ফিরে যেতে চান

স্বাধীনতার পর পবা- বোয়ালিয়া ও রাজশাহী মহানগরী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য

স্বাধীনতার পর পবা- বোয়ালিয়া ও রাজশাহী মহানগরী থেকে নির্বাচিত 
সংসদ সদস্য


০১. এএইচএম কামারুজ্জামান, ১ম জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ১৯৭৩, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
০২. মইনুদ্দিন আহমেদ মানিক, ১ম জাতীয় সংসদ, উপনির্বাচন ১৯৭৩ জাসদ।
০৩. মো. মহসীন, ১ম জাতীয় সংসদ, উপনির্বাচন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
০৪. এমরান আলী সরকার, ২য় জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ১৯৭৯, বিএনপি।
০৫. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বাবলু, ৩য় জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ১৯৮৬, জাতীয় পার্টি।
০৬. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বাবলু, ৪র্থ জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ১৯৮৮, জাতীয় পার্টি।
০৭. অ্যাডভোকেট কবীর হোসেন, ৫ম জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১, বিএনপি।
০৮. বেগম খালেদা জিয়া, ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ বিএনপি।
০৯. অ্যাডভোকেট কবীর হোসেন, ৭ম জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ১২ জুন ১৯৯৬, বিএনপি।
১০. মো. মিজানুর রহমান মিনু, ৮ম জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ১অক্টোবর ২০০১, বিএনপি (চার দলীয় জোট)
১১. ফজলে হোসেন বাদশা, ৯ম জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মহাজোট)।
১২. ফজলে হোসেন বাদশা, ১০ম জাতীয় সংসদ, নির্বাচন ৫ জানুয়ারি ২০১৪, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মহাজোট)।
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী জেলা ৫টি সংসদীয় আসন ভেঙ্গে ৬টি আসন করা হয়। 
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকা বোয়লিয়া (রাজশাহী-২) শিরোনামে পুনর্গঠিত হয়। ফলে রাজশাহী জেলায় গোদাগাড়ি-তানোর, বোয়ালিয়া (রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকা), পবা-মোহনপুর, বাগমারা, পুঠিয়া-দুর্গাপুর, বাঘা-চারঘাট মোট ৬ টি সংসদীয় আসনের এলাকা নির্ধারিত হয়।
১৯৭৩ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মোট ১০টি জাতীয় সংসদের ১ম সংসদে পবা-বোয়ালিয়া আসনের ৩ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে প্রথমে এএইচএম কামারুজ্জামান পবা- বোয়ালিয়া ও গোদাগাড়ি-তানোর আসনে নির্বাচিত হন। পরে তিনি পবা-বোয়ালিয়া আসনটি ছেড়ে দিলে শূন্য আসনের উপ নির্বাচনে সংসদ প্রার্থী মঈনুদ্দিন আহমেদ মানিক নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাকশাল গঠন করলে মানিক বাকশালে যোগ না দিয়ে পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের ফলে শূন্য আসনে মো. মহসীন নির্বাচিত হন।