ফিরে যেতে চান

মণিচত্বরের ভাস্কর্য: সাহেব বাজার সোনাদিঘি চত্বরে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ইউএস এইডের সহযোগিতায় ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৯৯৩ সালে সিরামিক টাইলের মুরালে হামাগুড়ি দেয়া শিশুর একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করে। ভাস্কর্যটির স্থপতি রাজশাহী আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ শিল্পী এসএইচ আজাদ (মরহুম)। ভাস্কর্যটি চারিদিকে লাল বৃত্ত। বৃত্তের বাইরে ৬টি ঘাতক ব্যাধির প্রতীক হিসেবে ৬টি তীরের ফলা ও মায়ের প্রসারিত ২টি হাত। হাত দুটির মধ্যে দুটি বাল্ব সংযুক্ত।১৩৭ অমূল্য রত্ন মণির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে শিশুকে। এ অর্থেই ভাস্কর্যের নামকরণ করা হয়েছে মণি ও চত্বরটির নাম দেয়া হয়েছে মণি চত্বর। মণিচত্বরের ভাস্কর্যটি এক সময় ভেঙে পড়েছিল। এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র থাকাকালীন সময় সেখানে নতুন ভাষ্কর্য স্থাপন করা হয়।