ফিরে যেতে চান

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

১৯৭৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর পূর্ব নাম ইসলামী সংস্কৃতি কেন্দ্র। এ নামেই ১৯৭৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। কার্যক্রমের সূচনায় ছিল বিক্রয় কেন্দ্র ও গণপাঠাগার। পাঠাগারটি বিভাগীয় কার্যালয়ের সঙ্গে এখনও বিদ্যমান। তবে প্রতিষ্ঠানটির নাম ও স্থানের পরিবর্তন ঘটেছে। ১৯৮৫ সালের ১ জুলাই ইসলামী সাংস্কৃতি কেন্দ্রের পরিবর্তে হয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। সূচনাকালের অবস্থান ছিল উপশহর দড়িখরবোনা। ১৯৮১ সালে আসে সাহেব বাজার করিম সুপার মার্কেটে। ১৯৮৮ সালে সেখান থেকে চলে যায় হেতমখাঁ বড় মসজিদে। ২০০২ সালের ১ নভেম্বর সেখান থেকে ৪/৪, সিপাইপাড়ায়।
বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় সপুরার শালবাগানে পাঁচতলা বিশিষ্ট নিজস্ব ভবনে অবস্থিত। দরপত্র মোতাবেক এ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৬ সালের জুলাইয়ে এবং শেষ হয় ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে। ভবন নির্মাণে ব্যয় হয় ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ২০১০ সালের ১ জুন সিপাইপাড়া হতে এ ভবনে ফাউন্ডেশনের অফিস স্থানান্তর হয়ে আসে। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ২০১০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করে।২৮৪
বর্তমানে রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় হতে অত্র বিভাগের ৮টি জেলার জেলা কার্যালয়সমূহের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বিভাগীয় কার্যালয়ের জনবলের সংখ্যা ২৭ জন।
জনজীবনে ইসলামী ভাবধারার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এ উদ্দেশ্যে মহানগরীতে পাঠাগার, বুক ক্লাব, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্প, সেমিনার, আলোচনা সভা, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন, শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা প্রভৃতি কর্ম সম্পাদন করে থাকে। 
বিক্রয় কেন্দ্র ও গণ পাঠাগার: ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় কার্যালয়ের সঙ্গেই বিক্রয় কেন্দ্র ও গণপাঠাগারটি সংশ্লিষ্ট। এটা ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৯ তারিখে খোলা হয়। 
মসজিদভিত্তিক পাঠাগার: প্রতিষ্ঠানটি মসজিদভিত্তিক পাঠাগার গঠন শুরু করে ১৯৮০-১৯৮১ অর্থ বছরে। বিভিন্ন মসজিদকে কেন্দ্র করেই মসজিদভিত্তিক পাঠাগারের কার্যক্রম। রাজশাহী মহানগরীতে এ পাঠাগারের সংখ্যা ১৫৪টি। এরমধ্যে বোয়ালিয়া থানায় ৮৪টি, রাজপাড়া থানায় ৩৭টি, মতিহার থানায় ১৮টি ও শাহ্ মখদুম থানায় ১৫টি।২৮৪ 
ইসলামিক বুক ক্লাব: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ মহানগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক ইসলামিক বুক ক্লাবও স্থাপন করেছিল। পরবর্তীতে কর্মসূচিটি বিলুপ্ত করা হয়।