ফিরে যেতে চান

পৌরসভার শুরু থেকেই জন্ম নিবন্ধন হয়ে আসছে। পূর্বে জন্ম নিবন্ধন অভিভাবকগণ প্রয়োজনের তাগিদে অভিভাবকগণ স্বেচ্ছায় করতেন। অধিকাংশ নগরবাসীরই এ বিষয়ে ধারণা ছিল না বা গুরুত্ব দিতেন না। ফলে নগরবাসীর এ বিষয়ে আগ্রহে ভাটা পড়ে এবং নিবন্ধনের হারও কমতে থাকে। এ অবস্থায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বরে শিশু অধিকার সপ্তাহ পালনের মাধ্যমে ০-৬ মাস বয়সের সকল শিশুর নিবন্ধনের কার্যক্রম নতুন আঙ্গিকে শুরু করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মহানগরবাসীর সকলকে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়। ৯.১১.২০০৬ তারিখে জানা যায়, ১০-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরী জন্ম নিবন্ধন ২০০৫ সালে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে  মহানগরীতে জন্মগ্রহণকারী সকল শিশুর ০-৯০ দিনের মধ্যে নিবন্ধন হচ্ছে। ২০০১ সাল থেকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের জনস্বাস্থ্য বিভাগ কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির কার্যক্রম আরম্ভ করে। 
কম্পিউটারে শিশু নিবন্ধনের সংখ্যা: 
১৯৯৭ সালে ০-৬ বছর বয়স্ক শিশু ৩৮২০২টি
১৯৯৮ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ৮২১৬ টি
১৯৯৯ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ৩৮৪২ টি
২০০০ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ৫৮৯৫ টি
২০০১ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ৮৯১৩ টি
২০০২ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ১১০১৫ টি
২০০৩ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ১৪২০৬ টি  
২০০৪ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ১৫০৯৫ টি
২০০৫ সালে ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ১১৩৭৫ টি
২০০৬ সালে (সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) ০-৯০ দিনের বয়স্ক শিশু ৫৬৯০টি 
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত সব বয়সের মোট ৫,৮৮,০৫৯ জনের জন্ম নিবন্ধন হয়। 
পূর্বে দেশের যে কোন অঞ্চলের পিতা-মাতার শিশু রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে জন্ম নিলেই তার জন্ম নিবন্ধন করা হতো। কিন্তু ২০০৫ সালে নিয়ম করা হয় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার পিতা-মাতার শিশুই এখানে জন্ম নিবন্ধন হবে। 
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে সাফল্য অর্জন করায় মেয়র ২০০২ সালের ৮ মে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক বিশেষ অধিবেশনে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ পান এবং মেয়র মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি ঐ অধিবেশনে যোগদান করেন। তিনি সেখানে শিশু অধিকারের বিষয়ে বক্তব্য পেশ করেন (সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় মেয়রের বাজেট ঘোষণা, অর্থ বছর ২০০২-২০০৩, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন, ২৯ মে ২০০২)।