ফিরে যেতে চান

শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজ

এ কলেজটি উপশহর হাউজিং এস্টেট এলাকায় উপশহর নিউ মার্কেটের পূর্ব পাশে অবস্থিত। উপশহরের কতিপয় তরুণ ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তির উদ্যোগে কলেজ স্থাপনের জন্য ১৯৯৪ সালের ২৪ জুন প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের যাত্রা শুরু হয়েছিল উপশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় পরিত্যক্ত ভবনে। ১৯৯৫ সালে বর্তমান জায়গাটি হাউজিং এস্টেট স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দলিল মূলে কলেজকে দান করে। জায়গার পরিমাণ ৩১.১৩ কাঠা। এ জায়গায় নির্মিত হয় কলেজের সাতটি কক্ষ। এরপর কলেজটি নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর হয়।
কলেজের প্রথম নাম ছিল হাউজিং এস্টেট মহাবিদ্যালয়। কলেজ পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভাপতি ছিলেন অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। রাজশাহী কলেজের ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইউনুস আলী ১৯৯৪ সালের ৮ জুলাই প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ২৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৫ সালের ১১ জানুয়ারি কলেজটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর অনুমোদন লাভ করে। ১৯৯৪-১৯৯৫ শিক্ষাবর্ষের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরু করে। ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হন। এমপিওভুক্ত হওয়ার পর অধ্যাপক ইউনুস আলী অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসর নেন এবং মো. মনিরুল ইসলাম ১৯৯৮ সালের ২৩ জুলাই দ্বিতীয় অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন।

শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক জিনাতুন নেসা তালুকদার এমপির উপস্থিতিতে ১৯৯৭ সালের কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কলেজ। ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হওয়ার পর কলেজটিকে সরকারিকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়। তাঁর মুখ্য ভূমিকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কলেজটি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতিসূচক একটি পত্র প্রেরণ করে। পত্রের স্মারক নং (পত্র সংখ্যা)- ০৩.০০১.০০০.০০.০০.০৬.২০১৩-৭০ তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৩।৪৪৭ ৮ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারিকরণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন এবং ১৮ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকারি হয়।৫৯৫  কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা উচ্চ মাধ্যমিক ৫৭৫ জন ও ডিগ্রিতে ৩০০ জন।৪৪৮