ফিরে যেতে চান

বঙ্গবন্ধু কলেজ (ছবি-২০১১)

সাইন বোর্ডে বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ লিখা থাকলেও প্রকৃত নাম বঙ্গবন্ধু কলেজ। মহানগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার উত্তর অংশে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠা কাল ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ। স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় ১৯৯৪ সালে। কলেজটি স্থাপনের উদ্দেশ্যে ১৯৯৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বেলদারপাড়ায় প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাকের শ্বশুরবাড়িতে কয়েকজন আগ্রহী ব্যক্তির উপস্থিতিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর কলেজ পরিদর্শক মো. শামসুল হক কোরায়শী, মো. আব্দুর রাজ্জাক, এ কলেজের ইতিহাস বিভাগের বর্তমান প্রধান মো. লুৎফর রহমানসহ আরো কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মো. শামসুল হক কোরায়শীকে সভাপতি ও মো. আব্দুর রাজ্জাককে সদস্য সচিব করে একটি সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে ৪৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগপ্রাপ্ত হন। প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন মো. আব্দুর রাজ্জাক। উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান শাখায় ৩৯ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ১৯৯৫-১৯৯৬ শিক্ষাবর্ষে এ কলেজের একাডেমিক যাত্রা শুরু হয়। অধ্যক্ষের বেলদারপাড়া বাসভবনের নিচতলা ও দোতলা ৫ হাজার টাকায় ভাড়া নিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। এ সময় ছোট বনগ্রামের ওসমান আলী ও ওমর আলী নামের দুই ভাইয়ের ঐ মৌজার ২ বিঘা জমি বায়না রেজেস্ট্রি নিয়ে পাঠদানের অনুমতি চেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর নিকট আবেদন দাখিল করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। 
পর্যায়ক্রমে বর্তমান নিজস্ব জমিতে নির্মিত হয় প্রথমে টিনশেড এবং পরে তিনতলা ভবন। একাডেমিক কার্যক্রম উচ্চ মাধ্যমিক থেকে উন্নীত হয় ডিগ্রি পর্যন্ত। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরী শাখার তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সহযোগিতায় কলেজটি এমপিওভুক্ত হয় এবং ২০০১ সালের মাঝামাঝি সময় কলেজটির অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ৫৬ লাখ টাকার একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন লাভ করে। ২০০২ সালে তৎকালীন মেয়র এবং সংসদ সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিনু কলেজ ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ঐ সালেই তিনি ভবনটির উদ্বোধন করেন। বর্তমান গভর্নিং বডির সভাপতি সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশার প্রচেষ্টায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে কম্পিউটার ল্যাবরেটরী স্থাপন করা হয়। তাঁর প্রচেষ্টায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে আইটি ভিত্তিক একাডেমিক ভবন নির্মিত হয়েছে। এছাড়াও এক কোটি টাকা ব্যয়ে আর একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর প্রচেষ্টায় ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষে, ইতিহাস, গণিত ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্স  কোর্স চালু হয়েছে।
বর্তমান এইচএসসিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা চালু আছে । ডিগ্রি কোর্স বিএ, বিএসএস ও বিবিএ। ইতিহাস, ব্যবস্থাপনা ও গণিতে অনার্স পড়ানো হয়। ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১২০০ জন। বেতনভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ৬৫ জন। অধ্যক্ষ জনাব মো. নূরুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মো.কামরুজ্জামান।৬৫৪