ফিরে যেতে চান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ

বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ এবং তার ভিত্তি প্রস্তর ও উদ্বোধনের শিলালিপি


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রায় আধ কিলোমিটার দূরে এ বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভটি অবস্থিত। এটি নির্মাণের জন্য উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক ১৯৯৮ সালে সরকারের নিকট সুপারিশ করেন। তারপর পরবর্তী উপাচার্য প্রফেসর এম. সাইদুর রহমান খান ১৯৯৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এখানে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে ১৩টি স্মৃতিসৌধ স্থাপনের জন্য যে প্রকল্প গ্রহণ করে তার আওতায় এ প্রকল্পটিও গৃহীত হয়।১৮৬ ১৬ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখের দৈনিক সোনালী সংবাদে প্রকাশিত তথ্যানুসারে এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য ১৬ ডিসেম্বর ২০০০ তারিখে উপাচার্য এম. সাইদুর রহমান খান ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, ২২ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৫ তারিখের দৈনিক নতুন প্রভাতের তথ্যানুসারে ২১ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে প্রতিমন্ত্রী রেদোয়ান আহমেদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালার সিনিয়র প্রদর্শন অফিসার দিলরুবা খানমের ১৮ অক্টোবর ২০০৫ তারিখে প্রদত্ত (ফোনে) তথ্যানুসারে এ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তি প্রস্তর করেন ১৬ ডিসেম্বর ২০০০ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর এম. সাইদুর রহমান খান, ১৪ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর ফাইসুল ইসলাম ফারুকী ও ২১ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। উপরোক্ত তথ্য থেকে বলা যেতে পারে ১৬ ডিসেম্বর ২০০০ তারিখে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হলেও প্রকৃত নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৪ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে এবং ২১ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকতা স্বরূপ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। ৯ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম এর উদ্বোধন করেন। মেয়র মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।১৮৬
স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ব্যয় ধরা হয় আড়াই কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম স্তরের নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে ৮৪ লক্ষ টাকা।১৮৬ সমতল ভূমি হতে উঁচু সিমেন্টের গোলাকার বেদির উপর মাথা তুলে দন্ডায়মান ৪২ ফুট উঁচু স্মৃতিস্তম্ভ। স্মৃতিস্তম্ভটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালার অন্তর্র্ভুক্ত।১৮৭ দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত নিরাপরাধ মানুষকে ধরে নিয়ে এসে এখানে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তাদের স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার উদ্দেশ্যেই এ স্মৃতিস্তম্ভ। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী শহীদ শামসুজ্জোহা হলকে তাদের ক্যান্টনমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে।১৮৬