ফিরে যেতে চান

ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি ১৯৮৩ সালে ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নামে রাজশাহীতে কার্যক্রম আরম্ভ করে। ১৯৮৭ সালে দিনাজপুরেও অনুরূপ একটি কেন্দ্র স্থাপিত হয় এবং ১৯৯৭ সালে ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিবর্তিত হয়ে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি নামকরণ হয়। মসজিদের ইমামগণকে প্রশিক্ষণ প্রদান এ একাডেমির প্রধান কাজ। এছাড়া সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ভূমিকা পালন করে। এ উদ্দেশ্যে কৃষি, মৎস্য চাষ, প্রাথমিক চিকিৎসা, পরিবার কল্যাণ, হাঁস-মুরগি পালন, বৃক্ষরোপণ, গবাদি পশু চিকিৎসা, গণশিক্ষা, ইসলামিয়াত, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।২৮০ ইমামদের মাধ্যমে জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তাবয়ন করা হয়। একই উদ্দেশ্যে বন্যা ও দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ ও মোকাবেলা ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। 

ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি (দক্ষিণমুখী) এবং তার দেয়ালে স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনের শিলালিপি

১ জন উপপরিচালক, ১ জন সহকারী পরিচালকসহ ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির জনবল সংখ্যা ২৪ জন। 
পূর্বে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি নগরীর তেরখাদিয়ার সেনানিবাস সড়কের একটা বাড়িতে হতো। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পাঁচতলা পরিকল্পনা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে। পাঁচতলা ভবনের মোট আয়তন ৩৪ হাজার ৯ শত ৫১ বর্গফুট। আপাতত দুইতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। মেয়র মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৪ তারিখে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও ১ অক্টোবর ২০০৬ তারিখে এর উদ্বোধন করেন।২৫৯
ইসলামিক মিশন : রাজশাহী মহানগরীতে ইসলামিক মিশন নাই। তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের বিভাগীয় কার্যালয়ের অধীনে দিনাজপুর জেলায় ২টি এবং চাঁপাই নবাবগঞ্জ, বগুড়া, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামে ১টি করে মোট ৮টি মিশন ছিল। মিশনসমূহে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা, সেলাই ও কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান, যাকাতের অর্থে সেলাই মেশিন বিতরণ এবং কেন্দ্রভিত্তিক ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ও গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। বর্তমানে বিলুপ্ত।