ফিরে যেতে চান

ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্দেশ্য

ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্দেশ্য

বৃহত্তর  কোন শক্তির অধীন থেকে মুক্ত হওয়ার মহৎ লক্ষ্যে একটা পরাধীন জাতিকে দীর্ঘকাল রক্ত দিতে হয়। এ রক্তের প্রভাব জাতির দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধকে আরো উর্বর করে তোলে। দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ ক্রমশ উর্বর হয়ে যখন অপারাজেয় শক্তির আকৃতি ধারণ করে, তখন  সাম্রাজ্যবাদ শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। তারপর উপনিবেশিকতার কালো মেঘ মুক্ত আকাশে উদয় হয় স্বাধীনতার সূর্য। বাংলাদেশের স্বাধীনতাও এমন ঐতিহাসিক পথ ধরে এসেছে। এদেশের ভৌগোলিক স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ সময়ের আন্দোলন-সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন অগণিত মানুষ। এসব উৎসর্গিত প্রাণের কৃতিত্ব অক্ষয়ের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ও বিভিন্ন আকৃতির ভাস্কর্য। সেই গৌরবময় দিনগুলোয় ফিরে গেলে দেখা যায়, প্রতিটি জাতীয় ঘটনাবলীতে রাজশাহী মহানগরী ইতিহাসের বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে স্বাবলীল করার জন্য যত লড়াই হয়েছে তার সর্বক্ষেত্রেই রাজশাহীবাসীর অবদান অবিস্মরণীয়। শহীদদের অমর কর্ম ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে মহানগরীর বিভিন্ন বিদ্যাপিঠ ও সবুজ ভূমির বিভিন্ন জায়গায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে অনেক শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ও অন্যান্য ভাস্কর্য।