ফিরে যেতে চান

৫নং ওয়ার্ড হোসনে আরা গ্রন্থাগার

৫নং ওয়ার্ড হোসনে আরা গ্রন্থাগার রাজশাহী কোর্ট অঞ্চলের মহিষবাথান উত্তরপাড়ায় অবস্থিত। ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. কামরুজ্জামানের উদ্যোগে গ্রন্থাগারটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা ও রাজশাহী  এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গবেষক ড. তসিকুল ইসলাম রাজা। এর বেতনভুক্ত কোন জনবল নেই। ১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখের তথ্যানুসারে ১ কক্ষ বিশিষ্ট এ গ্রন্থাগারের বইয়ের সংখ্যা ৫৩৭টি। আছে ৩৫ টি চেয়ার, ৪টি টেবিল, ৪টি র‌্যাক, ১টি ফাইল কেবিনেট। নিবন্ধনভুক্ত পাঠক সংখ্যা ২৩৩ জন। গড়ে দৈনিক পাঠকের উপস্থিতি ১০৭ জন। পাঠক নিবন্ধনভুক্ত হতে ফি দিতে হয় না। একজন পাঠক সর্বোচ্চ ১৫ দিনের জন্য বই ধার নিতে পারে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এখানে কাজ করে থাকেন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কার্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গ্রন্থাগারটি পরিচালিত হয়। গ্রন্থাগারটি অন্যত্র স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। ড. তসিকুল ইসলাম রাজার সহধর্মিণী হেলেনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-২ এর সহকারী শিক্ষিকা হোসনে আরা ডেজীর শিক্ষা ক্ষেত্রে সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ হয়েছে।৭৫৪ ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর হোসনে আরা ডেজীর তিরোধান হয়। ড. রাজার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল ১৯৮৩ সালে। ২০১৪ সালের ৫ জুন তিনি অবসরে যান। এ দম্পতির প্রথম সন্তান কন্যা ফাতিমাতুজ জোহরা সেঁওতি বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়া শেষে বর্তমানে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার স্বামী জনির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আছে। জনি বুয়েট থেকে পাসের পর স্কলারশিপ পেয়ে সিডনিতে পিএইচডি করছে। দ্বিতীয় সন্তান পুত্র আমির সোহেল সাফিন ইসলাম বুয়েটে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পাসের পর বর্তমানে ঢাকায় লাফাজ সুরমা সিমেন্ট কোম্পানিতে চাকরিরত।