ শাকুরের শ্রেষ্ঠ গল্প’ (২০০৬), ‘শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প’ (২০০৬), ‘বাংলাদেশের গল্প’ (২০১৩)। অনুবাদ-‘আনা হ্যানা জোহ্যানা- মারিয়ান্নি ফ্রেড্রিকসন’ (২০০৩), ‘হেনরী কিসিঞ্জারের বিচার- ক্রিস্টোফার হিচেন্স’ (২০০৪)। জাকির তালুকদার ইতোমধ্যে- কাগজ কথাসাহিত্য পুরস্কার-২০০১, ঘরোয়া সাহিত্য সম্মাননা- ২০০৫ (খড়গপুর, পশ্চিমবঙ্গ), মহারানী ভবানী সাহিত্য পদক- ২০০৮, বগুড়া লেখক চক্র পুরস্কার-২০০৯, চিহ্ন সম্মাননা (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)-২০১১, জেমকন সাহিত্য পুরস্কার-২০১২ প্রাপ্ত হয়েছেন।
মামুন হোসাইন
মামুন হোসাইনের প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যেÑ‘নিক্রপলিস’, ‘যুদ্ধাপরাধ ও ভূমি ব্যবস্থার অস্পষ্ট বিজ্ঞাপন’, ‘হাসপাতাল বঙ্গানুবাদ’, ‘কর্নেল ও কিলিং বিষয়ক এন্ডগেম’ উল্লেখযোগ্য।
আমিনুল ইসলাম (২৯ ডিসেম্বর ১৯৬৩-)
আমিনুল ইসলামের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ- ‘তন্ত্র থেকে দূরে’(২০০২), ‘মহানন্দা এক সোনালি নদীর নাম’ (২০০৪), ‘শেষ হেমন্তের জোছনা’ (২০০৮), ‘কুয়াশার বর্ণমালা’ (২০০৯), ‘পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি’ (২০১০), ‘স্বপ্নের হালখাতা’ (২০১১), ‘প্রেম সমগ্র’(২০১১), ‘শরতের ট্রেন শ্রাবণের লাগেজ’ (২০১৩)। ছড়ার বই ‘দাদুর বাড়ি’ (২০০৮), ‘ফাগুন এলো শহরে’ (২০১২)। তাঁর প্রবন্ধের উপর প্রকাশিত বই ‘বিশ্বায়ন বাংলা কবিতা ও অন্যান্য প্রবন্ধ’ (২০০৯) অন্যতম। তিনি ‘রাজশাহী সাহিত্য পরিষদ সাংগঠনিক সম্মান’ (২০০৪), ‘বগুড়া লেখক চক্র স্বীকৃতি পুরষ্কার’ (২০১০), ‘শিশুকবি রকি সাহিত্য পুরস্কার’ (২০১১) এবং ‘জাতীয় সাহিত্য পুরস্কার’ ২০১২ (চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা শাখা)’ অর্জন করেছেন।
মনজু রহমান
মনজু রহমানের দীর্ঘযাত্রায় পাঁচটি কাব্য গ্রন্থ নির্মাণ করেছেন- ‘জলের নূপুর’ (১৯৯৪),‘ জয়তি’, ‘কতোকাল আলো দেখেনি মানুষ’ (২০০৯), ‘কঙ্ক ও আমার একবিন্দু জল’ (২০১১), ‘উড়াই খয়েরি বোতাম’ (২০১২), ‘জল ও বৃক্ষ’ এবং ‘চন্দ্রবিন্দু তোমাকে’ (২০১৩)। তাঁর সম্পাদিত লিটল ম্যাগাজিন ‘এ্যালবাম’, ‘পাণ্ডব’ এবং ‘টোঙ’।
লোকমান হোসেন
লোকমান হোসেনের কাব্যগ্রন্থ ‘শিশিরে রক্তকণা’ এবং গল্পগ্রন্থ ‘ধ্বস নামে নদীর বাঁকে’।
খোকন তালুকদার
সাহিত্য সংগঠক মুক্তসাহিত্য সমাবেশের সদস্য সচিব খোকন তালুকদার ১৯৮৩ সালে ‘ছলিম কাহিনী’ নামে গ্রন্থ প্রকাশ করেন । ১৯৯৯ সালে এন্ড্রু অলক দেওয়ারির সাথে যৌথভাবে তাঁর প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘কয়েকটি কলাম’ প্রকাশিত হয়। নিজস্ব একটি পত্রিকা ‘স্কেচ’ সম্পাদনা করেন।
নাসরিন রহমান
নাসরিন রহমানের ‘বনলতা সাহিত্য গোষ্ঠি’ নামে একটি নারী ভিত্তিক সাহিত্য সংগঠন রয়েছে। এছাড়াও ‘বনলতা’ নামে তাঁর একটা প্রকাশনা সংস্থাও রয়েছে।
রাবেয়া হক মায়া
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা কবি রাবেয়া হক মায়ার রচিত কাব্যগ্রন্থ- ‘নসিমনের বোবা কান্না’ ও ‘শেষের বেলায়’।
জি. এম হারূন
জি. এম হারূন চাকুরী সূত্রে এসে রাজশাহীর বাসিন্দা। তিনি অর্ধ শতাধিক কবিতা, ছড়া ও গল্প গ্রন্থের প্রণেতা। তাঁর সম্পাদিত লিটিলম্যাগ ‘তূণ’।
সরদার সাইফুল ইসলাম (১১ এপ্রিল ১৯৫০-)
সরাদার সাইফুল ইসলাম কবিতা, ছড়া ও লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘একাদশী ১৯৬৯’(কাব্য-১৯৭০), ‘অস্তিত্বে স্বরাগাম’(কাব্য-১৯৭৭), ‘ডিগবাজি’(ছড়া-২০০০), ‘মগের মুলুক’(ছড়া)।
আসাদুজ্জামান খোকন
আসাদুজ্জামান খোকন বেশ ক’টি গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন- ‘অতল জলের ঝিনুক’ (২০০৫), ‘জমা রাখি জন্মান্তর’ (২০০৮), ‘দরজা খোলো মেঘ’ (২০০৯), ‘অনির্বাণ আন্দ্রধ্বনি’ (২০১১), ‘যে নদী নৈঃশব্দের নাম’ (২০১৩)। তাঁর কিশোর কাব্য ‘পা বাড়িয়ে পথ হারিয়ে’ (২০১২)।
কামরুল ইসলাম
কামরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ ‘দ্বিধান্বিত সুখে আছি জমজ পিরিতে’ (১৯৯৯), ‘ঘাসবেলাকার কথা’ (২০০১), ‘যৌথ খামারের গালগল্প’ (২০০৬), ‘সেইসব ঝড়ের মন্দিরা’ (২০০৮), ‘চারিদিকের শব্দের লীলা’ (২০১০),‘অবগাহনের নতুন কৌশল’ (২০১১)। তাঁর প্রবন্ধ গ্রন্থ- ‘কবিতার বিনির্মাণ ও অন্যান্য’ (২০০৯), ‘রবীন্দ্রনাথ : বিচিত্রের দূত’ (২০১৩)।
সিরাজুদ্দৌলাহ বাহার
সিরাজুদ্দৌলাহ বাহার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থ ‘তালপাতার বাঁশি’ (যৌথ ছড়া ১৯৮৩), ‘শেষ উৎসব হোক’ (যুগলবন্দি কবিতা ১৯৮৫), ‘ও হাওয়া ও আদম’ (১৯৮৭), ‘খুকু আর ফেব্রুয়ারি’ (১৯৮৯), ‘যমুনায় ভোর আসে’ (২০০১), ‘কেউ একজন বলছে তোমাকে’(২০০৯), ‘কাঁটাতারের এপার থেকে’ (২০১১), ‘রাজশাহীর হৃদয় থেকে’ (যৌথ সম্পাদিত কবিতা ১৯৯০), পূর্বজন্মের কবিতা (২০১৭)।
শিমুল মাহমুদ
শিমুল মাহমুদের কাব্যগন্থ- ‘মস্তিঙ্কে দিনরাত্রি’, ‘সাদা ঘোড়ার স্রোত’, ‘প্রকৃত ঈশ্বর’, ‘জীবাতবে ন মৃত্যবে’, ‘কন্যাকমলসংহিতা’। গল্পসংকলন- ‘ইলিশ খাড়ি ও অন্যান্য গল্প’, মিথ মমি অথবা অনিবার্য মানব’, ‘হয়তো আমরা সকলেই অপরাধী’, ‘শীলবাড়ির রায়ত কাহিনী’। প্রবন্ধগ্রন্থ- ‘কবিতা শিল্পের জটিলতা’
সালিম সাবরিন
সালিম সাবরিনের গবেষণা গ্রন্থ-‘আধুনিক ভাষাতত্ত্বের প্রসঙ্গ ও প্রকৃতি’ (১৯৯৮), ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাসহিত্যে ব্রাত্যজীবন’ (১৯৯৯), ‘ভাষা, জাতি ও জাতীয়তা’ (২০০১), ‘কথাসাহিত্যের সমাজতত্ত্ব’ (২০০৭)। এছাড়াও দুটি কাব্যগ্রন্থ- ‘দুমুখো ঈগলের কোলাজ’(১৯৯৫) এবং ‘নদীমহলের জার্নাল’ (২০০৯), ‘যে পৃথিবী জেগে থাকে ঘুমের ভেতর’ (২০১৪)।
সেলিনা জামান
সেলিনা জামানের কাব্যগ্রন্থ- ‘শুধু তোমার জন্য’ (১৯৯৮), ‘ভালোবাসার বসবাস’ (২০০০), ‘বৃষ্টি তোমাকে দিলাম’ (২০০৪), ‘খোলা জানালা’ (২০০৮), গল্পগ্রন্থ- ‘ছায়াসূর্য’(২০০৬)। নিবন্ধ- ‘সময় অসময়ের কথা’ (২০০৮)। সম্পাদনা লিটিলম্যাগ ‘সমীক্ষণ’ ও ‘অনুরণন’। এ ছাড়াও যৌথ প্রকাশনায় আঠারোটি গ্রন্থ রয়েছে। 
কামরুল বাহার আরিফ 
সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠক কবি কামরুল বাহার আরিফ এর কাব্যগ্রন্থ ‘সূর্যের ম্যাপ ছুঁয়ে’, ‘গোধূলির পাণ্ডু নীলিমায়’, ‘কে ডাকে আগুন পথে’, ‘বর্ষা তো জলের বর্ণ’, ‘রাঙা রোদ ছুঁয়েছে পৌষের শরীর’। ‘মৃদঙ্গ’ ছাড়াও তাঁর সম্পাদনায় ‘সময়ের কাছে’ বিশেষ বিশেষ দিবসে অনিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়।
মনিস রফিক
মনিস রফিক ‘বরেন্দ্রী’ সাহিত্য ইতিহাস বিষয়ক পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশনায় যাত্রা শুরু করেন। তাঁর সম্পাদিত আরেকটি লিটিলম্যাগ ‘তবুও বাঁশি’। তিনি ‘ক্যামেরায় পেছনের সারথি’, চলচ্চিত্র বিশ্বের সারথি এবং ‘গৌতম ঘোষের চলচ্চিত্র’ নামক চলচ্চিত্র বিষয়ক গ্রন্থ এবং অনেকগুলি ডকুমেন্টারি তৈরি করে খ্যাতি অর্জন করেন। ২০১৩ সালের বইমেলায় চলচ্চিত্রের মেধাবী নির্মাতা প্রয়াত তারেক মাসুদের উপর লেখা ‘তারেক মাসুদ : চলচ্চিত্রের আদম সুরত’ এবং 'The Screenplay of Ritwik Ghatak's Titas Ekti Nadir Nam'  প্রকাশিত হয়।
কামরুজ্জামান গোপন
বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক কামরুজ্জামান গোপনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘পলল জোছনায় গোধূলির নদীর গান’ (২০১২), দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘বালি বেদনার শিল্প’ (২০১৩)। এছাড়াও তাঁর একটি ছড়াগ্রন্থ ‘লাল মোরগের ঝুটি’ (২০১৩)।
অনুপম হাসান
অনুপম হাসানের প্রকাশিত গবেষণাগ্রন্থ ‘বাংলাদেশের কাব্যনাটক : বিষয় ও প্রকরণ’ (বাংলা একাডেমী, ২০১০), ‘শেখ হাফিজুর রহমানের কবিতা : প্রকৃতিমগ্ন প্রণয়ের দ্রোহানলে বাংলার মানচিত্র’ (২০১২), ‘ষড় কবি প্রসঙ্গ : জীবনানন্দ দাশ থেকে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ (২০১৩), ‘আরিফুল হক কুমারের কবিতা অনুষদ-প্রসঙ্গ (২০১৩)। নাট্যপ্রসঙ্গ : মমতাজউদদীন আহমদ, আবদুল্লাহ আল-মামুন, সেলিম আল দীন। সম্পাদিত গ্রন্থ : প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিতা’, (২০১২), ‘কৃষ্ণকুমারী মাইকেল মধুসূদন দত্ত’ (২০১২), ‘বাংলাদেশ এবং বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি’, ‘প্রাচীনকাল থেকে ২০০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত’ (২০১৩, যৌথ সম্পাদনা)। 
আনারুল হক আনা
আনারুল হক আনার প্রকাশিত প্রথম রচনা ছোট গল্প ওরা বেঁচে আছে। গল্পটি মোস্তফা আনোয়ার সম্পাদিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখ্শ হল বার্ষিকী (১৯৯১)তে প্রকাশিত হয়। তাঁর গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘রাজশাহী মহানগরীর কথা’(১ম সংস্করণ ২০০৪, ২য় সংস্করণ ২০০৭), ‘বাংলাদেশের হরিজন ও দলিত জনগোষ্ঠী’ (ফেব্রুয়ারি-২০১৬)। উপন্যাস ‘অনুভূতি’(১৯৯৭),‘এতদিন খুঁজেছি যারে’ (১৯৯৯), ‘রাতের পুরুষ’ (দৈনিক সোনার দেশ ঈদ সংখ্যাÑ২০১৩), ‘শেফালি’(রাজশাহীর স্থানীয় ভাষার সংলাপে উপন্যাস, দৈনিক সোনার দেশ ঈদ সংখ্যা ২০১৫), ‘না’(দৈনিক সোনার দেশ ঈদ সংখ্যা ২০১৬)। এছাড়াও প্রকাশিত প্রবন্ধ, ছোট গল্প, অপ্রকাশিত উপন্যাস, প্রবন্ধ, গল্প লিখেছেন।
চন্দন আনোয়ার
চন্দন আনোয়ারের গল্পগ্রন্থ- ‘প্রথম পাপ দ্বিতীয় জীবন’ (২০১০), ‘অসংখ্য চিৎকার’ (২০১২), ‘পোড়াবাড়ি ও মৃত্যু চিহ্নিত কণ্ঠস্বর’(২০১৩)। উপন্যাস ‘শাপিত পুরুষ’ (২০১০)। প্রবন্ধগ্রন্থ- ‘নজরুল সাহিত্য : প্রসঙ্গ প্রেম (২য় সং ২০০৯), ‘বাংলা ছোটগল্প ও তিন গোত্রজ গল্পকার : মানিক-হাসান-ইলিয়াস’ (২০১২), ‘বাঙালির চিন্তাবিভূতি: সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধ‘ (২০১২), ‘উজানের চিন্তক হাসান আজিজুল হক’ (২০১২)। সম্পদিত গ্রন্থ- ‘গল্পপঞ্চাশৎ : শূন্যদশকের গল্প’ (২০১৩)। সম্পাদিত গল্প ও গল্পভাষ্যের কাগজ ‘গল্পকথা’।
হাসান রাজা
হাসান রাজার প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় ‘অমৃতে বারুদের গন্ধ’, ‘আত্মদর্শন’ ও ‘অহি’। এছাড়াও রয়েছে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক দর্শনের উপর গ্রন্থিত ‘লালন দর্শন’, ‘জিহাদ দর্শন’, ‘কোরান শব্দ সংজ্ঞা (১-২)’, ‘সুরা ফাতেহা’ এবং ‘আয়াত-উল কুরসী’ (তফসির)। তাঁর সম্পাদিত ছোট কাগজ ‘শিল্পলোক’ এবং ‘আত্মদর্শন’।
ফৌজিয়া ইয়াসমিন
ফৌজিয়া ইয়াসমিনের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ- ‘ঘুঘু ও পেঁচা উপাখ্যান’ এবং উপন্যাস- ‘খতিয়ান মিলিয়ে দেখা’।
শামীম হোসেন
শামীম হোসেন ‘বরেন্দ্র প্রান্তরে বসন্ত নামে’ (২০০৭), ছড়াগ্রন্থ ‘এক তুড়ি ছয় বুড়ি’ (২০০৮), ‘পাখি পাখি ভয়’ (২০১১), ‘উপমাংসের শোভা’ (২০১২),‘শীতল সন্ধ্যা গীতল রাত্রি’ (২০১৩), ‘ধানের ধাত্রী’ (২০১৫), ‘ডুমুরের আয়ু’ (২০১৭), ‘গাছভাই নাচভাই’ (২০১৭) কাব্য গ্রন্থের জনক। তাঁর সম্পাদিত ছোটকাগজ ‘নদী’। ‘ধানের ধাত্রী’ কাব্য গ্রন্থের কৃতিত্বের জন্য তিনি ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০১৫’ অর্জন করেন। ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ঢাকার জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এক লাখ টাকার প্রাইজমানিসহ তাঁকে সংবর্ধিত করে কালি ও কলম। ২০১৭ সালের ১০ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে তাঁকে ‘বিশাল বাংলা সম্মাননা পুরস্কার ২০১৭’ প্রদান করা হয়। ‘ডুমুরের আয়ু’ কাব্য গ্রন্থের জন্য তিনি এ পুরস্কার পান। 
মাহী ফ্লোরা
মাহী ফ্লোরার প্রথম কাব্যগন্থ ‘সে এক আশ্চর্য জলপ্রপাত’ (২০১২)। দ্বিতীয় ও তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ যথাক্রমে ‘চন্দ্রহারা মানবীর চুল থেকে জল ঝরে’ (২০১২), ‘সবুজ বোতাম এবং অন্যান্য’।
তৌহিদ ইমাম
তৌহিদ ইমামের কাব্যগ্রন্থ- ‘একটি জীবন কৃষ্ণপক্ষ’ (২০১২)। 
সুমন শামস
সুমন শামসের কাব্যগ্রন্থ ‘তিথির অতিথি’ (২০০৯), ‘একটি তারার নিচে ভীষণ রাত’ (২০১২), ‘কবির অক্ষরে লেখা ছিল না’ (২০১২), ‘বাউলা তোমার বায়োস্কোপ’ (২০১৩)।
সাবরিনা আনাম
সাবরিনা আনামের ‘গোধূলিবেলা’ উপন্যাস ছাড়াও গবেষণামূলক প্রবন্ধ ও গল্প পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
মোজাফ্ফর হোসেন
জন্ম কুষ্টিয়া হলেও তাঁর সাহিত্যের বিকাশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা জীবনে। তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘দ্বিধা’ (২০১১), ‘আদিম বুদবুদ অথবা কাঁচা মাটির বিগ্রহ’(২০১৩)। সম্পাদিত সাহিত্যকাগজ ‘শাশ্বতিকী’। 
জাহানারা চৌধুরী 
বৃটিশ আমলে বিশেষত পত্রিকা সম্পাদনায় মনাকষার জাহানারা চৌধুরীর নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি ‘রূপরেখা’ (১৩৩৯) ও ‘বর্ষবাণী’ (১৩৪০) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। ‘ছায়াবীথি’ নামে আরও একটি পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করতেন। 
জোবেদা খাতুন 
জোবেদা খাতুন রচনা করেন ‘বাহাদুরাবাদ ঘাটের কুলি’। 
কবিতা দত্ত
কবিতা দত্ত লিখেন ‘এলো ঐ আহ্বান’, ‘আমি যখন কৃষকবধূ হয়ে’। 
শামসুন্নাহার বকুল
রাজশাহীর কাজীহাটার শামসুন্নাহার বকুল একাধিক উপন্যাস ও ধর্মগ্রন্থের লেখিকা। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘ঢেউয়ের পর ঢেউ’ ড. সুবোধ সেন গুপ্তের ভূমিকাসহ ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘সিক্ত আঁখি’ ১৯৬১। 
মোহসেনা কায়ুম 
মোহসেনা কায়ুম রচিত ‘অচিরাচরিত’ উপন্যাস ১৯৫৩ সালে প্রকাশ পেয়েছিল। 
মাফরুহা চৌধুরী
চাকরাইলের কবি তালিম হোসেনের সহধর্মিণী মাফরুহা চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে একটি স্মরণীয় নাম। তিনি অনুবাদ, ছোটগল্প এবং সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ স্বাক্ষর রেখেছেন। 
খান সাহেব মোহাম্মদ আফজাল (১৮৯৫-১৯৭৫, রাণীনগর, নওগাঁ)
খান সাহেব মোহাম্মদ আফজাল ‘ইসলামী নাম’ এবং ‘আজমীর পথে’ গ্রন্থ রচনা করে প্রসিদ্ধ লাভ করেন।
মীর আজিজুর রহমান (রাজশাহী, মৃত্যু জুলাই ১৯৭৮)
মীর আজিজুর রহমানের ‘মাস্তানা’(১৯৪০) সুফি-চেতনার প্রতিবিম্ব। তিনি মঈন উদ্দীন চিশতির দিউয়ান-এর বঙ্গনুবাদ করেছিলেন (১৯৪২)। রবীন্দ্রনাথ কবির মাস্তানা পাঠ করে প্রশংসাবাণী পাঠিয়েছিলেন। 
জ্ঞানেশচন্দ্র গুপ্ত 
জ্ঞানেশচন্দ্র গুপ্ত (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) ‘ভীষ্ম’, ‘পৌরাণিক উপখ্যান’ ছন্দে গীতার অনুবাদ প্রকাশ করেছিলেন। এ গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছিলেন রায়বাহাদুর দীনেশচন্দ্র সেন। তাঁর ‘রামকৃষ্ণলীলা’ সম্ভবত অপ্রকাশিত। 
এসএম ইসহাক আলী 
এসএম ইসহাক আলীর ‘কোরানের কাহিনী’ (১৩৫৬), ‘পয়গম্বর সহধর্মিনী’ (১৯৫২), ‘হজরত সোলায়মান’। 
মুহাম্মদ গোলাম মোয়াযযাম 
মুহাম্মদ গোলাম মোয়াযযাম-এর গ্রন্থ ‘কোরানে বিজ্ঞান’। 
খোন্দকার আকতার আলী 
খোন্দকার আকতার আলীর ‘হজরত শাহ মখদুম ও মহাকালগড়ের ইতিহাস’ (১৯৬৮)। 
মোহাম্মদ আবদুল হামিদ 
মোহাম্মদ আবদুল হামিদের গ্রন্থ ‘সহজ আমপারা’ (১৩৭৬ হিজরি)। 
মোহাম্মদ আবদুল খালেক 
মোহাম্মদ আবদুল খালেকের গ্রন্থ ‘তৌহিদ সাগর’ (১৯৭৬ খ্রি.)।
মুহম্মদ হাসান ইমাম 
মুহম্মদ হাসান ইমামের গ্রন্থ  এখানে নৈরাজ্য, ওখানে নরক।
অ্যাডভোকেট মহসীন খান (১৯৩৬, রাজশাহী-) 
রাজশাহীর খ্যাতনামা আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন খান সমাজ সেবায় নিজেকে সংশ্লিষ্ট রাখলেও খুব লেখালেখি করেন না। তিনি ‘ঠিকানা যখন মুগবেলাই’ (২০১১) নামে মাত্র একটি গ্রন্থ লিখেছেন তাঁর পূর্ব পুরুষের বাস্তুভিটাকে অবলম্বন করে।
মাহফুজুর রহমান আখন্দ (২৮ডিসেম্বর ১৯৭২ গাইবান্ধা-) 
মাহফুজুর রহমান আখন্দ পড়া ও কর্মসূত্রে রাজশাহীবাসী। গবেষণা,কবিতা,গান রচনায় উল্লেখযোগ্য কর্ম সাধন করছেন। তাঁর প্রকাশিত গবেষণা গ্রন্থ রোহিঙ্গা সমস্যা: বাংলাদেশের ইতিহাস (২০১৩), সমকালীন বিশ্বে মুসলিম সংখ্যালঘু (২০১৪), ছড়াগ্রন্থ ধনচে ফুলের নাও (২০০৭), পদ্মাপাড়ের ছড়া (যৌথ, ২০০৪), মামদো ভূতের ছাও (২০০৮), স্বপ্নফুলে আগুন (২০০৯), ছড়া মাইট (যৌথ, ২০১১), জ্বীন পরী আর ভূতোং (২০১৪)৬০৩ , মনটা অবুঝ পাখি (২০১৭) ইত্যদি। 
একেএম কায়সারুজ্জামান (৩০ জুন ১৯৬১)
একেএম কায়সারুজ্জামান স্থানীয় ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ রচনা ও লেখালেখিতে নিরলস আছেন। তাঁর প্রথম গ্রন্থ একজন যোদ্ধা রহমতুল্লাহ বাঙ্গালী ২০১৬ সালে একুশের বইমেলায় হরিটেজ রাজশাহী ও রাজশাহী জেলা সমিতি, ঢাকা যৌথভাবে প্রকাশ করে।
খোন্দকার এনামুল হক (১ এপ্রিল ১৯৫৪)
খোন্দকার এনামুল হকের গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘উৎস সন্ধানে’ ২০১৩ সালের একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হয়।
ইমরুল কায়েস তপন (২৩ এপ্রিল ১৯৬৯-)
ইমরুল কায়েস তপন রাজশাহী আর্ট কলেজের শিক্ষক। তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ তোমার আসন শূন্য আজি (পণ্ডিত রঘুনাথ দাস স্মানকগ্রন্থ) ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়।
ইয়ার মোহাম্মদ 
ইয়ার মোহাম্মদের জন্ম রাজশাহী কোর্টের দুই কিলোমিটার পূর্ব পাশে হাড়ুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ দুটি উপন্যাস ‘সময়ের প্লাবনে’ (১৯৯৫), ও ‘কবিতার অমলিন তুমি’ (১৯৯৮)।
সোহেল রানা জীবন
সোহেল রানা জীবন বুকলিট আকারের ঝরা ফুল (২০০১), জীবনের স্বপ্ন ভূমি (২০০৫), ইরিন, গানের দেশ, কমলের দেশ প্রভৃতি নামে কাগজ প্রকাশ করে থাকেন। এ সব কাগজে প্রধানত কবিতা লিখেন। প্রবন্ধ লেখার প্রচেষ্টাও দেখা যায়।
রওশাতুল রিয়া (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮-)
শিশুতোষ নাটক ও গল্প লেখক। প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস নিভৃত নির্জনে (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। 
ইতি রহমান (১০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬-)
পূর্ব পুরুষের আদি নিবাস বগুড়া। পিতা সাংবাদিক শাহ আনিসুর রহমানের কর্মসূত্রে কবি ইতি রহমানের জন্ম জয়পুরহাট। জন্মের ২ বছর পর থেকেই রাজশাহীতে বসবাস। প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ইচ্ছে করে আকাশ ছুঁই (একুশে বইমেলা ২০১৫)। 
মো. ফজলুল হক (২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ খোজাপুর রাজশাহী-)
কবি মো. ফজলুল হকের মহানবী স্মরণে ‘কথামালা’ (জানুয়ারি ২০১৬) নামে একটি কাব্য গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
রাজশাহী মহানগরী ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য-গবেষণায় আছেন এমন অনেক মানুষের সন্ধান পাওয়া যায়। যেমন- ড.আব্দুর রহীম খোন্দকার, ড.মুহম্মদ মজির উদ্দীন মিয়া, ড.একেএম আতাউর রহমান, ড.জহিরুল হক, ড.রশীদুল আলম, ড.আসাদুজ্জামান, ড.চৌধুরী সারওয়ার জাহান সজল, রাশেদা খালেক, ড.আলী রেজা মুহা. আব্দুল মজিদ, ড.আব্দুল মান্নান সরকার, সৌভিক রেজা, মাহবুব অনিন্দ (পত্রিকা : আরশিনগর), কাজী মামুন হায়দার (পত্রিকা : ম্যাজিক লণ্ঠন), উদয় শংকর বিশ্বাস, অনুপম হীরা মণ্ডল, হাবিব জাকারিয়া, কাজী শুস্মিন আফসানা অন্যতম, রোকেয়া রহমান, মোফাজ্জল করিম, শাহবুদ্দীন নাগরী, ফেরদৌস হাসান রানা, সরকার মাসুদ, কুমার চক্রবর্তী, জুয়েল মোস্তডাফিজ, আলমগীর মালেক, শামীমুল হক শামীম,  আবুল কালাম মোহাম্মদ আজাদ,  মজিদ-উল-মানিক, জোহা এমএম হোসেন, নূরুল ইসলাম, ফারুক আহম্মদ, আমজাদ আলী, মোস্তাক রহমান, আতাউল্লাহ রনু, হাবিবুল্লাহ, সুজলা ইসলাম, সরদার সাইফুল ইসলাম, জামাল দ্বীন সুমন, শফিক আজিজ, প্রত্যয় হামিদ, যোবায়ের শাওন, তারিক স্বপন, নাজিম খোকন, ওয়ালিউল ইসলাম, ওয়ালিউর রহমান বাবু, শাপলা বিশ্বাস, শেখর হিমাদ্রি, অসীম কুমার সরকার, আজম মাহমুদ, শিবলী নোমান, মহসীন মোসাদ্দেক, রেফাজ উদ্দিন বাবলু, মঞ্জুর রহমান বাবু, এসএম মঞ্জুর রহমান, তুলি রহমান, জাহান আলী, এম. আমজাদ আলী, কালাম উল্লাহ ছানা, রুবিনা আনিস, মোস্তাক রহমান, বুলবুল জামান, মঞ্জুর রহমান বাবু, জামাল দ্বীন সুমন, নিরমিন শিমেল, ওয়ালী উল ইসলাম, ইশতিয়াক আলম, জন কিসকু, জাইদুর রহমান, আসাদুল্লাহ মাসুদ হাসান, মঈন শেখ, মতিউর রহমান, মাসউদ আহমাদ, মুসতাফা বিন জামসেদ, মোহাম্মদ হাসিবুল্লাহ, হারুণ অর রশিদ সরকার, আসাদুল্লাহ আল নোমান, আব্দুল আওয়াল মাসুম, আফজালুল বাশার, আমির আব্দুল্লাহ কায়উম, নূরুস সা‘দাত, আলী আজহার, সোয়াইব হোসাইন, আব্দুস শাকুর তুহিন, কাজী শোয়েব শাবাব প্রমুখ।