ফিরে যেতে চান

কিশোর কুঁড়ি পাঠাগার কিশোর কুঁড়ির মেলা (জাতীয় শিশু কিশোর ও যুব কল্যাণ সংগঠন) এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। দৈনিক বার্তাকে কেন্দ্র করে কিশোর কুঁড়ির মেলা সংগঠনের সূচনা ১৯৭৭ সালের ৭ নভেম্বর। পাঠাগারের যাত্রা শুরু হয় ২০০০ সালের পরে কলেজিয়েট স্কুলের বিপরীত পাশে পুরাতন নগর ভবনে। সিটি সেন্টার বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের জন্য পুরাতন সিটি ভবন ভাঙ্গা হলে পাঠাগারটি সোনাদিঘির সিটি কর্পোরেশনের মার্কেটের পূর্বতন বিএনপি অফিসের হল রুমে স্থানান্তরিত হয়। পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. রজব আলী। পাঠাগারটি ইতোমধ্যে সরকারি সহযোগিতা পেয়েছে। বর্তমান পাঠাগারের বইয়ের সংখ্যা ১৭০০ টি। পাঠাগারটি শুত্রু, শনি ও রবিবারৃ খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৫টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। পাঠাগারটি প্রধানত শিশুদের জন্য। শিশুরা প্রতি শুক্রবারে এক সৃপ্তাহর জন্য বই ধার নিতে পারে। অভিভাবকরা পাঠাগারে বসে বই পড়তে পারেন।৫২৯

কিশোর কুঁড়ি পাঠাগারের পাঠকক্ষ (ছবি-জানুয়ারি ২০১৭)

কিশোর কুঁড়ি মেলার আরো কয়েকটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আছে। যেমন-রংতুলি একাডেমি, বিজ্ঞান বিভাগ, ললিত কলা একাডেমি, সঙ্গীত বিভাগ। কিশোর কুঁড়ি বিচিত্রা নামে এর একটি অনিয়মিত পত্রিকা প্রকাশ হয় ।