ফিরে যেতে চান

আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রকল্পের স্বাস্থ্য সেবা

মহানগরীর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৯৮ সালে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী মহানগরীতে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি এডিবি (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক), নরডিক, ইউএনএফপি (জাতিসংঘ জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল) যৌথভাবে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করে।৫৫ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ১৯৯৮ সালের জুনে এবং স্বাস্থ্যসেবা শুরু হয় ১৯৯৯ সালে। 
প্রকল্পটির আওতায় রাজশাহী মহানগরীতে এ পর্যন্ত ১৭টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মাতৃসদন কেন্দ্র ও ১৪টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো ১নং ওয়ার্ডের কাশিয়াডাঙ্গায়, ২নং ওয়ার্ডের টুলটুলিপাড়ায়, ৪নং ওয়ার্ডের বুলনপুরে, ৭নং ওয়ার্ডের শ্রীরামপুরে, ১১নং ওয়ার্ডের হেতমখাঁয়, ১২নং ওয়ার্ডের ফুদকিপাড়ায়, ১৩নং ওয়ার্ডের কাদিরগঞ্জে, ১৫ নং ওয়ার্ডের সপুরা গোরস্থানে, ১৭নং ওয়ার্ডের পোস্টাল একাডেমির পাশে, ১৮ নং ওয়ার্ডের ছোট বনগ্রামে, ২৩নং ওয়ার্ডের শেখেরচকে, ২৮নং ওয়ার্ডের কাজলা সাকোয়াপাড়ায়, ২৯নং ওয়ার্ডের ডাঁশমারিতে ও ৩০নং ওয়ার্ডের বুধপাড়ায়। কাশিয়াডাঙ্গারটি মা ও শিশু হাসপাতাল নাম দিয়ে ২০০৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। তবে তার পূর্বেই এর সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এটি নগর মাতৃসদন কেন্দ্র। নওদাপাড়া ও পোস্টাল একাডেমিরটিও অনুরূপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এ কেন্দ্রগুলো বেসরকারি সংস্থার(এনজিও) মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে PSTC (Population Services and Training Centre), RIC (Resource Integration Centre) ও তিলোত্তমা (সূর্যের হাসি ক্লিনিক) নামের ৩ টি এনজিও’র প্রত্যেকটি ১০টি করে মোট ৩০ টি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করছে। পিএসটিসি ও রিকে অর্থ সহযোগিতা করে এডিবি এবং তিলোত্তমায় করে ইউএস এইড।৭৯৩