ফিরে যেতে চান

কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগারের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি

কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগার মহানগরীর ১৪নং ওয়ার্ডে তেরখাদিয়ার ডাবতলা মোড়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। মো. সোহাগ আলী নামক এক তরুণের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় এ পাঠাগারটি তাঁর বাসভবনের একটি কক্ষেই ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি স্থাপন হয়। ‘এসো পড়ি দেশ গড়ি’ শ্লোগানকে সামনে রেখে পাঠাগারটির অগ্রযাত্রা।
৮ মে ২০১২ তারিখে পাঠাগারটি গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত হয়। সোহাগ আলীর নিরলস প্রচেষ্টা, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, স্থানীয় সমাজ হিতৈষীদের সহযোগিতায় পাঠক সেবার পাশাপাশি পাঠাগার আরো কিছু কার্যক্রম নিয়মিত ও অনিয়মিতভাবে পরিচালনা করছে। পাঠাগার বিনামূল্যে শিশুদের প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকে।  এক কক্ষ বিশিষ্ট এ গ্রন্থাগারে আছে কয়েকটি বুক সেলফ, মুক্তিযুদ্ধের চিত্র, কম্পিউটার, রিডিং টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি। বুক সেলফগুলোর নাম দেয়া হয়েছে কবি রবীন্দ্র-নজরুল গ্যালারি, বেগম রোকেয়া গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর গ্যালারি, লালন শাহ গ্যালারি। গ্রন্থের সংখ্যা ৩১২৮ টি। দৈনিক পত্রিকা ৫টি। দেশি-বিদেশি মাসিক সাময়িকী ৫টি। দৈনিক গড় পাঠক সংখ্যা ৩০ জন। গ্রন্থাগারের সাধারণ সদস্য ১২০ জন। শুক্রবার ব্যতীত গ্রন্থাগারটি বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে। গ্রন্থাগার থেকে সেথা নামে একটি অনিয়মিত লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশ হয়।৫২০
এর সম্প্রসারিত কর্মসূচি ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার। এর প্রচারিত লিফলেটে সূচনার তারিখ ২০১৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর উল্লেখ থাকলেও প্রকৃতপক্ষে ১০ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগারের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি চালু করা হয়। পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোহাগ আলী ১৪ নং ওয়ার্ডের সুজাউদ্দৌলা ডিগ্রী কলেজের সামনে আটকোষী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী মোসা. সোহানা ইসলাম হিমুর হাতে বই তুলে দিয়ে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরির বই পড়া কার্যক্রম শুরু করেন। মহানগরীর ৩, ১৪ ও ১৬ নং ওয়ার্ডের তেরখাদিয়া, বিলসিমলা, কয়েরদাঁড়া, উপশহর এলাকায় ভ্রাম্যমান পাঠাগারের কার্যক্রম হয়। মুহাম্মদ ইজহারুল হক ট্রাস্ট নামের একটি বেসরকারি সংস্থা ভ্রাম্যমান পাঠাগার পরিচালনায় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে।৫২০