ফিরে যেতে চান

শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি

শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি (উত্তরমুখী)

শাহ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির বর্তমান অবস্থান রাজশাহী সরকারি মাদ্রসার দক্ষিণ পাশের শাহ্ মখদুম রাস্তার দক্ষিণ পাশে, হযরত শাহ মখদুম রূপোশ (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্র উত্তরে ও রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের পূর্ব পাশে অবস্থিত। তসিকুল ইসলাম সম্পাদিত ১৯৮২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত বার্ষিক মুখপত্র মুখোমুখি পত্রিকায় এ প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ আছে শাহ মখদুম ইনস্টিটিউট ও পাবলিক লাইব্রেরি। ৩ জানুয়ারি ২০১৭ গ্রন্থাগারিকের তথ্যানুসারে, ১৯৮২ সালের পর কোন এক সময় ‘ও’ শব্দটিকে বাদ দিয়ে শাহ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি করা হয়েছে।

শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউটের বর্তমান মাদার বখ্শ হল ও তার ভবনের প্রধান দরজার পাশের শিলালিপি


শাহ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। ২০ ও ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে এবং ৩ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে লাইব্রেরিটির আজীবন সদস্যদের নাম তালিকা ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দের নাম তালিকা ফলকে এর স্থাপন সাল ১৮৯১ সাল লিখে রাখা হয়েছে। এ পত্রিকার ‘শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট পরিচিতি’ প্রবন্ধের তথ্যানুসারে, ১৮৯১ সালে স্থাপিত আনজুমান-ই-ইসলাম একটি জনকল্যাণ প্রতিষ্ঠানের পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তিত রূপ শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট ও পাবলিক লাইব্রেরি। ১৯২৭ সালে আনজুমান-ই-ইসলাম এর নাম পরিবর্তন করে রাজশাহী মুসলিম ক্লাব রাখা হয়েছিল। ১৯২৮-২৯ সালে শাহ্ মখদুম এস্টেট অর্থাৎ হযরত শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.) দরগাহ পাবলিক ওয়াক্ফ এস্টেট ক্লাবটিকে কিছু জমি দান করে। এ বিষয় সম্পত্তি থেকে অর্জিত আয়ে ইমারত নির্মাণ করে এর নাম রাখা হয় মুসলিম ইনস্টিটিউট। ১৯৪৯ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় জিন্নাহ্ ইনস্টিটিউট। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর ইনস্টিটিউটের নাম রাখা হয় শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট ও এর অডিটোরিয়ামের নাম রাখা হয় মাদার বখশ হল।৭৪৭
অন্যান্য গ্রন্থে যে তথ্য পাওয়া যায়, তাতে নাম ফলকে ও মুখোমুখি পত্রিকায় উল্লিখিত স্থাপিত ১৮৯১ সালের সঙ্গে অমিল স্পষ্ট। মুখোমুখি পত্রিকায় ১৮৯১ সালে স্থাপিত ‘আনজুমান-ই-ইসলাম’ নামে যে জনকল্যাণ সংগঠনের কথা উল্লেখ আছে কাজী মোহাম্মদ মিছেরের রাজশাহীর ইতিহাস গ্রন্থে তা পাওয়া যায়, সেখানে সংগঠনটির প্রকৃত নাম ‘আনজুমান হেমায়েতে ইসলাম’। এটা ছিল মুসলিম জনগোষ্ঠী নেতৃবৃন্দের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সমাজের উন্নয়নের লক্ষ্যে জনকল্যাণ ও জনসচেতনতামূলক একটি প্রতিষ্ঠান। আনজুমান হেমায়েতে ইসলাম মুসলমানদের মধ্যে গণজাগরণ সৃষ্টি ও সেবামূলক কাজে উৎসাহিতকরণের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন জেলার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে সভার আয়োজন করতেও দেখা যায়। ফলে রাজশাহী মোহামেডান এসোসিয়েশন বা রাজশাহী মোহামেডান সমিতি, আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম ও পরবর্তীতে দি রাজশাহী মুসলিম ক্লাব প্রতিষ্ঠা লাভ করে। দি রাজশাহী মুসলিম ক্লাবই তৎকালীন মুসলিম সমাজ প্রতিষ্ঠিত প্রথম গণপাঠাগার। প্রকৃতপক্ষে এ ক্লাব প্রতিষ্ঠার পূর্বে রাজশাহী শহরে মুসলমানদের কোন পাবলিক লাইব্রেরিবা গণগ্রন্থাগার ছিল না। এ প্রসঙ্গে গবেষক মাহাবুব সিদ্দিকী তাঁর শহর রাজশাহীর আদিপর্ব গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, “....উল্লেখিত অনেকগুলো সমিতি সংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও তখন মুসলিমদের নেতৃত্বে এই শহরে কোন গ্রন্থাগার গড়ে উঠেনি। বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে গ্রন্থাগার স্থাপনের বিষয়টি শহরের মুসলিম নেতাদের ভীষণভাবে নাড়া দিল। সে সময় মিয়াপাড়ায় ছিল ‘রাজশাহী পাবলিক লাইব্রেরি’ (বর্তমান সাধারণ গ্রন্থাগার) এবং সোনাদীঘির উত্তর-পূর্ব প্রান্তে ‘সমাজসেবক সংঘের’ (সিটি প্রেস ক্লাবের নিচের তলায়) পরিচালিত লাইব্রেরি। এই দুইটি লাইব্রেরিতে মুসলিম পাঠকদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ছিলেন উদাসীন। রাজশাহীতে কবি নজরুলের আগমনের পর মুসলিম সমাজ ভীষণভাবে উজ্জীবিত হলো।’৬৪৪
দি রাজশাহী মুসলিম ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ১৯২৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজশাহী আগমন করেন।৩২৪ কবির আগমন উপলক্ষে বাগধানীর কাচারী প্রাঙ্গণে রাজশাহীর তৎকালীন জেলা জজ চৌধুরী টিআইএম নূরুন্নবীর সভাপতিত্বে একটি সুসজ্জি সভা মঞ্চের আয়োজন করা হয়।
সুতরাং বর্তমান শাহ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি ১৯২৭ সালে ‘দি রাজশাহী মুসলিম ক্লাব’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। প্রধানত এটা ছিল একটি সাংস্কৃতিক সমিতি। সদস্য ছিল দু’শতাধিক। তৎকালীন রাজশাহীর মুন্সেফ ওবায়দুল সোভান সভাপতি, আব্দুল হাকিম সম্পাদক ও চৌধুরী নুরুন্নবী এ সমিতির পৃষ্ঠপোষক মনোনীত হয়েছিলেন। বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের দক্ষিণে টিবি ক্লিনিক সেন্টারে একখণ্ড জমির উপর এ ক্লাবের একটি গৃহ নির্মিত হলে ক্লাবটি সেখানে স্থানান্তর হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালের ২৯ জুন মুসলিম অফিসার ক্লাবে আসে এবং এডিসি আব্দুল জব্বারের উদ্যোগে ও আব্দুল মজিদের প্রচেষ্টায় মুসলিম ক্লাবে মেডিক্যাল স্কুল স্থাপন হয়। আব্দুল মজিদ ছিলেন জেলা প্রশাসক।১
কাজী মোহাম্মদ মিছেরের গ্রন্থে প্রতিষ্ঠানটির শিরোনামে ‘মুসলিম ইনস্টিটিউট বা মুসলিম ক্লাব’ এসেছে। ‘মুসলিম ক্লাব’ নামের পরিবর্তন ঘটে কখন ‘মুসলিম ইনস্টিটিউট’ হলো এ কথা তিনি উল্লেখ করেননি বা সময়টা নির্ণয় করতে পারেননি। তাই পর্যায়ক্রমিক আলোচনায় মুসলিম ক্লাব শব্দ দুটি ব্যবহার করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘বৃহত্তর সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে আব্দুল মজিদ প্রচেষ্টা চালিয়ে অফিসার্স ক্লাব ও মুসলিম ক্লাবকে একত্রিত করে জিন্নাহ্ ইসলামিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।’ মুখোমুখি পত্রিকার তথ্যানুসারে ১৯২৮-২৯ সালে স্থানীয় মখদুম এস্টেট অর্থাৎ হযরত শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.) দরগাহ পাবলিক ওয়াক্ফ এস্টেট ক্লাবটিকে কিছু জমি দান করে। এ বিষয় সম্পত্তি থেকে অর্জিত আয়ে ইমারত নির্মাণ করে এর নাম রাখা হয় মুসলিম ইনস্টিটিউট। অর্থাৎ দি মুসলিম ক্লাব স্থাপনের দুবছর পরই নাম পরিবর্তন করে মুসলিম ইনস্টিটিউট রাখা হয়েছিল। ১৯৪৯ সালে আবারো নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় জিন্নাহ্ ইনস্টিটিউট। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর পরিবর্তিত নাম হয় শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট ও এর অডিটোরিয়ামের নাম রাখা হয় মাদার বখশ হল।৭৪৭ তবে তথ্য প্রামাণিক আকারে উপস্থাপনের জন্য আরো অনুসন্ধানের প্রয়োজন। মাহবুব সিদ্দিকীর শহর রাজশাহীর আদিপর্ব গ্রন্থে রাজশাহীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস প্রবন্ধে ফজর আলি খাঁন (১৮৯৫-১৯৮০) লিখেছেন, ‘১৯৪৮ সালে ইদগাহ ও জিন্নাহ হল মজিদ সাহেব D.M. এর চেষ্টায় স্থাপিত হয়’।৬৮২ এ তথ্য থেকে বলা যায়, ১৯৪৮ সালে ইনস্টিটিউটের একটি হল নির্মাণ করে হলটির নাম জিন্নাহ্্ হল ও ইনস্টিটিউটের নাম জিন্নাহ্ ইনস্টিটিউট রাখা হয়। ইনস্টিটিউটের পুকুরের পশ্চিম পাশে পিলারসহ ভগ্ন গেট ও সিঁড়ি এখনও বিদ্যমান। পিলারে লিখা আছে জিন্নাহ্ মিউনিসিপ্যাল পার্ক। এ পার্কটি নির্মাণে হয়তো রাজশাহী মিউনিসিপ্যালিটি অর্থ ব্যয় করেছিল। একটি পিলারে উদ্বোধক হিসেবে তৎকালীন জেলা প্রশাসক এবং কমিশনারগণের নামও লিখা আছে। পিলারের তথ্যানুসারে পার্কটি নির্মাণের সাল ১৯৭০। 
আব্দুল মজিদের পৃষ্ঠপোষকতায় ইনস্টিটিউটের বৃহৎ কলেবর প্রতিষ্ঠার লক্ষে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দানশীল ব্যক্তিরা সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ করেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইনস্টিটিউটের গ্রন্থাগার ও পাঠাগার, পাঁচ শতাধিক আসন বিশিষ্ট জিন্নাহ্ হল, সাত কামরার এমদাদুল উলম মাদ্রাসা, কোরআন ও হাদিস ক্লাসের একটি কামরা ও খেলাধুলার জন্য দুই কামরার প্যাভিলিয়ন গড়ে ওঠে। ড. মুহম্মদ এনামুলের নেতৃত্বে ১৯৫০ সালে এখানে একটি সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৫১ সালে ইনস্টিটিউটের সাহিত্য পত্র নামে একটি বার্ষিকী প্রকাশিত হয়। রাজশাহী জেলার ডেপুটি কমিশনার পদাধিকার বলে এর সভাপতি থাকতেন।১
স্বাধীন বাংলাদেশে জিন্নাহ্ ইসলামিক শব্দ দুটি পরিবর্তন করে হজরত শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.) নামানুসারে এর নাম হয় শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট এবং রাজশাহীর কৃতী সন্তান মাদার বখ্শের স্মৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে এর অডিটোরিয়ামের নাম রাখা হয় মাদার বখ্শ হল। গ্রন্থাগার পরিচালনা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, পত্রিকা প্রকাশনা, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, সামাজিক কাজ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রভৃতি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এ ইনস্টিটিউট পরিচালনা করতো। ইনস্টিটিউটের আয় সদস্যগণের চাঁদা, সরকারি অনুদান ও নিজস্ব সম্পত্তি।
আব্দুল মজিদের পৃষ্ঠপোষকতায় ইনস্টিটিউটের বৃহৎ কলেবর প্রতিষ্ঠার লক্ষে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দানশীল ব্যক্তিরা সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ করেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইনস্টিটিউটের গ্রন্থাগার ও পাঠাগার, পাঁচ শতাধিক আসন বিশিষ্ট জিন্নাহ্ হল, সাত কামরার এমদাদুল উলম মাদ্রাসা, কোরআন ও হাদিস ক্লাসের একটি কামরা ও খেলাধুলার জন্য দুই কামরার প্যাভিলিয়ন গড়ে ওঠে। ড. মুহম্মদ এনামুলের নেতৃত্বে ১৯৫০ সালে এখানে একটি সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৫১ সালে ইনস্টিটিউটের সাহিত্য পত্র নামে একটি বার্ষিকী প্রকাশিত হয়। রাজশাহী জেলার ডেপুটি কমিশনার পদাধিকার বলে এর সভাপতি থাকতেন।
স্বাধীন বাংলাদেশে জিন্নাহ্ ইসলামিক শব্দ দুটি পরিবর্তন করে হজরত শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.) নামানুসারে এর নাম হয় শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট এবং রাজশাহীর কৃতী সন্তান মাদার বখ্শের স্মৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে এর অডিটোরিয়ামের নাম রাখা হয় মাদার বখ্শ হল। গ্রন্থাগার পরিচালনা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, পত্রিকা প্রকাশনা, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, সামাজিক কাজ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রভৃতি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এ ইনস্টিটিউট পরিচালনা করতো। ইনস্টিটিউটের আয় সদস্যগণের চাঁদা, সরকারি অনুদান ও নিজস্ব সম্পত্তি।
২০ ও ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে লাইব্রেরিটি পরিদর্শন কালে এর প্রবীণ প্রহরী বাঘার নিকট থেকে যে তথ্য পাওয়া যায় তাতে মনে হয়, বর্তমান লাইব্রেরির স্থানে পুরনো একটি ভবন ছিল। এ ভবনে কিছুকাল বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অফিস ছিল। এ অফিসটি এখান থেকে উঠে যাবার পর লাইব্রেরিটি মাদার বখশ হল থেকে এখানে স্থানান্তর হয়। বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অফিস এখানে স্থাপনের পূর্বে অবশ্য  লাইব্রেরিটি এখানেই ছিল। অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে দি মুসলিম ক্লাব/ইসলামিক ইনস্টিটিউট  ও অফিসার্স ক্লাব স্থানান্তর হয়ে বর্তমান লাইব্রেরির বিলুপ্ত ভবনে  এসেছিল। জিন্নাহ্ হল নির্মাণের পর কোন এক সময় লাইব্রেরিটি সেখানে  স্থানান্তরিত হয়েছিল ও ইনস্টিটিউট ভবন বিস্ফোরক পরিদপ্তর অফিসকে ভাড়া দেয়া হয়েছিল। মুখোমুখি পত্রিকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসেবের জায়গায় (ক) নম্বরে উল্লেখ আছে, অডিটোরিয়াম-কাম-লাইব্রেরিভবন। (খ) নম্বরে উল্লেখ আছে, ইনস্টিটিউট ভবন। এ তথ্য মোতাবেক ১৯৮২ সালেও লাইব্রেরিটি শাহ্ মখদুম অডিটোরিয়াম ভবনেই ছিল। ১৯৯০ সালে অডিটোরিয়াম থেকে আবারো ইনস্টিটিউট ভবনে আসে। ১৯৯৭-২০০০ সালে পুরনো ইনস্টিটিউট ভবন ভেঙ্গে বর্তমান ভবনটি নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে লাইর্রেরীর বইয়ের সংখ্যা ১৬০০০টি, দৈনিক পত্রিকা ২৬টি, সাপ্তাহিক পত্রিকা ৩টি। এখানে পত্রিকার সৌজন্য কপি আসে। দৈনিক গড় পাঠক সংখ্যা প্রায় ১০০ জন। লাইব্রেরিটি ২৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। পদাধিকার বলে জেলা প্রশাসক কমিটির সভাপতি। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুল করিম সম্রাট ও গ্রন্থাগারিক কামারা রহিম।৭৫৫