ফিরে যেতে চান

সাবাস বাংলাদেশ৮৪

সাবাস বাংলাদেশ

সাবাস বাংলাদেশ দেশের সর্ব বৃহৎ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মারক ভাস্কর্য। সাবাস বাংলাদেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশ দ্বার থেকে উত্তর-পশ্চিমে এবং সিনেট ভবন সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে অবস্তিত। ভাস্কর্যের সামনে ৪০x৪০ ফুট একটি চত্বর আছে। চত্বরের ৬ফুট বেদীর উপর স্থাপিত দুজন মানুষের আকৃতি। এর একজন হলো অসম সাহসের প্রতীক। যিনি ধৈর্য দিয়ে বিজয়কে করায়ত্ত করেছেন। অন্যজনের রয়েছে বিপুল উল্লাস। যাতে বুঝানো হয়েছে আমাদের দেশটা সামনে এগুনোর পথ খুঁজে পেয়েছে। ভাস্কর্যের মূল দুটি অবয়বের পিছনে রয়েছে বাংলাদেশের পতাকার একটি ভাস্কর্য ফরম। এর উচ্চতা মাটি থেকে ৩৬ ফুট। যা পুরো দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। সম্পূর্ণ ভাস্কর্যটির দুপাশে রয়েছে সাদা প্যানেল। যা মূল চত্বরের দুপাশ দিয়ে বেরিয়ে গেছে। শিল্পী এখানেই ছাত্র, যুবক, মা-বোন ও মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিত করেছেন সমগ্র বাংলাদেশের প্রতীক হিসেবে। এ ভাস্কর্যের মধ্যে শুধু অতীত আর বর্তমান নয়; ভবিষ্যতের দিকেও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ভাস্কর্যের গায়ে লেখা আছে কবি সুকান্তর দুচরণের কবিতা। ভাস্কর্যের স্থপতি বিখ্যাত শিল্পী নিতুন কুণ্ডু। এর স্থাপনের উদ্যোগ ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ও অর্থানুকূল্যে ছাত্র জনতার আর্থিক সহযোগিতায় শিল্পী নিতুন কুণ্ডু পারিশ্রমিক ছাড়াই ভাস্কর্যটি তৈরি করে শিক্ষা ভূমি রাজশাহীর মাটিতে মহত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী বেগম জাহানারা ইমাম ভাস্কর্যটি উন্মোচন করেন।