ফিরে যেতে চান

মহানগরীর রানীনগরে সিটি কর্পোরেশনের সিটি হাসপাতাল অবস্থিত। পূর্বে এ ভবনটিতে সিভিল সার্জনের অধীনে আরবান ডিসপেনসারি হিসেবে জনসাধারণকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হতো। সিটি কর্পোরেশন ভবনটি সিভিল সার্জনের নিকট থেকে গ্রহণ ও সংস্কারের পর নাম দেয় শ্রমজীবী হাসপাতাল। সংস্কারের কাজ শেষ হয় ১৯৯৭ সালে। ১৯৯৯ সালে শ্রমজীবী হাসপাতাল নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সিটি হাসপাতাল। ২০০০ সালের ১৬ মে এর আউটডোর সেবার উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তী বছরে প্রসব সেবা বা ইনডোর কার্যক্রম আরম্ভ হয়।৫৪ 
২০০৩ সালের ৩ জুন সিটি হাসপাতালের তথ্যানুসারে এখানে প্রতিদিন প্রায় ২শ রোগী আউটডোর সেবা গ্রহণ করে থাকেন। ৫ টাকার বিনিময়ে একজন রোগী চিকিৎসা সেবা ও এক সপ্তাহ্র ঔষধ পেতেন। ২৫ টাকায় রেজিস্ট্রেশনের একজন গর্ভবতী মা ৮ মাস চিকিৎসা, ঔষধ ও প্যাথলজি সেবা পেতেন। একজন নিবন্ধনভুক্ত ডেলিভারি রোগীকে ৪শ টাকায় অ্যাম্বুলেন্সসহ যাবতীয় সেবা প্রদান করা হতো। অনিবন্ধনভুক্ত এ সেবার ফি ছিল ৫শ টাকা। প্রতিদিন ০-২ বছরের ২০ থেকে ৩০ টি শিশুকে বিনামূল্যে ইপিআই টিকা প্রদান ও গ্রোথ মনিটরিং করা হতো। পর্যায়ক্রমে এর সেবার হার, সেবামূল্যেও বৃদ্ধি ঘটে। 
২০০৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে এখানে চোখের সেবা প্রদান করা হয়। তুলনামূলকভাবে হাসপাতালটিতে স্বল্পমূল্যে যাবতীয় প্রাথমিক প্যাথলজিক্যাল টেস্ট করা হয়। এখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থাও আছে।
পূর্বে হাসপাতালটি বার্ষিক বাজেট বরাদ্দের ভিত্তিতে অস্থায়ী জনবল দ্বারা চলতো। ২০১২ সালের সংশোধনী সাংগঠনিক কাঠামোতে সিটি হাসপাতাল অন্তর্ভুক্ত হয়। এ কাঠামোই মুঞ্জুরিকৃত জনবল চিকিৎসক ও সাধারণ কর্মচারীসহ ২৮ জন।